ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (২৩০)
, ১০ ছফর শরীফ, ১৪৪৮ হিজরী সন, ২৬ ছানী, ১৩৯৪ শামসী সন , ২৫ জুলাই, ২০২৬ খ্রি:, ১০ শ্রাবণ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
শোনলো এককান দিয়ে আরেক কান দিয়ে বের হয়ে গেল সেতো কোনদিন বুঝতে পারবে না। এটা ফিকির করতে হবে। এটা কঠিন বিষয়। তাহলে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের শান মুবারকে চূ-চেরা কিল ও কাল করলে তাহলে কি হবে? এখন এটাও ফিকির করতে হবে। কাগজ কলম আছে লিখলেই হয়ে গেল। তাফসীরকারক হ্যাঁ, মুহাদ্দিছ মুফতী ফক্বীহ উমুক ইত্যাদি ইত্যাদি খত্বীব। কিছু লিখলো মুখ দিয়ে বলে ফেললো। নাউযুবিল্লাহ! তাহলে বিষয়টা কিন্তু ফিকির করতে হবে। অনেক ফিকিরের বিষয়। কাজেই খুব সাবধান থাকতে হবে এসব বিষয়গুলি সম্পর্কে। এগুলি আক্বায়িদের মাসয়ালা সূক্ষèাতি সূক্ষè। একটা লোক আমলের যদি ক্রটি থাকে একসময় সে নাজাত পায় কিন্তু আক্বীদায় ক্রটি থাকলে নাজাত পায় না।
ইবলিসের যে ওয়াক্বীয়া বলি সব সময়। ইবলিস কিন্তু ছয় লক্ষ বছর একদিন দু’দিন না, মানুষ জানে না। ছয় লক্ষ বছর সে একাধারা ইবাদত-বন্দিগী করেছে। এখন যমীনে যারা আছে তাদের গুনে দেখতে হবে ছয় লক্ষ বছর হয়কি না, চিন্তার বিষয়। মানুষ দশ বছর, বিশ বছর, একশ’ বছর, পঞ্চাশ বছর ইবাদত-বন্দিগী করেছে। ইবলিস নিজেই ছয় লক্ষ বছর ইবাদত-বন্দিগী করেছে। এবং শুধু এতটুকু না, এরপরে সে সমস্ত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে তা’লীম দিয়েছে। সে মুয়াল্লিম, শিক্ষক ছিলো। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কি আছে?
بُعِثْتُ مُعَلِّمًا
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, আমি মুয়াল্লিম হিসেবে প্রেরিত হয়েছি। যারা তা’লীম-তালক্বীন, দরস-তাদরীস করবে তাদের হাশর-নশর আমার সাথে হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেই তা’লীম-তালক্বীন কিন্তু কে করলো? ইবলিস করলো। কাদের সাথে করলো? হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সে তা’লীম দিলো। নাউযুবিল্লাহ! হাজার হাজার বছর ব্যাপী। এই যে বিষয়টা, এরপর কি হলো পরে? যখন হযরত আবূল বাশার ছফীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করতে বলা হলো। একটা কথা মাত্র সে জাহান্নামী হলো।
أَنَاْ خَيْرٌ مِّنْهُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, ইবলিস সিজদা কর। সে বলল, আমিতো উনার থেকে উত্তম। নাউযুবিল্লাহ!
فَسَجَدُوا إِلاَّ إِبْلِيسَ أَبٰى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
ইবলিস ব্যতীত সকলেই সিজদা করলো, সে অস্বীকার করলো অহংকার করলো। সে আগে থেকেই কাফির ছিলো। আর কি বললো?
أَنَاْ خَيْرٌ مِّنْهُ
আমিতো উনার থেকে উত্তম। নাউযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি বললেন, তিনিতো শ্রেষ্ঠ। ইনসান আশরাফুল মাখলুকাত, তিনি শ্রেষ্ঠ। তুমি জ্বীন তোর থেকে শ্রেষ্ঠ।
কিন্তু সে বলল যে না, মহান আল্লাহ পাক!
أَنَاْ خَيْرٌ مِّنْهُ
আমিতো উনার থেকে উত্তম। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! অস্বীকার করলো, একটা কথা। তার ছয় লক্ষ বছরের ইবাদত-বন্দিগী বাদ হয়ে গেল। তা’লীম-তালক্বীন, দরস্-তাদরীস বাদ হয়ে গেল। সে চির জাহান্নামী।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (৯)
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বেপর্দা হওয়া শয়তানের ওয়াসওয়াসাকে সহজ করার মাধ্যম
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্যতার বেমেছাল দৃষ্টান্ত
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
যেখানে প্রাণীর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করেন না
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কাফির-মুশরিকদের থেকে জুদা না হলে কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারী
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
হযরত মাওলানা শাহ ছুফী আবুল খায়ের মুহম্মদ ওয়াজীহুল্লাহ নানুপূরী যাত্রাবাড়ীর হযরত মুর্শিদ কিবলা আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক (১১ পর্ব)
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১৪)
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা পালন করা পুরুষ-মহিলা সবার জন্য ফরজ
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












