অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালনের লক্ষ্যে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুপম আদর্শ মুবারক আলোচনা ও অনুসরণ
প্রতি বছর রাষ্ট্রীয় অপচয়ের পরিমাণ ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। অপচয় রোধ না করে গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল, ট্যাক্স দফায় দফায় বাড়ানো জনগণের সরকারের পরিচয় নয়।
, ২২ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৩ আউওয়াল, ১৩৯১ শামসী সন , ১২ জুন, ২০২৩ খ্রি:, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সম্পাদকীয়
১
চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল)। কর্ণফুলী নদীর তীরে অবস্থিত এ সার কারখানার বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ৫ লাখ ৬১ হাজার টন। কিন্তু একটি যন্ত্রাংশের (রিঅ্যাক্টর) অভাবে দেড় বছর ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে সেখানে। এতে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকার আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে সিইউএফএল।
সিইউএফএলের সংশ্লিষ্ট বিভাগের (অ্যাডমিন ও হিসাব) তথ্যমতে, কারখানাটি চালু করতে জাপানি প্রযুক্তির নতুন রিঅ্যাক্টর প্রতিস্থাপনে খরচ হবে ৯০ কোটি টাকা। এজন্য নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনে (বিসিআইসি) প্রায় অর্ধশতবার চিঠি দেয়া হয়েছে। এমনকি রিঅ্যাক্টরটি কেনার বিষয়ে এ পর্যন্ত বিসিআইসির ২৩টি বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা হয়েছে, কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সিদ্ধান্ত যদি এখনই নেয়া হয়, তাহলেও এটি প্রতিস্থাপনে কমপক্ষে দেড় বছর সময় লাগবে। সে হিসাবে দেড় বছরে আরো প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা আয় থেকে বঞ্চিত হবে সিইউএফএল। অর্থাৎ এক্ষেত্রে সরকার ও দেশের ক্ষতি হচ্ছে আড়াই হাজার কোটি টাকা।
২
বিদেশ থেকে আসা আন্তর্জাতিক কলের আয় ভাগাভাগি নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় প্রতিদিনই বাড়ছে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি। এর ফলে গত বছরের ২৩ আগস্ট থেকে এখন পর্যন্ত এ খাতে সরকারের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে অন্তত ৫০০ কোটি টাকা। আর কলরেট বাড়িয়ে এবং সরকারসহ অন্য সব পক্ষকে বঞ্চিত করে এই সময়ে আন্তর্জাতিক গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটররা আয় করেছে বাড়তি ৬৫০ কোটি টাকা। দেশে আসা আন্তর্জাতিক কলের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে সরকারের রাজস্ব ক্ষতির এ চিত্র উঠে এসেছে।
৩
বৈদেশিক অর্থায়ন না পাওয়াসহ নয় কারণে স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে ৪০ উন্নয়ন প্রকল্পে। এর মধ্যে ৫টির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। মন্থর গতির ৩৫টি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। কিন্তু কাজের অগ্রগতি পাঁচ ভাগেরও নিচে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিভুক্ত (এডিপি) থাকলেও কাজ শুরুর আগেই বেশ কিছু প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে প্রকল্পগুলো এডিপি থেকে বাদ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা। ইতিমধ্যে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৬শ’ কোটি টাকা। এখন প্রকল্পগুলো বাতিল হলে বড় অংকের অর্থ এবং সময়ের অপচয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
৪
বিদ্যুতের উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবেলাসহ লোডশেডিং কমাতে মোট ৬২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৯টি পিকিং বিদ্যুকেন্দ্র স্থাপনে কাজ শুরু হয় ২০১০ সালে। দুই বছরে নির্মাণকাজ শেষ করার কথা থাকলেও অতিরিক্ত ৩০ মাস সময় ব্যয়ে কাজ শেষ হয়েছে ২০১৪ সালের জুনে। টার্নকি পদ্ধিতে নির্মিত এসব বিদ্যুেকন্দ্রের ঠিকাদারের বিল পরিশোধও হয়েছে প্রকল্প শেষ হওয়ার আগেই। ইতোমধ্যে পিকিং বিদ্যুকেন্দ্র থেকে উত্পাদিত বিদ্যুত্ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহও হচ্ছে। কিন্তু দুই ঠিকাদারকে সুবিধা দিতে বিল থেকে আয়কর ও ভ্যাট কেটে রাখা হয়নি। এতে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে ৮৪৮ কোটি টাকা। বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সমাপ্তি প্রকল্প পরিদর্শন প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
৫
শুধু নাম পরিবর্তনের জন্য শিক্ষা প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা অপচয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অথচ একই উদ্দেশে নেয়া বিদ্যমান উন্নয়ন প্রকল্পটি দ্বিতীয় ধাপে রূপান্তর করলে এই গোটা অর্থই সাশ্রয় হতো, দীর্ঘ সময় নিয়ে কাজ চালানো যেত। এ ব্যাপারে প্রকল্পটিতে অর্থায়নকারী বিদেশী সংস্থাটির পরামর্শও এমনই ছিল। কিন্তু মন্ত্রণালয় তাতে কর্ণপাত করেনি। ফলে এখন রাষ্ট্রীয় ৫০০ কোটি টাকা গচ্চা যাচ্ছে।
৬
প্রসঙ্গত উপরের ঘটনাগুলো বিচ্ছিন্ন হলেও এর থেকে সুস্পষ্টতই একটি ধারণা পাওয়া যায়। তাহলো রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কাজে সরকারের কর্তাব্যক্তিদের অবহেলায়, সিদ্ধান্তহীনতায় এবং অনিয়ম ও অনাচারে প্রতি বছর দেশের হাজার হাজার কোটি টাকা অপচয়। দৈনিক আল ইহসান শরীফ উনার এক হিসাব মতে প্রতি বছর এ টাকার পরিমাণ পঞ্চাশ হাজার কোটি টাকারও বেশি। রাষ্ট্রীয় এ অপচয় রোধে সরকারের কোনো নজরদারি নেই বললেই শেষ হয়না।
বরং দুঃখজনক হলেও সত্যে যে, এ বিষয়ে সরকারের বিন্দু মাত্র সদিচ্ছা এবং সদজ্ঞানও নেই। বরং সরকারের নিষ্ঠুর, নির্মম এবং জাহিল ও জালেম কর্তাব্যক্তিরা যা করে তা হলো জনগণকে শোষণ আর নিপীড়ণ। তাই এরা রাষ্ট্রীয় অপচয় নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণ করার পরিবর্তে মাত্রাতিরিক্তভাবে জনগণের উপর ট্যাক্স বাড়ায়। গ্যাস বিদ্যুতের দাম দফায় দফায় বাড়ায়। জনদুর্ভোগের মাত্রা চরমে উঠায়। অথচ দাবী করে জনগণের সরকার। কিন্তু এটা জনগণের সরকারের পরিচয় নয়। আমরা ঝাঝালো কণ্ঠে বলতে চাই, জনগণের সরকার দাবী করলে জনদুর্ভোগ আর জনশোষণ না বাড়িয়ে রাষ্ট্রীয় অপব্যায় আর অপচয় রোধ করেন। সম্পদের সুষ্ঠ, সৎ ও সুষম ব্যবহার করেন। জনগণকে সুফল দিন। জনগণের মন জয় করুন। সত্যিকার অর্থে জনগণের সরকারের হউন।
মূলত, এসব অনুভূতি ও দায়িত্ববোধ আসে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অনন্তকালব্যাপী পালন করার ইলম ও জজবা থেকে। আর তার জন্য চাই নেক ছোহবত তথা মুবারক ফয়েয-তাওয়াজ্জুহ।
ছহিবে সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ মুর্র্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার নেক ছোহবত মুবারক-এ কেবলমাত্র তা লাভ করা সম্ভব। আর ইতিহাসে তিনিই সর্বপ্রথম দিচ্ছেন অনন্তকালব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করার মহামহিম নিয়ামত মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেরকে তা নছীব করুন। (আমীন)
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
খইরুল আবনা ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বইয়িদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুল খলায়িক, সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং মালিকুল জান্নাত, মালিকুদ দুনিয়া ওয়াল আখিরহ্ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল হাদী আশার মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের সুমহান বিছালী শান মুবারক প্রকাশ উনার দিবস মুবারক।
২২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম উনার শান মান মুবারক অনুভব করা
২০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যা সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাহ, ত্বাহিরাহ, ত্বইয়িবাহ, যাকিয়াহ, রাদ্বিয়াহ, মারদ্বিয়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আলাল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
ইবনু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আশবাহুল খলক্বি বি-রসূলিল্লাহ, সাইয়্যিদুল বাশার, আল মুবাশ্শির, আল আর্বারু, আল আজওয়াদ, সাইয়্যিদুনা হযরত আন্ নূরুছ ছালিছ হযরত ত্বাহির আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান দিবস।
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
যা উম্মু আবীহা, বিনতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আন নূরুছ ছালিছাহ হযরত উম্মু কুলছূম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান নিসবতে আযীম শরীফ দিবস। একই সাথে জামিউল কুরআন, খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন হযরত উছমান আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। এবং নবম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ও নকশ্বন্দিয়া তরীক্বার ইমাম হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশ্বন্দ বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার বিরোধিতাকারীরা গুমরাহ ও উলামায়ে ‘সূ’র অন্তর্ভুক্ত। এদেরকে পরিহার করা ফরয-ওয়াজিব।
১২ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত সিবত্বতু রসূল আল ঊলা আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছ থেকে শুধু পরকালীন শাফায়াত ই একমাত্র চাওয়া পাওয়া নয়;
১০ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংস্পর্শে নাগরিকদের সংশোধনের জন্য পাঠাতে হবে
০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
যা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস।
০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
“মুসলিম বিশ্ব যদি ডলারের পরিবর্তে নিজেদের মধ্যে ‘ইসলামী দিনার’ চালু করে, তবে তা পশ্চিমাদের জন্য পারমাণবিক বোমার চেয়েও বড় ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াবে।”
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আর জুলাই সনদের ৮ নং অনুচ্ছেদ খএইঞছ এর পরিপূর্ণ প্রতিফলন। তারপরেও ঈমান বিক্রী করে, ইসলামের ধ্বংস ডেকে তথাকথিত ইসলামী দল কী করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনের ঘোষণা দিতে পারে? জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বি.এন.পির নির্বাচনী ইশতেহারে এর সাথে সাংঘর্ষিক। ইসলামী অনুভূতির প্রতি সহযোগী মনোভাবের চরম খেলাফ।
০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












