হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মুবারক শানে আদবের খিলাফকারী ও অপবাদ লেপনের অপচেষ্টাকারীদের ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ৬১ নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা লা’নতগ্রস্ত।”
সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মুবারক শানে জঘন্য অপবাদ আরোপকারীদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
তাই প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন ও বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করা, উনাকে সর্বাধিক মুহব্বত করা।
, ২৪ ছফর শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ০২ রবি , ১৩৯২ শামসী সন , ৩০ আগষ্ট, ২০২৪ খ্রি:, ১৫ ভাদ্র , ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মুবারক শানে আদবের খিলাফকারী ও অপবাদ লেপনের অপচেষ্টাকারীদের ব্যাপারে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার ৬১ নং পবিত্র আয়াত শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “তারা লা’নতগ্রস্ত।” এ পবিত্র আয়াত শরীফ অনুযায়ী সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মুবারক শানে জঘন্য অপবাদ আরোপকারীদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে ইতিহাসের জঘন্যতম অপবাদ দেয়া হয়েছে। বাজারে প্রচলিত কিতাবাদীসমূহে উনার মুবারক শানে চরম বেয়াদবী করা হয়েছে। উনাকে হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহাস সালাম হিসেবে অনেকেই মেনে নেয়নি। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!! নাঊযুবিল্লাহ!!! তারা উনাকে বাদী-দাসী হিসেবে উল্লেখ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! নাঊযুবিল্লাহ!! নাঊযুবিল্লাহ!!! অথচ সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম তিনি অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের অন্তর্ভূক্ত। উনার মুবারক শানে বিরূপ ধারণা পোষণ করার কোন সুযোগই নেই। হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের তালিকা মুবারক হতে উনার পবিত্র নাম মুবারক তরক করলে বহু হাদীছ শরীফ অস্বীকার করা হয়। যা সুস্পষ্ট কুফরী এবং লা’নতগ্রস্ত ও জাহান্নামী হওয়ারও কারণ। নাঊযুবিল্লাহ!
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম তিনি শাহী খান্দান, শাহী সম্প্রদায় ও শাহী গোত্র প্রধানের মেয়ে এবং মহাসম্মানিত পরিবারের মহান ব্যক্তিত্ব। তিনি কখনোই বাদী বা দাসী ছিলেননা। উনাকে বাদী বা দাসী বলা ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য অপবাদ। সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে যে বা যারাই বেয়াদবী করবে, অপবাদ দিবে, তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করতে হবে এবং শরীয়ত অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে হবে। এ ব্যাপারে কারো কোন ছাড় নেই, এ শাস্তির ব্যাপারে কারো জন্য কোন শিথিলতা নেই। কাজেই, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন পোষণ করতে হবে। সর্বক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, আফদ্বালুন নাস ওয়া নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের আলোচনা মুবারক শুরু হবে কিন্তু শেষ করার সীমানা কারোরই জানা নেই। তথাপি উনাদের শান মুবারকে সর্বোচ্চ আদব প্রকাশ ও সর্বাধিক হুসনে যন পোষণ করতে হবে। উনাদেরকে নিজের মাল, জানসহ সমস্ত কিছু হতে বেশি মুহব্বত করতে হবে। প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনভাবেই উনাদের শান মুবারকে বিন্দু হতে বিন্দুতম আদব ও হুসনে যনের খিলাফ করা যাবেনা। আর উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক জেনে ইবরত-নসীহত হাসিল করত উনাদের মুবারক শানে বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করে উনাদের মুবারক ফায়িয-তাওয়াজ্জুহ এবং নেক দৃষ্টি ও নিসবত মুবারক হাসিল করতে হলে কামিল শায়েখ উনার ছোহবত মুবারকে সকলকে অবশ্যই আসতে হবে।
ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মুবারক শানে জঘন্য অপবাদ আরোপকারীদের পরিণতি অত্যন্ত ভয়াবহ। তাই, প্রত্যেকের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ আশার আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল মুবারক শানে সর্বোচ্চ হুসনে যন ও বিশুদ্ধ আক্বীদাহ পোষণ করা, উনাকে সর্বাধিক মুহব্বত করা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শয়তান আদম সন্তানের ক্বলবে আসন পেতে বসে থাকে। যখন সে যিকির করে, তখন শয়তান পালিয়ে যায়। আর যখন সে যিকির থেকে গাফিল হয়, তখন শয়তান ওয়াসওয়াসা দেয়।” মহান আল্লাহ পাক উনার যকিরি সমস্ত কামযি়াবীর সোপান।
০৩ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
০২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাপবিত্র নসবনামাহ মুবারক দৈনিক পাঠ করা সকলের জন্য আবশ্যক।
০১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- প্রত্যেকের জন্য হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে সম্মানিত শরীয়ত কর্তৃক নির্দেশিত তারতীবে নিজে হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণ করা। একই সাথে অধীনস্তদেরকে হালাল কামাই, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণে বাধ্য করা।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক বা পবিত্র জীবনী মুবারক জানা ও বেশি বেশি সর্বত্র আলোচনা করা এবং প্রতিক্ষেত্রে উনাকে পরিপূর্ণরূপে অনুসরণ-অনুকরণ করা সকলের জন্যই ফরয।
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরকারী ব্যক্তি জীবিত আর যে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির করেনা সে ব্যক্তি মৃত।
২৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
অন্তর থেকে বদ খাছলতসমূহ দূর করে দিয়ে পবিত্র নেক খাছলতসমূহ পয়দা করার মাধ্যমেই হাক্বীক্বী ইছলাহ বা পরিশুদ্ধতা লাভ সম্ভব। মুহলিকাতের (বদ খাছলত) কারণে ক্বলব বিনষ্ট হয়। আর মুনজিয়াতের (নেক খাছলত) কারণে ক্বলব পরিশুদ্ধ হয়।
২৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
হায়াত, মাল-সম্পদ এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার হক্ব যারা আদায় করবেনা, তাদেরকে কিয়ামতের দিন অসহায় বকরীর ন্যায় উপস্থিত করা হবে।
২৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা সকলের জন্যই কামিল শায়েখ বা মুরশিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা, ছোহবত ইখতিয়ার করা, তরীক্বার সবক্ব আদায় করা ফরযে আইন। যার মাধ্যমে ইছলাহ বা আত্মশুদ্ধি লাভ হয়। ফলে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সাথে নিসবত স্থাপিত হয়। সুবহানাল্লাহ!
২৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পর্দা বা বোরকা মুসলমানগণ উনাদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাগণ উনাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক।
২৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
কুফরী থেকে বাঁচতে হলে খালিছভাবে নেক আমল করতে হবে। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- কুফরি শিরকী থেকে বেঁচে থাকার জন্য দায়িমীভাবে আমলে ছলেহ করা। আর সর্বোত্তম নেক আমল বা আমলে ছলেহ হলো, প্রথমত পবিত্র সুন্নতের অনুসরণ করা। অর্থাৎ খাওয়া-দাওয়া, আচার-আচরণ, উঠা-বসা, চলাফেরা, ঘুমসহ সর্বক্ষেত্রে সুন্নত অনুযায়ী আমল করা। দ্বিতীয়ত সর্বদা মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকা।
২৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
দ্বীনি ইলম অর্জন করা ফরয। এই ফরয আদায় না করলে এর জন্য পরকালে জবাবদিহি করতে হবে। এজন্য তাকে শাস্তিও পেতে হতে পারে।
২৩ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












