ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (৬০)
, ২৭ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১৯ ছামিন, ১৩৯৩ শামসী সন , ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ০৩ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
কাজেই বিষয়গুলো ফিকির করতে হবে। এখন মানুষ-
مال مفتے قدر نیست
উচ্চারণ: ‘মালে মুফতে ক্বদরে নিস্ত্।’ যেটা কোন বিনিময় ছাড়া পাওয়া যায়, সেটা কোন মানুষ মূল্যায়ন করে না। নাউযুবিল্লাহ! বিশেষ করে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের যে তা’খীর, তাহরীম, ঈলা এই যে বিষয়গুলো, এগুলো কিন্তু মানুষ অপব্যাখ্যা করে। নাঊযুবিল্লাহ! এগুলোতে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের শান-মান মুবারকই কিন্তু প্রকাশ করেছেন, মানুষকে বুঝিয়েছেন । কিন্তু মানুষ উল্টা বুঝার কারণে আবূ জাহিল আর আবূ লাহাবের মতো অপব্যাখ্যা করে। নাউযুবিল্লাহ! এই জিনিসটাই সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম তিনি নিজেই বলেছেন, কিন্ত মানুষ সেই বিষয়গুলোও ফিকির করে না। তিনি যে বললেন, উনাদের যে এতো সম্মান, তিনি বললেন এই যে ইফক্বের ঘটনা এর জন্য যে এতগুলো পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হবে সেটা সাধারণভাবে চিন্তার বিষয় ছিলো না। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদেরকে এতো সম্মান দিলেন যে, একাধারা ১০খানা পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন। অথচ অতীতে জলীলুল ক্বদর রসূল হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম তিনি, হযরত উম্মু রূহিল্লাহি আলাইহিমাস সালাম তিনি জলীলুল ক্বদর রসূল আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিতা মাতা, উনার শানে অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করা হয়েছে। উনাদের ব্যাপারে যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কিছুই বললেন না। উম্মতের দ্বারা ফায়সালা করলেন। একজনকে বাচ্চা শিশু, আরেকজনকে সম্মানিত রসূল হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার দ্বারা ফায়সালা মুবারক করলেন। তাহলে এ ব্যাপারে কার দ্বারা ফায়সালা মুবারক করা হবে? সেটা চিন্তার বিষয়। কিন্তু যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করলেন, যে পবিত্র আয়াত শরীফগুলো ক্বিয়ামত পর্যন্ত মানুষ তিলাওয়াত করবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আসলে প্রত্যেকটা পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মাধ্যমে উনাদের ছানা-ছিফত মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমরা যেটা বলি হুসনে যন এবং বিশুদ্ধ আক্বীদা পোষন করা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি ফরযে আইন।
এই পবিত্র আয়াত শরীফ মুবারকে শিক্ষা দিয়েছেন যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি। তিনি যে বললেন, যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি বলতেছেন, উনাদের প্রতি হুসনে যন পোষণ করতে হবে, ফরয এটা। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি হুসনে যন পোষণ করা ফরযে আইন। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَوْلا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ
যখন তোমরা শুনলে,
ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا هَذَا إِفْكٌ مُّبِينٌ.
হে মুসলমান পুরুষ-মহিলা তোমরা যারা শুনলে, তোমরা কেন উনাদের প্রতি উত্তম ধারণা পোষণ করলে না। কেন বললে না, এটা একটা প্রকাশ্য অপবাদ। কেন হুসনে যন পোষণ করলে না। তোমাদের উপর ফরয ছিলো হুসনে যন পোষণ করা। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এ পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের প্রতি হুসনে যন পোষণ করা ফরযে আইন করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ছহিবে নিসাব প্রত্যেক ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরবানী দেয়া ওয়াজিব (৫)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৬)
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানী সংশ্লিষ্ট মাসায়িল
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা বেমেছাল ফযীলত মুবারকের অধিকারী
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
গাযওয়াতুল হুদায়বিয়াহ বা হুদায়বিয়ার জিহাদ (১৩)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র নামাযের মাসয়ালা-মাসায়িল
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা শক্ত হারাম, রয়েছে কঠিন শাস্তি
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (১৫৫)
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারকসমূহ যারা পালন করেন উনাদেরকে অনেক ফযীলত দেয়ার সাথে সাথে তিনটি বিশেষ ফযীলত হাদিয়া করা হয়-
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












