ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা বেমেছাল মর্যাদার অধিকারী (৪৯)
, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০:০০ এএম ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
তবে ছহীহ বর্ণনা যে, যিনি মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যারা বাঁদী, খাদিমা এরা হালাল হওয়ার পরেও তিনি কোন বাঁদী কোন খাদিমার সাথে কখনও কোন নিসবত মুবারক স্থাপন করেননি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সেটাই বলে দিচ্ছেন, আপনার যারা অধিনস্থ তাদেরকে আপনার জন্য হালাল করে দেয়া হলো। তবে
مِمَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَيْكَ
মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাকে ‘ফাই’ দিয়েছেন। অর্থাৎ গণিমতের মাল হিসাবে অথবা যুদ্ধ জিহাদ করে যাদেরকে লাভ করতে পেরেছেন। এখানে একটি কুফরী আক্বীদাহ আছে, এ বিষয়টা কঠিন একটা বিষয়। সেটা হচ্ছে, যাদেরকে আপনি ‘ফাই’ অর্থ গণিমতের মাল অথবা যুদ্ধ জিহাদ করে লাভ করার পরে যে সমস্ত মহিলা, অবশিষ্ট মাল-ছামানা যা পাওয়া যায় সে মালকে ‘ফাই’ বলা হয়। এর অনেক ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। এখানে মানুষ কিছু কুফরী করে থাকে, সেটা হলো- কিছু লোক তারা বলে থাকে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হচ্ছেন মোট ৯ জন। নাউযুবিল্লাহ! কুফরীতে আটকে যাওয়ার কারণে তারা এটা বলে থাকে। ‘ফাই’ বলতে অর্থাৎ ৪ জন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা যারা বিশেষ করে, দু’জন হযরত মূসা কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার তাওরাত শরীফের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। দু’জন হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার অর্থাৎ ইনজিল শরীফ উনার আক্বীদার অন্তুর্ভুক্ত ছিলেন। বিশেষ করে উনারা হচ্ছেন, হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে ৮ম এবং যিনি ১২তম। উনারা দু’জন হচ্ছেন, ইনজিল শরীফ উনার অনুসারী। আর নবম ও দশম হচ্ছেন তাওরাত শরীফ উনার অনুসারী। যিনি ৮ম ছিলেন তিনি ছিলেন বনী মুস্তালিকের জিহাদে। বনী মুস্তালিকের যিনি প্রধান ছিলেন উনার সম্মানিত আওলাদ আলাইহাস সালাম ছিলেন তিনি। আবার ৯ম যিনি তিনি বানূ কুরাইজার জিহাদের পর তিনি তাশরীফ মুবারক আনেন। ১০ম যিনি তিনি খাইবার জিহাদের পর তাশরীফ মুবারক আনেন। আর দ্বাদশ যিনি উনাকে মিশরের বাদশা মুকাওকিস তিনি হাদিয়া মুবারক করেন। তিনি বাদশাহর ভাতিজি ছিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা প্রত্যেকেই অভিজাত ও সম্মানিত। সকলেই গোত্র প্রধান। আর তিনি তো বাদশাহর আত্মীয়, আপন ভাতিজি ছিলেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন তারা বলতে চায়, যাদের আক্বীদাতে কুফরী আছে, উনারা না কি ৪ জন বাঁদি হিসাবে ছিলেন। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়ে গেছে, মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাদের প্রত্যেককে উনাদের মহাসম্মনিত মহাপবিত্র দেনমোহর মুবারক দিয়ে উনাদেরকে তিনি নিসবতুল আযীম শরীফ উনার মাধ্যমে গ্রহণ করেছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এখন মানুষের আক্বীদাতে ক্রটি থাকলে, কুফরী থাকলে সেটাতো হিদায়েত পাওয়া কঠিন। আবূ জাহিল, আবূ লাহাব হিদায়েত লাভ করতে পারেনি। কাজেই বিষয়টা একটা সুক্ষ্ম বিষয়, ফিকিরের বিষয়।
مِمَّا أَفَاءَ اللهُ عَلَيْكَ
‘যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আপনাদেরকে হাদিয়া মুবারক করেছেন।’ সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! কিন্তু যারা বিপরীত তারা বিপরীত বলে। নাউযুবিল্লাহ!
পর্দা পালন করা নারী-পুরুষ সকলের জন্যই শান্তি ও পবিত্রতা হাছিলের কারণ
নারী-পুরুষ উভয়ের পবিত্রতা রক্ষার অতীব কার্যকর উপায় হচ্ছে পর্দার হুকুম। এই হুকুম অনুসরণের মাধ্যমেই হৃদয়-মনের পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব। পর্দার এই সুফলের কথা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে।
ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ
অর্থ: “পর্দার হুকুম তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৩)
অর্থাৎ মানবসমাজকে পবিত্র ও পঙ্কিলতামুক্ত রাখতে পর্দার কোনো বিকল্প নেই।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ফুটবল-ক্রিকেটসহ সর্বপ্রকার খেলাধুলা করা, সমর্থন করা হারাম ও নাজায়িয (৫)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পর্দা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া হারাম
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু (৬)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
কদমবুছী করা খাছ সুন্নত মুবারক
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত হযরত ইমাম পরিবার আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে অবরোধ ও ফোরাত নদীর পানি পান করতে বাধা প্রদান
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
পবিত্রতা সম্পর্কিত মাসয়ালা-মাসায়িল (১০)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
প্রাণীর ছবি তোলা হারাম ও নাফরমানীমূলক কাজ
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
কারবালার ঘটনার জন্য মালউন ইয়াযিদ লানতুল্লাহি আলাইহি দায়ী এবং সে কাফির (২)
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্বোধন মুবারক করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদব-শরাফত বজায় রাখতে হবে
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার)












