বিবিএস জরিপ:
খাদ্যপণ্য কিনতেই চলে যায় আয়ের ৪৫.৮ শতাংশ
, ২১ রমাদ্বান শরীফ, ১৪৪৪ হিজরী সন, ১৩ হাদি ‘আশির, ১৩৯০ শামসী সন , ১৩ এপ্রিল, ২০২৩ খ্রি:, ৩০ চৈত্র, ১৪২৯ ফসলী সন, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) তাজা খবর
দেশে বর্তমানে (২০২২) একটি পরিবারের মাসে গড় খরচ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা, ২০১৬ সালে যা ছিল ১৫ হাজার ৭১৫ টাকা। ফলে ৬ বছরের ব্যবধানে খরচ বেড়েছে দ্বিগুণ।
একটি পরিবারে যে আয় হয়, তার প্রায় অর্ধেকই চলে যায় খাদ্যপণ্য কিনতে। অর্থাৎ খাদ্যপণ্য কেনায় একটি পরিবারে ব্যয় হয় ৪৫.৮ শতাংশ। তবে এই ব্যয় খাদ্যদ্রব্য বহির্ভূত ভোগ্যপণ্য সম্পর্কিত ব্যয়ের থেকে কম। অর্থাৎ খাদ্যদ্রব্য বহির্ভূত ভোগ্যপণ্যের পেছনে খরচ বেড়েছে।
এ তথ্য প্রকাশ করেছে দারিদ্র্যের হার নির্ধারণে কাজ করা সরকারি সংস্থা বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) বিবিএস মিলনায়তনে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
হাউজহোল্ড ইনকাম এক্সপেন্ডিচার সার্ভের (হেইজ) তথ্য-উপাত্ত থেকে জানা যায়, খানায় খাদ্যদ্রব্য ও খাদ্যদ্রব্য বহির্ভূত ব্যয়ে লক্ষণীয় পরিবর্তন হয়েছে। খানার খাদ্যপণ্য ক্রয় সংক্রান্ত ব্যয়ের তুলনায় খাদ্যদ্রব্য বহির্ভূত ভোগ্যপণ্য সম্পর্কিত ব্যয় বেড়েছে।
হেইজের তথ্য-উপাত্তের ধারা বিশ্লেষণে দেখা যায়, খানার খাদ্যপণ্য কেনা সংক্রান্ত ব্যয় ৪৫.৮ শতাংশ এবং খাদ্যদ্রব্য বহির্ভূত ভোগ্যপণ্য সম্পর্কিত ব্যয় ৫৪.২ শতাংশ। ২০১৬ সালে যা ছিল যথাক্রমে খাদ্যপণ্যে ৪৭.৭ শতাংশ ও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে ৫২.৩ শতাংশ।
সারাদেশের ৭২০টি নমুনা এলাকায় এ জরিপ পরিচালিত হয়। প্রতিটি নমুনা এলাকা থেকে দৈবচয়নের ভিত্তিতে ২০টি করে মোট ১৪ হাজার ৪০০ খানা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জরিপের প্রশ্নপত্রে মোট ১০টি সেকশন রয়েছে। এ ১০টি সেকশনের তথ্য সংগ্রহের জন্য একজন তথ্য সংগ্রহকারী প্রতিটি খানায় ১০ বার ভিজিট করেন।
হেইজ ২০২২ জরিপে ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ সময়ে অর্থাৎ এক বছর ধরে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। ২০১০ সালে প্রতি পরিবারের খরচ ছিল মাত্র ১১ হাজার ২০০ টাকা।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
ব্যাংক খাতে গত বছর ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা লোকসান
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে ইরান
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
এই ছোট ছোট মর্টার শেল দিয়েই দখলদারদের টুকরো টুকরো করে দিয়েছেন যোদ্ধারা
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
পানির পর এবার পয়োনিষ্কাশন লাইন, কাটতে হবে ঢাকার ৫০০ কি.মি. রাস্তা
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সামরিক জীবনে দ্বীনি অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম -সেনাপ্রধান
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সংসদে সভাপতিকে ‘ঝুঁকিয়া’ সম্মান জানানোর বাধ্যবাধকতা নেই -স্পিকার
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’ বলা জামাতের সেই এমপির বাবা এখনো বেঁচে আছে
১৯ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
বিআরটি হবে উন্নত ট্রান্সপোর্ট করিডোর
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সড়কে আলু ছিটিয়ে অবরোধ চাষিদের
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
ঢামেকে রোগীর চাপ, সুযোগ নিচ্ছে দালাল সিন্ডিকেট, টার্গেট রোগী ভাগানো
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
পরিচ্ছন্নতাকর্মী দিয়ে চলছে ল্যাবের টেস্ট!
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
১৮ জুন, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার)












