মহিলাদের পাতা
মহিলাদের ইজ্জত-সম্মান,পর্দা রক্ষা করার বিষয়ে সুখবর! সুখবর! সুখবর!
, ১৮ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৮ হাদি আশির, ১৩৯২ শামসী সন , ১৭ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রি:, ৪ বৈশাখ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) মহিলাদের পাতা
মহান আল্লাহ পাক তিনি সূরা আহযাব শরীফ উনার ৩৩ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেন-
وَقَرْنَ فِي بُيُوتِكُنَّ وَلَا تَبَرَّجْنَ تَبَرُّجَ الْجَاهِلِيَّةِ الْأُولى
অর্থ মুবারক: “তোমরা (মহিলারা) ঘরে অবস্থান করো এবং আইয়্যামে জাহিলিয়াতের ন্যায় সৌন্দর্য্য প্রদর্শন করে বাহিরে বের হয়োনা। ”
এখানে মহান আল্লাহ পাক তিনি খাছভাবে মহিলাদেরকে পর্দার কথা বলেছেন। তাই মহিলারা দায়েমীভাবে পর্দার সহিত ঘরে অবস্থান করে যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করবে অর্থাৎ সন্তান লালন-পালন করবে, শরীয়তের যাবতীয় শিক্ষাদানের মাধ্যমে সন্তানকে আল্লাহওয়ালী-আল্লাহওয়ালা বানাবে এবং পরিবারের সকলকে সুস্থ রাখার জন্য চিকিৎসা বিষয়ে বিশেষ জ্ঞান রাখবে। এটা তার জন্য ফরয তথা মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়। মহিলাদের দায়েমীভাবে পর্দা রক্ষা করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। কিভাবে কঠিন হয়ে পড়ে আমরা যদি বিষয়টি ফিকির করি তাহলে বুঝতে সহজ হবে। যেমন- একজন মহিলা সে সবসময় পর্দার ভিতরে অবস্থান করে এবং কোনভাবেই, কোন অবস্থাতেই সে বেপর্দা হয় না বরং মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে পর্দা রক্ষা করে চলে। কিন্তু দেখা গেল হঠাৎ করে হয়ত সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ল বা তার সন্তান আগমনের সময় হলো কিংবা কোন কারণে তার শারীরিক অবস্থা জটিল আকার ধারণ করল, তখন তাকে অপারগ হয়ে স্বাভাবিকভাবে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে হয় এবং বেপর্দাও হতে হয়। যেমন: ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করার সময় পুরুষ-মহিলা একসাথে অপেক্ষা করা, সিরিয়াল ধরা, এছাড়া সিজার করা হলে পুরুষ ডাক্তার থাকা ইত্যাদি।
সুতরাং দেখা যাচ্ছে, সে একজন পর্দানশীন মহিলা হওয়া সত্ত্বেও সুব্যবস্থা সম্পন্ন হাসপাতাল না থাকার কারণে বা খোঁজ না পাওয়ার কারণে নিজেকে বেপর্দা হওয়া থেকে হিফাযত করতে পারে না। আমরা যদি লক্ষ্য করি তাহলে দেখতে পাবো যে বর্তমানে বাংলাদেশসহ গোটা পৃথিবীতে এমন কোন হাসপাতাল নেই যেখানে বড় বড় রোগের অপারেশনের ক্ষেত্রে পুরুষ ব্যতীত শুধুমাত্র মহিলা দ্বারা অপারেশন করা হয়। এমনকি অপারেশনের জন্য যে এ্যানেস্থেশিয়া দেয়া হয় সেটাও পুরুষ ব্যতীত মহিলারা দেয় না।
কিন্তু মহিলাদের জন্য অত্যন্ত সু-খবরের বিষয় হলো, মহান আল্লাহ পাক উনার যমীনে এমন একটি হাসপাতাল রয়েছে, যেখানে মহিলাদের সব ধরণের চিকিৎসা শুধুমাত্র মহিলা ডাক্তারের মাধ্যমেই করানো হয়। এমনকি বড় কোন অপারেশনের ক্ষেত্রেও পুরুষ ডাক্তার ব্যতিত মহিলা ডাক্তারের মাধ্যমেই চিকিৎসা হয়ে থাকে। আর সেই সম্মানিত ঈমান হিফাজতকারী, খাছ শরয়ী পর্দার সাথে শরীয়ত সম্মতভাবে মহিলাদের যাবতীয় চিকিৎসার সুব্যবস্থা সম্পন্ন হাসপাতালটিই হচ্ছে, ৫/১ আউটার সার্কুলার রোড, রাজারবাগ শরীফ, ঢাকা-১২১৭,“আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল”। (দোতলা)
উল্লেখ্য যে, একজন স্বর্ণকার স্বর্ণ চিনে, কামার কখনো স্বর্ণ চিনে না। ঠিক তদ্রুপ যে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করে পর্দা করে, সে পর্দার মূল্য বুঝে। আর যে পর্দার মূল্য বুঝে নিজের ইজ্জত-সম্মান ও পর্দা রক্ষা করতে চায়, সে ইজ্জত-সম্মান রক্ষা করার জন্য অবশ্যই “আল-মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালে” আসবে।
পর্দার ক্ষেত্রে আল-মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালের সাথে অন্যান্য হাসপাতালগুলোর কতটুকু পার্থক্য তার শুধুমাত্র একটি উদাহারণ পেশ করা হলো, একজন মহিলা কোন কারণে আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতালে আসে এবং সেখানে পর্দার এত সুব্যবস্থা দেখে সে মুগ্ধ হয়ে যায়! আফসোস করে বলে, “আদ-দ্বীন” হাসপাতালে সে তার সব ইজ্জত-সম্মান রেখে এসেছে। কারণস্বরূপ সে বলে, চার বছর পূর্বে তার একটি সন্তান হয়। সন্তান আগমনের সময় সেই মহিলার সিজারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সবকাজই পুরুষদের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। নাঊযুবিল্লাহ! এরপর সে বলে যদি সে জানত এরকম একটি হাসপাতাল বর্তমানে আছে, তাহলে সে অবশ্যই হাসপাতালটিতে আসত।
মূলত: আল মুতমাইন্নাহ মা ও শিশু হাসপাতাল হচ্ছে- সকল মহিলাদের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে এক বিশেষ নিয়ামত মুবারক।
-মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ বালিকা মাদরাসা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
যে ৪ শ্রেণীর লোকদের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ ওয়াজিব হবে
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সকল বিপদ-আপদে মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকেই স্বরণ; এবং তাতেই মুক্তি
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সর্বক্ষেত্রে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রাধান্য দিতে হবে
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরুতেই মহান আল্লাহ পাক উনার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে ছিলেন, আছেন এবং অনন্তকাল থাকবেন
২৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
শাহিদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
ক্বলবী যিকির জারী না থাকলে শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের দায়িত্ব-কর্তব্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
তিন ধরনের লোক বেহেশ্তে প্রবেশ করবে না
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মেহমানদারী করার মাধ্যমে উদযাপনে শাফায়াত মুবারক লাভ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিশেষ নেক কাজ, যা ইন্তেকালের পরও জারি থাকে
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে ৪ শ্রেণীর লোকদের জন্য ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ ওয়াজিব হবে
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












