ছহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
পর্দার গুরুত্ব-তাৎপর্য ও হুকুম-আহ্কাম (৩৩)
, ২৬ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ২৪ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ২৩ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ০৯ আষাঢ়, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
এখানে ফিকিরের বিষয়,
إِلَّا أَنْ يُؤْذَنَ لَكُمْ এবং إِذَا دُعِيتُمْ فَادْخُلُوا
যে অনুমতি নিবে এবং যখন তোমাদের ডাকা হবে তখনি প্রবেশ করবে, বিনা অনুমতিতে কেউ আসবে না এবং প্রবেশও করবে না।
এখানে স্পষ্টভাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি বলে দিলেন। আর সেটা মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমল করে দেখিয়ে দিলেন।
তোমাদের যতজনকে দাওয়াত করা হবে ঠিক ততজনই তোমরা যাবে। আর অনির্দিষ্টভাবে দাওয়াত করা হলে অনির্দিষ্টভাবেই যাবে; তাতে কোন অসুবিধা নেই। তবে নির্দিষ্ট করে দাওয়াত দিলে নির্দিষ্ট করে যেতে হবে, একজনও বেশী নেয়া যাবে না। একজনও যদি বেশী যায়, তাহলে সে
دَخَلَ سَارِقًا وَخَرَجَ مُغِيرًا
সে চোর হয়ে প্রবেশ করবে আর ডাকাত হয়ে বের হবে এবং খাদ্যটা সে হালাল খাবে না, সেটা হারাম খাবে।
কাজেই খুব ফিকির এবং চিন্তার বিষয় যে, পর্দা মহান আল্লাহ পাক তিনি ফরয করে দিয়েছেন। এর হুকুম-আহকাম ও আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন।
এরপর বলা হয়েছে কি?
فَإِذَا طَعِمْتُمْ فَانْتَشِرُوا
যখন খাওয়া হয়ে যাবে, তখন চলে যাবে। বসে বসে আলাপ করে সময় নষ্ট করবে না। কারণ,
مِنْ حُسْنِ إِسْلاَمِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لاَ يَعْنِيهِ
“দ্বীন ইসলামের সৌন্দর্য হলো, অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে বিরত থাকা। ”
যেহেতু এখানে দাওয়াত দেয়া হয়েছে খাওয়ার জন্যে, খেয়েই তোমরা চলে যাবে। এখানে বসে আলাপ করবে না, কথাবার্তা বলবে না।
কারণ কথা বলতে বলতে অনেক অপ্রয়োজনীয় কাজ করা হবে, এক নাম্বার।
দ্বিতীয় নাম্বার হচ্ছে, বাড়ীওয়ালার কষ্টের কারণ। যে দাওয়াত দিবে, তার কষ্টের কারণ হবে। তাকে কষ্ট দিবে না।
الْمُسْلِمِ كُفْرٌ اِيذَاءُ
“মুসলমানকে কষ্ট দেয়া কুফরী। ”
কাজেই দাওয়াত দেয়া হয়েছে, তোমাকে খাওয়ার জন্য, মেহমানদারী করার জন্য, তা’যীম-তাকরীম করার জন্য। সেখানে কোন ব্যক্তি বসে বাড়ীওয়ালাকে কষ্ট দিবে, সেটা শোভনীয় নয়। সেটা অশোভনীয়। দাওয়াত খেয়ে চলে যাবে। যদি কোন কথা থাকে, পরে এসে বলবে, অথবা যদি খাওয়ার পর কোন আলোচনার কথা থাকে, তাহলে আলোচনা করবে, অন্যথায় চলে যাবে। এটা হচ্ছে শরীয়তের মাসয়ালা।
ওখানে বসে থেকে সময় নষ্ট করবে না। এবং খালিছ মুসলমানের যে আলামতের কথা বলা হয়েছে যে,
اَلْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ
“মুসলমান তো ঐ ব্যক্তি যার জবান এবং হাত থেকে অর্থাৎ সবকিছু থেকে মানুষ নিরাপদ থাকে। ”
যার জবান আর হাত থেকে মানুষ নিরাপদ থাকবে না, সে তো মুসলমান হতে পারবে না। মুসলমান ঐ ব্যক্তি, যার জবান থেকে এবং হাত থেকে মানুষ নিরাপদ থাকবে।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












