আপনাদের মতামত
গান-বাজনার ক্ষতি হতে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করা জরুরী
, ১৫ যিলহজ্জ শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১২ আউওয়াল, ১৩৯৩ শামসী সন , ১১ জুন, ২০২৫ খ্রি:, ২৯ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩২ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) আপনাদের মতামত
বর্তমানে সমাজ পরিবারকে প্রচলিত গান বাজনা এমন এক কঠিন ব্যাধী হিসেবে আক্রান্ত করেছে যে, এর থেকে মুক্ত কে বা কারা তা নির্ণয় করা মুশকিল হয়ে পড়েছে। কেউ গান করছে, কেউবা গান শুনছে, কেউবা গানের শো আয়োজন করছে, আবার কেউ গানের ব্যবসা করছে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! অর্থাৎ গান শুনাটা বর্তমান সমাজে অন্যতম একটি বিনোদনের তথাকথিত মাধ্যম হয়েছে। অথচ গান বাজনা সম্পর্কে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কঠোর হুশিয়ার বানী এসেছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-’ আমি গান বাদ্য ও মূর্তি ছবি ধ্বংস করার জন্য প্রেরীত হয়েছি। ’ সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ যিনি রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার তাশরীফি শান মুবারক প্রকাশ করেছেন যে কারনে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, গান বাজনার মূলোৎপাটন করা।
অথচ, আজ কিনা নিজেকে মুসলমান দাবি করে, মুসল্লী দাবি করে, মুসলিম পরিবার মুসলিম সমাজ দাবী করে সেখানে গান বাজনার বীজ বপন করা হচ্ছে। গান বাজনা ক্রয় বিক্রয় করা হচ্ছে। গান বাজনা করা হচ্ছে, শুনা হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এমতাবস্থায় মরার পর কি পরিণতি হতে পারে? কিভাবে সুপারিশ মুবারক উনার আশা করা যেতে পারে? এ কারনেই হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং হযরত সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম গান বাজনার ইহ পরকালীন ক্ষতিকর দিকগুলো বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। উনারা গান-বাজনাকে বহু বহু গুনাহ তথা পাপের সমষ্টি বলে বর্ননা করেছেন। যেমন-
১. নিফাক এর উৎসধারা
২. বাভিচারের কুমন্ত্রণা জাগ্রতকারী
৩. সুস্থ মস্তিষ্ক বিকৃতিকারী
৪. পবিত্র কুরআন শরীফ তিলয়াতে অনীহা সৃষ্টিকারী
৫. আখিরাতের চিন্তা নির্মূলকারী
৬. গুনাহের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টিকারী
৭. পবিত্র জিহাদী চেতনা বিনষ্টকারী। নাউযুবিল্লাহ!
বুঝা গেলো গান বাজনার মাধ্যমে মুসলমান উনাদের ঈমান আমল যেমন বিনষ্ট হয় তদ্রুপ সামাজিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়ে ফেতনা ফাসাদের জন্ম হয়। আর এমন ফেতনা ফাসাদগ্রস্ত সমাজ পরিবার থেকে ইহ-পরকালীন কল্যাণ বয়ে আনা কখনোই সম্ভব নয়।
-শাহ আজমী আবদুল্লাহ।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
শিক্ষানীতির পরিবর্তন ছাড়া মুসলমানদের অধিকার কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না
২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
হে উন্মাদের দলেরা! খেলাচ্ছ্বলে তোমরা কাদেরকে সমর্থন দিচ্ছো ও মহব্বত করছো দেখে নাও; তোমাদের হাশর নশর কাদের সাথে হতে যাচ্ছে তাও বুঝে নাও!
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাংলাদেশ সরকারের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২৪’- এ গরু-ছাগল-মহিষের গোশত আমদানি নিষিদ্ধ। প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের সচিব জানে না, অধিদপ্তরের ট্রেড পরিচালক জানে না- অথচ ভারত সরকারী-বেসরকারীভাবে জানে- ভারতের পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়-
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
মুনশী মুহম্মদ মেহেরুল্লাহ সাহেব উনার ঈমানী লড়াই এবং আজকের প্রেক্ষাপট
২৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ পদাতিক বাহিনীর জন্য ৩য় প্রজন্মের এটিজিএম রোডম্যাপ (পর্ব ৮)
২৫ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
১০০০ নতুন সেনাক্যাম্প স্থাপনের কৌশলগত অপরিহার্যতা (২)
২১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছির আলাইহিস সালাম উনার নির্দেশনা মুবারক পালনেই সফলতা। ঢাকামুখী জনস্রোত বন্ধ এবং ঢাকা শহরের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত অন্য কোন পদ্ধতিতে কখনোই যানজট নিরসনের স্থায়ী সমাধান হবে না (১২)
২০ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (২)
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
একবিংশ শতাব্দীর কৌশলগত প্রতিরক্ষা রূপরেখা (১)
১৭ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
জান্নাতের টিকিট বিক্রিকারী জামাতীরা কী মনে করে? বেহেশতে- যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবেই দুনিয়াতেই হারাম মদের সাথে সম্পৃক্ত থাকা উচিত! নাউযুবিল্লাহ। বিএনপির ভাষায় জামাত মুনাফেক। জাহান্নামের নি¤œস্তরের বাসিন্দা মুনাফিকরা- ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বিক্রি করে তারা যে সত্যিই বড় মুনাফেক, তাই প্রমাণ করছে। মাতালদের পক্ষেই সম্ভব ভোটের বিনিময়ে জান্নাতের টিকিট বেচা।
১৬ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে কী পাচ্ছি আমরা? - আকসা ও জিসোমিয়া চুক্তি প্রত্যাখ্যান করুন
১৩ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশীদের ইজারা দিলে বাংলাদেশ যে সমস্ত গুরুতর হুমকিতে পড়বে
১১ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












