ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (২৩২)
, ১২ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৮ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১২ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
তাহলে আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমি উনার নাম মুবারক উনার মধ্যে, উনার সম্মানার্থে, উনাকে মহব্বত মুবারক করে এই বুছা মুবারক দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা চুম্বন মুবারক দিয়েছিল। নাম মুবারকে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল। দুরূদ শরীফ পাঠের সময় আযানে যে চোখে বুছা দেয়া হয়, সে সরাসরি বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা। একটা মাত্র। সে বলেছিল, আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমিতো গ্রাম-গঞ্জে থাকি। উনি কোথায় আসবেন, কবে আসবেন? আমি জানি না। উনার অনেক ছানা-ছিফত মুবারক, অনেক সম্মান মুবারক, অনেক ফযীলত মুবারক। উনি সবকিছুর মালিক। এখন সেই সম্মানার্থে আমি উনাকে একটা সম্মান করলাম, সেই সম্মানসূচক একটা বুছা মুবারক দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, হে হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম! তার এই একটা বুছা আমি পছন্দ করেছি, মুহব্বত করেছি। আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সে সম্মান করলো, এই জন্য আমি খুশি হয়ে তার দুই শত বছরের গোনাহ মাফ করে, জাহান্নাম হারাম করে আমি তাকে জান্নাত দিয়ে সম্মানিত করে দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
যদি বিষয়টা এরকমই হয় তাহলে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি যে আক্বীদা পোষণ করলো তার ফযীলত কতটুকু? তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক কতটুকু? তাহলে উনাদের মুহব্বত মুবারক করলে কত ফযীলত পাওয়া যাবে। এটা ফিকির করতে হবে। মানুষ ফিকির করে না। অত্যন্ত সূক্ষè বিষয়, অনেক ফিকিরের বিষয়। এতবড় একটা নাফরমান, যমীনে সৃষ্টির মধ্যে নিকৃষ্ট একটা নাফরমান ঐ যামানায়। সেই নাফরমান লোকটা একটা বুছা মুবারক দিয়ে যদি এরকম হয়, বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষণ করলে, মুহব্বত মুবারক করলে তাহলে বাকিটা কি হবে? আর বিপরীতটা ইবলিসেরটা কি হলো? কাজেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান-মান মুবারক এটা একটা কল্পনাতীত বিষয়। আমরা যেটা ভাষায় বর্ণনা করি, এটা কিছুই না বিন্দু থেকে বিন্দুতম না। এক জাররা কিছুই হয়নি। অনেক ফযীলত, অনেক সম্মান সেটা কোনদিন কল্পনা করা যাবে না। তাহলে উনাদের শান-মান মুবারক নিয়ে কিভাবে কথা বলতে হবে, কিভাবে উনাদের তা’যীম করতে হবে। একজন সাধারন বাবা-মার জন্য বলা হয়েছে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (৮)
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাজায়িজ
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ছদকা করার ফলে বিপদের সময় উটনীর দুধ লাভ
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
একখানা মহাসম্মানিত সুন্নাত মুবারক আমল করলে, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ৪টি নিয়ামত মুবারক
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ঈমানী কুওওয়াত বা শক্তি বৃদ্ধিকারী কতিপয় ঘটনা
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দ্বীন ইসলাম ব্যতিত অন্য কোন তন্ত্র-মন্ত্র নিয়মনীতি শরীয়তসম্মত নয়
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি আদেশ মুবারক করেছেন-
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
বঙ্গ, বাংলা, বাঙ্গালী শব্দের উৎপত্তি মুসলমানদের মাধ্যম দিয়েই (৫)
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যেই ২৬ খানা আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার জন্য ভারতের আদালতে রিট করেছিলো ইসলামবিদ্বেষীরা
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












