মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী। সুবহানাল্লাহ!
তাক্বওয়া হাছিল বা মুত্তাক্বী হওয়াই পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষা। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পরবর্তী মাসগুলোতেও বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার পরবর্তী মাসগুলিতেও ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী সর্বপ্রকার অশ্লীল-অশালীন কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে তবেই হাক্বীক্বী কামিয়াবি অর্জন করা ও নাজাত লাভ করা সম্ভব হবে।।
, ১১ শাওওয়াল শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ২২ হাদী আশার, ১৩৯১ শামসী সন , ২১ এপ্রিল, ২০২৪ খ্রি:, ০৮ বৈশাখ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্যে ওই ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি অধিক মুত্তাক্বী।” সুবহানাল্লাহ! আর এ মুত্তাক্বী হওয়ার জন্য বা তাক্বওয়া অর্জন করার জন্যই মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রোযা রাখার নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদাররা! তোমাদের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার রোযা ফরয করা হলো; যেরূপ তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর ফরয করা হয়েছিল। আর এই পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার রোযার মাধ্যম দিয়ে তোমরা অবশ্যই মুত্তাক্বী হবে বা তাক্বওয়া অর্জন করতে পারবে।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মূল শিক্ষা হচ্ছে তাক্বওয়া। অর্থাৎ নেক কাজে মশগুল থাকা ও ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী তথা হারাম নাজায়িয কাজ থেকে বিরত থাকা। তাই প্রত্যেক পুরুষ-মহিলার দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ন্যায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পরবর্তী মাসগুলোতেও মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের আদেশ-নির্দেশ মুবারকগুলো যথাযথভাবে মেনে চলা।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, বান্দা-বান্দীরা তো জানে না যে, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মকবুল হয়েছে কিনা? যদি না হয়, তবে তো তাদের মকবুল হওয়ার জন্য এখনো বেশি বেশি তওবা ইস্তিগফার করা উচিত। কেননা, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “হযরত কা’ব ইবনে উজরাহ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, (একদিন) নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (হে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম!) আপনারা মিম্বর শরীফ উনার নিকটবর্তী হোন। আমরা সকলেই মিম্বর শরীফ উনার নিকটবর্তী হলাম। অতঃপর নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মিম্বর শরীফ উনার প্রথম সিঁড়ি মুবারক-এ পবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক বা পা মুবারক রাখলেন তখন তিনি বললেন, ‘আমীন’! যখন দ্বিতীয় সিঁড়ি মুবারক-এ পবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক বা পা মুবারক রাখলেন তখন তিনি বললেন, ‘আমীন’! যখন তৃতীয় সিঁড়ি মুবারক-এ পবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক বা পা মুবারক রাখলেন তখন তিনি বললেন, ‘আমীন’! অতঃপর যখন মুবারক নছীহত শেষে পবিত্র মিম্বর শরীফ থেকে অবতরণ করলেন, তখন আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রসূলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আজকে আমরা আপনার নূরুস সালাম (যবান মুবারক) থেকে এমন কিছু কথা মুবারক শুনলাম যা এর পূর্বে কখনো শুনিনি। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (আমি যখন প্রথম সিঁড়ি মুবারক-এ নূরুদ দারাজাত মুবারক বা পা মুবারক রাখলাম তখন) হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি এসে আমাকে বলেন, ‘ওই ব্যক্তি হালাক, জাহান্নামী; যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস পাওয়ার পরও নিজের গুনাহখতা ক্ষমা করাতে পারেনি। আমি বললাম- ‘আমীন’। (অতঃপর যখন আমি দ্বিতীয় সিঁড়ি মুবারক-এ পবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক বা পা মুবারক রাখলাম তখন) হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে বলেন, যার সম্মুখে আপনার নাম মুবারক উচ্চারণ করা হয় অথচ সে আপনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ ও পবিত্র সালাম শরীফ পাঠ করে না; সে ধ্বংস, জাহান্নামী। আমি বলি- ‘আমীন’। অর্থাৎ সে নিশ্চিত ধ্বংসপ্রাপ্ত ও জাহান্নামী। (অতঃপর যখন তৃতীয় সিঁড়ি মুবারক-এ পবিত্র নূরুদ দারাজাত মুবারক বা পা মুবারক রাখলাম তখন) হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম তিনি আমাকে বলেন, ‘ওই ব্যক্তি হালাক, জাহান্নামী; যে ব্যক্তি তার মাতা-পিতা দুইজনকে অথবা একজনকে বৃদ্ধ বা বৃদ্ধা অবস্থায় পাওয়ার পরও খিদমত দ্বারা তাদেরকে সন্তুষ্ট করে জান্নাত লাভ করতে পারলো না। আমি বলি- ‘আমীন’।”
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস পাওয়ার পরও যে ব্যক্তি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার হক্ব আদায় করে নিজের গুনাহখতা ক্ষমা করাতে পারেনি, সে হালাক। যদি সে এর থেকে খালিছ তওবা ইস্তিগফার না করে। আর একারণেই আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিনেও মহান আল্লাহ পাক উনার দরবারে কান্নাকাটি করেছেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার দিনে হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার নিকট গেলেন। গিয়ে দেখলেন, ঘরের দরজা বন্ধ করে তিনি কাঁদছেন। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি আরজ করলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন আলাইহিস সালাম! আপনি কাঁদছেন অথচ লোকেরা ঈদের আনন্দে মুখর। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, আনন্দে মুখর ব্যক্তিরা যদি বুঝতো- তারা কি নিয়ে আনন্দ মুখর বা খুশি প্রকাশ করতেছে। অতঃপর পুনরায় তিনি কাঁদতে কাঁদতে বললেন, তারা যদি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মক্ববূল হয়ে থাকে, তবে তারা আনন্দ করুক। আর যদি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মক্ববূল না হয়ে থাকে, তবে তারা কাঁদুক। কিন্তু আমি জানি না, আমার আমলসমূহ কবুল হয়েছে অথবা হয়নি (তাই আমি কাঁদছি)।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো- পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার মাধ্যমে অর্জিত তাক্বওয়া পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পরবর্তী মাসগুলোতেও বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার পরবর্তী মাসগুলোতেও সর্বপ্রকার অশ্লীল ও মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার বিরোধী তথা হারাম কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং বেশি বেশি তওবা-ইস্তেগফার করতে হবে। তবেই হাক্বীক্বী কামিয়াবি অর্জন করা ও নাজাত লাভ করা সম্ভব হবে।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশ বাংলাদেশে একের পর এক পবিত্র কুরবানী বিরোধী ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাস্তবায়ন করার অপচেষ্টা করা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! গোটা মুসলিম বিশ্বের মুসলমানদেরকে এখন থেকেই এজন্য যথাযথ প্রতিবাদী হতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে পবিত্র কুরবানীর মতো মৌলিক ও পবিত্র দ্বীন ইসলামী কাজ মুসলমানরা পালন করতে পারছে না। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরবানী বিরোধী সকল ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত এখনই নস্যাৎ করে দিতে হবে।
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও বরকতময় ২৪শে যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! ১৩ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ, মুজাহিদে মিল্লাত, শহীদে বালাকোট, আমীরুল মু’মিনীন, মুহম্মদিয়া তরীক্বার সম্মানিত ইমাম, হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এ উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করে এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করে উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক হতে ইবরত-নছীহত মুবারক হাছিল করে তা আমলে বাস্তবায়ন করা।
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
বাংলাদেশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে যিলক্বদ শরীফ ১৪৪৭ হিজরী মুতাবিক ১৮ই ছানী আশার ১৩৯৩ শামসী, ১৮ই মে ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) দিবাগত সন্ধ্যায়। বিশ্বের সকল মুসলমানদের জন্য ফরয হচ্ছে- সউদী ওহাবী ইহুদী মুনাফিক সরকারের মনগড়াভাবে ও খালি চোখে চাঁদ না দেখে আরবী মাস শুরু করা, পবিত্র স্থানসমূহে অসংখ্য সিসিটিভি স্থাপন করা, ছবি তুলে পবিত্র হজ্জ করতে বাধ্য করা, খাছ পর্দার পরিবেশ নিশ্চিত না করা ইত্যাদি বিষয়ে তীব্র প্রতিবাদ করা।
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে সাদিকের সময় মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- কুরবানী বিদ্বেষী মহলের সব ধরণের মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডা বন্ধ করে দিয়ে কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা বৃদ্ধি করে শহরের প্রত্যেক এলাকায় কুরবানীর পশুর হাটের ব্যবস্থা করে দেয়া। পবিত্র কুরবানী আসলেই একটি মহল যানজট সৃষ্টি ও পরিবেশ নষ্টের মিথ্যা অজুহাত দিয়ে পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট কমাতে চায় ও শহরের বাইরে নিতে চায়। নাউযুবিল্লাহ!
১০ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা দেয়া। আর রাজধানীর দুই শহরে কমপক্ষে ২০০টি হাটসহ সারাদেশের প্রত্যেক গ্রামে ও মহল্লায় পশুর হাটের ব্যবস্থা করা। পাশাপাশি পবিত্র কুরবানী বিরোধী সমস্ত সিদ্ধান্ত ও ষড়যন্ত্র বাতিল ঘোষণা করা।
০৯ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
মহাসম্মানিত মক্কা শরীফ ও মহাসম্মানিত মদীনা শরীফ পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদাসম্পন্ন বরকতময় স্থান। সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র মক্কা শরীফ ও মহাপবিত্র মদীনা শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম বা সম্মান করা হাজী ছাহেবসহ সকলের জন্যই ফরয। অতএব, সকলকেই সর্বদা, সর্বক্ষেত্রে পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের ইজ্জত, সম্মান, হুরমত মুবারক বজায় রাখতে হবে। নচেৎ ঈমানহারা হওয়া ব্যতীত কোনো গতি থাকবে না।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসীলাতেই কাফির-মুশরিকসহ সকলেই রিযিকপ্রাপ্ত হয়ে থাকে। কিন্তু মুসলমানরা এ বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারে না। অতএব, প্রত্যেক মুসলমানের দায়িত্ব-কর্তব্য হলো- নিজেদের ব্যাপারে হীনম্মন্যতা দূর করা এবং কোন বিষয়েই কাফির-মুশরিকদের দিকে রুজু না হয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলামে দায়িম-কায়িম থাকা।
০৭ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক মুসলমানদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করার সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো- পবিত্র হজ্জ, পবিত্র উমরাহ ও পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত উনাদের জন্য ছবি তুলতে বাধ্য করা এবং পবিত্র হারামাইন শরীফাইন উনাদের মধ্যে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা। নাঊযুবিল্লাহ! সউদী ওহাবী ইহুদী সরকারকে বারবার সতর্ক করার পরও তারা ছবি ও সিসি ক্যামেরা বন্ধ করছে না। নাউযুবিল্লাহ!
০৬ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৬ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ আ’শার আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নিসবতে আযীমাহ মুবারক দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
পবিত্র ছলাত বা নামায সম্মানিত শরীয়ত উনার একটি বুনিয়াদী ফরয ইবাদত। সম্মানিত শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায যথা সময়ে আদায় করা। অর্থাৎ কোনো ক্রমেই পবিত্র ছলাত বা নামায তরক না করা।
০৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
আজ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১২ই যিলক্বদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি মহাসম্মানিত ১২ই শরীফ তাশরীফ মুবারক আনার কারণে এ মহাসম্মানিত তারিখকে সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ বলা হয়। সুবহানাল্লাহ! পাশাপাশি এদিন কুতুবুল আলম, তাজুল মুফাসসিরীন, রঈসুল মুহাদ্দিছীন, ফখরুল ফুক্বাহা, ঢাকা যাত্রাবাড়ি শরীফ উনার মহাসম্মানিত শাইখুল মাশায়েখ, সুলত্বানুল আরেফীন হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
০২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার)












