খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আ’লামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “পবিত্র কুরআন শরীফ তারতীলের সহিত ও পৃথক পৃথকভাবে স্পষ্ট করে পাঠ করুন।” সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, শাফিউল মুয্নিবীন, রহমতুল্লিল ‘আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম যিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার তা’লীম গ্রহণ করেন এবং পবিত্র কুরআন শরীফ উনার তা’লীম দেন।”
তাজবীদ অনুযায়ী তারতীলের সাথে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ফরয। তাই তাজবীদ শিক্ষা করাও প্রত্যেকের জন্য ফরয। প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে- বিশুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত নিজে শিক্ষা করা ও বেশি বেশি তিলাওয়াত করা এবং অধিনস্তদেরকে শিক্ষা দেয়া ও বেশি বেশি তিলাওয়াত করতে ব্যবস্থা করে দেয়া।
, ১৯ শাবান শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১০ তাসি, ১৩৯৩ শামসী সন , ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রি:, ২৫ মাঘ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-২
ছাহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, রহমাতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, খ¦ালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আ’লামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “পরম দয়ালু মহান আল্লাহ পাক যিনি আমাদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ শিক্ষা দিয়েছেন।” সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, শাফিউল মুয্নিবীন, রহমতুল্লিল ‘আলামীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্বোত্তম যিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার তা’লীম গ্রহণ করেন এবং পবিত্র কুরআন শরীফ উনার তা’লীম দেন।” মূলতঃ পবিত্র কুরআন শরীফ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কালাম শরীফ। মহান আল্লাহ পাক উনার যেরূপ মর্যাদা-মর্তবা উনার পবিত্র কালাম শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ উনারও রয়েছে তদ্রুপ মর্যাদা মাহাত্ম্য ও শ্রেষ্ঠত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, ছহীহ শুদ্ধভাবে তাজবীদ অনুযায়ী পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করার মধ্যে অশেষ ফযীলত ও বরকত মুবারক রয়েছে। সুবহানাল্লাহ! অপর দিকে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার একটি হরফও যদি অশুদ্ধ বা তাজবীদের খিলাফ বা বিপরীত পাঠ করা হয়, তবে ছওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ হবে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে কুফরী পর্যন্ত পৌছার সম্ভাবনাও রয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই, তাজবীদ অনুযায়ী পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করার হুকুম স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি অনেক পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যেই ইরশাদ মুবারক করেছেন। যেমন- মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-“পবিত্র কুরআন শরীফ তারতীলের সহিত ও পৃথক পৃথকভাবে স্পষ্ট করে পাঠ করুন।” মহান আল্লাহ পাক তিনি অন্যত্র ইরশাদ মুবারক করেন- “আমি পবিত্র কুরআন শরীফ তারতীলের সহিত (থেমে থেমে) পাঠ করে শুনিয়েছি।” সুবহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয় আমি পবিত্র কুরআন শরীফ অবতীর্ণ করেছি আরবী ভাষায়।” সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন- “আমি পবিত্র কুরআন শরীফ উনাকে যতি চিহ্নসহ পৃথক পৃথকভাবে তিলাওয়াত করার উপযোগী করেছি, যাতে আপনি উনাকে লোকদের নিকট ধীরে ধীরে পাঠ করেন এবং আমি উনাকে যথাযথভাবে নাযিল করেছি।” সুবহানাল্লাহ! এ পবিত্র আয়াত শরীফসমূহের সারমর্ম হলো- পবিত্র কুরআন শরীফ তাজবীদ অনুযায়ী ধীর-স্থিরভাবে থেমে থেমে, যেভাবে মহান আল্লাহ পাক তিনি নাযিল করেছেন, ঠিক সেভাবে অর্থাৎ আরবী ভাষার কায়দা অনুযায়ী ছহীহ্-শুদ্ধ, সুন্দর ও স্পষ্ট করে পাঠ করা। যেমন এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত হুযায়ফা রদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- তোমরা আরবী লাহান ও স্বরে বা আওয়াজে পবিত্র কুরআন শরীফ পাঠ করো।”
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, তাজবীদ অনুযায়ী তারতীলের সাথে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ফরয। তাই তাজবীদ শিক্ষা করাও প্রত্যেকের জন্য ফরয। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, এমন অনেক পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াতকারী আছে যাদের উপর পবিত্র কুরআন শরীফ লা’নত বর্ষণ করেন।” অর্থাৎ তাজবীদ অনুযায়ী ছহীহ শুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত না করার কারণে তাদের উপর লা’নত বর্ষিত হয়। নাঊযুবিল্লাহ! এছাড়াও পবিত্র কুরআন শরীফ অশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা পবিত্র নামায বাতিল হওয়ার অন্যতম কারণও বটে। অথচ পবিত্র নামায বান্দার ইবাদত সমূহের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মূল কথা হলো- তাজবীদ অনুযায়ী তারতীলের সাথে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করা ফরয। তাই তাজবীদ শিক্ষা করাও প্রত্যেকের জন্য ফরয। পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করার মধ্যে রয়েছে অশেষ ফায়দা ও ফযীলত। যে যত বেশি পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করবে সে তত বেশি মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক বা রেযামন্দী মুবারক হাছিল করতে পারবে। তাই, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরয হচ্ছে- বিশুদ্ধভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত নিজে শিক্ষা করা ও বেশি বেশি তিলাওয়াত করা এবং অধিনস্তদেরকে শিক্ষা দেয়া ও বেশি বেশি তিলাওয়াত করতে ব্যবস্থা করে দেয়া।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
পুলসিরাত পার হওয়ার জন্য কুরবানী দাতাকে কুরবানীর পশু দেয়া হবে এবং কুরবানীর পশু দ্বারা কুরবানীদাতা বিদ্যুৎ গতিতে পুলসিরাত পার হতে পারবে। প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- মহান আল্লাহ পাক উনার এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করার জন্য অত্যন্ত হৃষ্ট-পুষ্ট ও মোটা-তাজা পশু দেখে কুরবানী করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা, জ্বীন-ইনসান সকলের জন্যই ইখলাছ অর্জন করা এবং ইখলাছের সাথে প্রতিটি আমল করা ফরয। সুবহানাল্লাহ! কেননা ইখলাছ ব্যতীত কোন ইবাদত মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট কবুল হয় না। ইখলাছ হাছিল করতে হলে অবশ্যই একজন কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করে ইলমে তাছাউফ অর্জন করতে হবে। তাই সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া হলো- ইখলাছ অর্জন করা ফরয, ইলমে তাছাউফ অর্জন করা ফরয, বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয, ক্বালবী যিকির করা ফরয এবং ছোহবত ইখতিয়ার করা ফরয।
০৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা প্রত্যেকেই পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছেন এবং অন্যদেরকেও পালন করার ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহ প্রদান করেছেন। সুবহানাল্লাহ! অতএব, প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলা ও জিন-ইনসান সকলের জন্য ফরয হচ্ছে- হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অনুসরণে পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ যথাযথভাবে পালন করা। যা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক, ইহকালে রহমত-বরকত এবং পরকালে নাযাত-নিসবত লাভের কারণ হবে।
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করা ব্যতীত কেউ কস্মিনকালেও ঈমানদার হতে পারবে না। তাই, সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছেন- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে সমস্ত কিছু থেকে; এমনকি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি মুহব্বত করা, উনাদের প্রতি সর্বোচ্চ বিশুদ্ধ আক্বীদাহ্ মুবারক এবং সর্বোত্তম হুসনে যন বা সুধারণা পোষণ করা।
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
যে ঘরে পবিত্র ছলাত শরীফ অর্থাৎ পবিত্র মীলাদ শরীফ-পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করা হবেনা সেই ঘর অন্ধকার কবরের মত হয়ে যাবে অর্থাৎ বিরান হয়ে যাবে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “অন্যান্য ফরযের পর হালাল কামাই করা ফরয।” সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- প্রত্যেকের জন্য হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- খালিছভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের উদ্দেশ্যে সম্মানিত শরীয়ত কর্তৃক নির্দেশিত তারতীবে নিজে হালাল কামাই করা, হালাল কাপড় ও দ্রব্য সামগ্রী ব্যবহার করা, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণ করা। একই সাথে অধীনস্তদেরকে হালাল কামাই, হালাল ও পবিত্র খাদ্য গ্রহণে বাধ্য করা।।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সিবতুন (নাতি) আলাইহিমুস সালাম এবং সিবত্বাতুন (নাতনী) আলাইহিন্নাস সালাম উনারা হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিশেষ ব্যক্তিত্ব।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
পর্দা বা বোরকা মুসলমানগণ উনাদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাগণ উনাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও প্রতীক। প্রত্যেক ঈমানদার পুরুষ ও মহিলার জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- শরীয়ত নির্দেশিত তারতীবে সঠিকভাবে পর্দা করা এবং সর্বপ্রকার বেপর্দা-বেহায়াপনা হতে বিরত থাকা। সরকারের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- দেশের সর্বত্র শরঈ পর্দা জারি করা এবং যারা পর্দা বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- সম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ বা মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিবসসমূহ পালন করা সকলের জন্য আবশ্যক। তাই, সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- অত্যাধিক ধৈর্য্য ও শুকুরগুজারী, যওক্ব-শওক্ব, মুহব্বত, তা’যীম-তাকরীম ও সম্মানের সাথে পবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উদযাপন করা, পালন করা।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
রঊফুর রহীম, হারীছুন আলাল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কায়িনাতবাসীর সমস্ত আরজী পূরণ করেন। তাই, প্রত্যেকের জন্য দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে খাছভাবে রুজু হওয়া ও খাছ রেযামন্দি মুবারক হাছিল করা।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহান আল্লাহ পাক তিনি যার অন্তরকে প্রসারিত করেন তাকেই হিদায়েত দান করেন। কিভাবে হিদায়েত লাভ করা যাবে আর কি কারণে হিদায়েত থেকে মাহরূম হয়ে যাবে সে বিষয়ে হাক্বীক্বী ইলম হাছিল করতে হলে কামিল শায়েখ বা আউলিয়ায়ে কিরাম উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার ব্যতীত কারো জন্য কোন বিকল্প নেই।
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির সমস্ত কামিয়াবীর সোপান। তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- ইলমে তাছাউফের তারতীব অনুযায়ী গাইরুল্লাহ হতে বিমুখ হয়ে একাগ্রতার সাথে মহান আল্লাহ পাক উনাকে স্মরণ করা বা উনার যিকির করা এবং মহান আল্লাহ পাক উনার দিকেই খালিছভাবে রুজু হওয়া।
২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












