চাঁদ এবং ইসলামী মাস নির্ধারণে সউদী ওহাবী ইহুদীদের ষড়যন্ত্র চক্রান্ত (১২) অমাবস্যার দিন চাঁদ দেখার দাবী করে আরবী মাসের তারিখ ঘোষণা
, ২৭ রজবুল হারাম শরীফ, ১৪৪৫ হিজরী সন, ১১ তাসি’, ১৩৯১ শামসী সন , ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রি:, ২৫ মাঘ, ১৪৩০ ফসলী সন, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) পবিত্র দ্বীন শিক্ষা
১৪০০ হিজরী থেকে ১৪২৫ হিজরী এই ২৬ বছরে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস, পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস, পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস এই তিন মাস যেদিন সউদী আরবে শুরু হয়েছে তা পর্যবেক্ষণ করে নিচের তথ্য পাওয়া গেছে।
মাস চাঁদ দেখা একেবারেই অসম্ভব ছিল সম্ভব ছিল না সম্ভব ছিল
পরিমাণ % পরিমাণ % পরিমাণ %
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস: (মোট ২৬টি প্রতিবেদন) ১২ বার ৪৬% ৯ বার ৩৫% ৫ বার ১৯%
পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস:
(মোট ২২টি প্রতিবেদন) ১১ বার ৫০% ৬ বার ২৭% ৫ বার ২৩%
পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস: (মোট ২৬টি প্রতিবেদন) ৮ বার ৩১% ১২ বার ৪৬% ৬ বার ২৩%
এখানে ‘একেবারেই অসম্ভব’ বলতে সূর্যাস্তের পূর্বেই চাঁদ অস্ত গিয়েছিল। ‘সম্ভব ছিলো না’ বলতে সূর্যাস্তের পর চাঁদ অস্ত গিয়েছিল। আর ‘সম্ভব ছিলো’ বলতে কখনো খালি চোখে কখনো যন্ত্রের সাহায্যে দেখার সম্ভাবনা ছিল।
এখানে কতগুলো বিষয় গুরুত্বপূর্ণ এই যে, সূর্যাস্তের পর চাঁদ অস্ত গেলেই চাঁদ দৃশ্যমান হয় না। আবার যন্ত্রের সাহায্যে চাঁদ দেখতে পেলেও তা আরবী মাস গণনা শুরু করার জন্য প্রযোজ্য নয়।
উদাহরণ হিসেবে আরো বলা যেতে পারে, ১৪২৮ হিজরী সনে সউদী আরবের আকাশে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ বাস্তবে দেখা গিয়েছিলো বাংলাদেশের সন্ধ্যার তিন ঘণ্টা পর ১১ই ডিসেম্বর ইয়াওমুছ ছুলাছা বা মঙ্গলবার। কিন্তু সউদী সরকার মনগড়াভাবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখার দাবী করেছিলো ৯ই ডিসেম্বর অমাবস্যার দিন। এরকম অনেক প্রমাণ রয়েছে।
প্রেক্ষিত কারণেই বলতে হয়, অমাবস্যা হচ্ছে সেই দিন যেদিন চাঁদ কখনোই দৃশ্যমান হয় না। ফলে সেদিন চাঁদ দেখার দাবী করার মতো এতো স্পষ্ট মিথ্যা সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কিভাবে করতে পারে এটাই বিশ্ববাসীর প্রশ্ন।
সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার কর্তৃক নাসী করা বা তারিখ আগ-পিছ করা:
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে নাসী করা বা মাস আগে-পিছে করা কঠিন হারাম কাজ ও সুস্পষ্ট কুফরী, বরং এ গর্হিত কাজটি কুফরীকে আরো বৃদ্ধি করে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের নির্দেশ মুবারক উপেক্ষা করে সউদী ওহাবী সরকার প্রতি বছরই প্রত্যেক মাসে নাসী করে যাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ!
সউদী আরবে ১৪২৯ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস শুরু হয়েছিলো ১০ জানুয়ারী থেকে। ১০ই জানুয়ারী থেকে পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস গণনা শুরু করার পর যখন প্রমাণিত হয় যে, পূর্বের মাসটি অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি ৩১ দিনে পূর্ণ হয়েছিলো তখন পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চতুর্থ দিনে সউদী আরবের সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের তৎকালীন প্রধান শায়েখ সালেহ আল হাইদান ঘোষণা দেয় যে, ৯ই জানুয়ারী ছিল পবিত্র মুহররমুল হারাম মাস উনার প্রথম তারিখ। নাঊযুবিল্লাহ!
চিত্র-৭: সউদী আরবের ১৪২৯ হিজরী সনের প্রেস রিলিজ (চলবে)
-এবিএম রুহুল হাসান।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মহাসম্মানিত সুন্নত তরীক্বায় দোয়ার খাযীনাহ (১০)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ছবি তোলা হারাম, যা জাহান্নামী হওয়ার কারণ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত আশূরা শরীফ উনাকে যারা সম্মান করবে তাদের জন্য-
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত শরীয়ত উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী (১)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পৃথিবীকে পরিবর্তন করার চেয়ে নিজেকে পরিবর্তন করা সহজ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পর্দা রক্ষা করা ফরজ, বেপর্দা হওয়া ব্যভিচারের সমতুল্য
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
৩টি বিষয় কেবল তিনটি অবস্থায়ই জানা যায়।
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সম্মানিত মীলাদ শরীফ পাঠে অনন্য তাজদীদ মুবারক (৪)
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক- ছবি তোলা হারাম
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র ওয়াজ শরীফ
২৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার)












