সম্মানিত হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে, ‘তোমরা সম্মানিত মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনাকে এবং উনার মধ্যস্থিত বরকতময় আশূরা শরীফ উনাকে সম্মান করো।’
আজ দিবাগত রাতটিই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আশূরা শরীফ উনার বরকতময় রাত। সুবহানাল্লাহ! মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখা, গোসল করা, চোখে সুরমা দেয়া, উত্তম খাবার গ্রহণ করা, ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো অর্থাৎ সহযোগিতা করা এবং রোযাদারকে ইফতার করানো বেহিসাব ছওয়াব লাভ এবং ইহকাল-পরকালে নিয়ামত ও নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ!
তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হলো- মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার সম্মানার্থে আক্বীদা বিশুদ্ধ করে ও সংশ্লিষ্ট আমলগুলো মহাসম্মানিত সুন্নত মুতাবিক যথাযথভাবে আদায় করে খাছ সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের কোশেশ করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ পালনের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে নূন্যতম তিনদিন বাধ্যতামূলক ছুটি এবং পর্যাপ্ত বাজেট ও বরাদ্দ ঘোষণা করা।
, ০৯ মুহররমুল হারাম শরীফ, ১৪৪৬ হিজরী সন, ১৮ ছানী, ১৩৯২ শামসী সন , ১৬ জুলাই, ২০২৪ খ্রি:, ০১ শ্রাবণ, ১৪৩১ ফসলী সন, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) মহাপবিত্র ক্বওল শরীফ-১
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাসের উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ ‘পবিত্র আশূরা’ শরীফ উনার দিনটি। সৃষ্টির সূচনা হয় এ দিনে এবং সৃষ্টির সমাপ্তিও ঘটবে এ দিনে। বিশেষ বিশেষ সৃষ্টি এ দিনেই করা হয় এবং বিশেষ বিশেষ ঘটনাও এ দিনেই সংঘটিত হয়। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে শুরু করে প্রায় সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের কোন না কোন উল্লেখযোগ্য ঘটনা এ দিনে সংঘটিত হয়েছে। সঙ্গতকারণে এ দিনটি এক মহান আনুষ্ঠানিকতার দিন, যা রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত, নিয়ামত মুবারক হাছিল করার দিন। ফলে এ দিনে বেশ কিছু আমল করার ব্যাপারে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উৎসাহিত করা হয়েছে।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্রতম আশূরা শরীফ উনার আমল মুবারক সংশ্লিষ্ট পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ উল্লেখ করে বলেন, যে ব্যক্তি আশূরা শরীফ উনার দিন তার পরিবারবর্গকে ভালো খাওয়াবে-পরাবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি সারা বৎসর ওই ব্যক্তিকে স্বচ্ছলতা দান করবেন।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহাসম্মানিত আশূরা শরীফে পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করলে এক বছরের জন্য স্বচ্ছলতা লাভ করা যাবে। সুবহানাল্লাহ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ফরয রোযার পর উত্তম রোযা হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার মাস মুহররমুল হারাম শরীফ উনার রোযা।” সুবহানাল্লাহ! আরও বর্ণিত রয়েছে, “সম্মানিত আশূরা শরীফ উনার রোযা পালনে মহান আল্লাহ পাক তিনি বিগত বছরের গুনাহখতা ক্ষমা করে দিবেন।” সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, রোযা রাখার তারতীব সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা ৯ ও ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ রোযা রেখে ইহুদীদের খিলাফ অর্থাৎ বিপরীত আমল করো।” অর্থাৎ আশূরা শরীফ উপলক্ষে দুটি রোযা রাখা সুন্নত। মুহররমুল হারাম শরীফ উনার ৯ ও ১০ তারিখে অথবা ১০ ও ১১ তারিখে। তবে উত্তম হলো ৯ ও ১০ তারিখে রোযা রাখা। শুধু পবিত্র ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ আশূরার উদ্দেশ্যে ১টি রোযা রাখা মাকরূহ। কারণ ইহুদীরা সেদিনটিতে রোযা রেখে থাকে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার দিন যে ব্যক্তি কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে, সে যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকে ইফতার করালো।” সুবহানাল্লাহ! আরো বর্ণিত রয়েছে, “মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার দিন কোন মুসলমান যদি কোন ইয়াতীমের মাথায় হাত স্পর্শ করে, কোন ক্ষুধার্তকে খাদ্য খাওয়ায় এবং কোন পিপাসার্তকে পানি পান করায় তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে জান্নাত উনার দস্তরখানায় খাদ্য খাওয়াবেন এবং ‘সালসাবীল’ ঝর্ণা থেকে পানীয় (শরবত) পান করাবেন।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ, মহাসম্মানিত আশূরা শরীফে ইয়াতীম-মিসকীনদের সাহায্য-সহযোগিতা করলে নিশ্চিতভাবে জান্নাত লাভ করা যাবে। সুবহানাল্লাহ!
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, আরও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার দিন গোসল করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাকে রোগ থেকে মুক্তি দান করবেন। মৃত্যু ব্যতীত তার কোন কঠিন রোগ হবে না এবং সে অলসতা ও দুঃখ-কষ্ট হতে নিরাপদ থাকবে।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহাসম্মানিত আশূরা শরীফে গোসল করলে নিশ্চিতভাবে এক বছরের জন্য শারীরিক সুস্থতা লাভ করা যাবে। সুবহানাল্লাহ। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরও বর্ণিত রয়েছে, “যে ব্যক্তি মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার দিন মিশক মিশ্রিত সুরমা চোখে দিবে, সেদিন হতে পরবর্তী এক বৎসর তার চোখে কোন প্রকার রোগ হবে না।” সুবহানাল্লাহ! অর্থাৎ মহাসম্মানিত আশূরা শরীফে চোখে ইসমিদ সুরমা ব্যবহার করলে নিশ্চিতভাবে এক বছরের জন্য চোখের সুস্থতা লাভ করা যাবে। সুবহানাল্লাহ।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যারা মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার দিন রোযা রাখবে, তারা পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রাত্রিতে ভালো খাবে। মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার হিসেবে রাত্রি আগে আসে আর দিন পরে আসে। সে হিসেবে এবছর আজ দিবাগত রাতটি হচ্ছেন মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার রাত্রি। আর আগামীকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) দিনটিই হচ্ছেন মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার দিন।
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মূলকথা হলো, মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উপলক্ষে রোযা রাখা, গোসল করা, চোখে সুরমা দেয়া, উত্তম খাবার গ্রহণ করা, ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলানো এবং রোযাদারকে ইফতার করানো বেহিসাব ছওয়াব লাভ এবং ইহকালে-পরকালে নিয়ামত ও নাজাত লাভের কারণ। সুবহানাল্লাহ! তাই, প্রত্যেক মুসলমানের জন্য দায়িত্ব কর্তব্য হলো- মহাসম্মানিত আশূরা শরীফ উনার সম্মানার্থে আক্বীদা বিশুদ্ধ করে ও সংশ্লিষ্ট আমলগুলো সম্মানিত সুন্নত মুতাবিক যথাযথভাবে আদায় করে খাছ রেযামন্দি বা সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের কোশেশ করা। আর সরকারের জন্যও দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- পবিত্র আশূরা শরীফ পালনের সার্বিক আনজাম দেয়ার সাথে সাথে নূন্যতম তিনদিন সরকারি বাধ্যতামূলক ছুটি এবং পর্যাপ্ত বাজেট ও বরাদ্দ ঘোষণা করা।
-০-
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
আজ সুমহান ও বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৫শে মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আল আশিরাহ্ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র নিসবতে আযীমাহ শরীফ দিবস। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ!
১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
বাংলাদেশে ১৪৪৮ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে- আগামী ২৯শে মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪৮ হিজরী সন, ১৬ই ছানী ১৩৯৪ শামসী সন, ১৫ই জুলাই ২০২৬ খৃঃ. ইয়াওমুল আরবিয়া বা (বুধবার) দিবাগত সন্ধ্যায়।
১০ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- পবিত্র সুন্নতী পোশাক পরিধান করা ও বিধর্মীদের পোশাক থেকে বেঁচে থাকা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরয। পুরুষদের জন্য গুটলীযুক্ত, গোল, কোণাবন্ধ ও নিসফুস সাক্ব ক্বমীছ, ইযার বা লুঙ্গি, ইমামাহ বা পাগড়ী, টুপি, রুমাল পবিত্র সুন্নতী পোশাক।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ ঐতিহাসিক মহাসম্মানিত ২২শে মুহররমুল হারাম শরীফ যে দিবসটি ইয়াওমুল ফীল বা হস্তিবাহিনী ধ্বংসের দিবস। সুবহানাল্লাহ! যা মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মু’জিযাহ শরীফ ও সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আখাছ্ছুল খাছ বদদোয়া উনার খাছ প্রতিফলন। সুবহানাল্লাহ!
০৮ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান এবং উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। যারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করবে উনারা কামিয়াব। আর যারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে তারা কাফির ও লা’নতগ্রস্ত।
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
সম্মানিত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের মুহব্বত মুবারক ঈমান এবং উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী। যারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে মুহব্বত করবে উনারা কামিয়াব। আর যারা হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে তারা কাফির ও লা’নতগ্রস্ত।
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
মহাসম্মানিত হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) ছুবহে ছাদিকের সময় বরকতময় তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেছেন। তাই, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘বার’। আর ছুবহে ছাদিক হলেন সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আওক্বাত শরীফ বা কায়িনাত মাঝে সর্বশ্রেষ্ঠ ‘সময়’।
০৬ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের জীবনী মুবারকসহ ছহীহ আক্বীদা ও ছহীহ দ্বীনী শিক্ষা প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠ্যসূচীতে আবশ্যিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা।
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আহাদ (রোববার) -
সর্বপ্রকার খেলাধুলাই হচ্ছে বিজাতীয় ও বিধর্মীদের তর্জ-তরীক্বা; যা তাদের দ্বারাই প্রবর্তিত। তাই কোনো মুসলমান খেলাধুলা করতে পারে না। খেলা দেখতে পারে না। খেলার সমর্থনে কোনো আলোচনা করতে পারে না। আর পবিত্র ঈমান উনার আলোকে বরদাশতও করতে পারে না।
০৪ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ সাবত (শনিবার) -
প্রত্যেক মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ তথা সার্বিকভাবে সর্বপ্রকার বিদ্বেষভাব এবং সর্বপ্রকার চু-চেরা হতে বিরত থাকা। পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে তিরস্কার করা, উনাদের সমালোচনা করা, গালমন্দ করা হারাম, কুফরী এবং কঠিন লা’নতের কারণ।
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আজ বরকতময় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১৬ই মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! যথাযথ তা’যীম-তাকরীমের সাথে বরকতময় এ দিবস মুবারক উদযাপন করা ও উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করে ইবরত-নছীহত মুবারক হাছিল করা সকলের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য।
০২ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত উনাদের ফতওয়া অনুযায়ী- আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি একজন জলীলুল ক্বদর, কাতিবে ওহী ও গুপ্তভেদ জাননেওয়ালা সম্মানিত ছাহাবী এবং ন্যায়পরায়ণ খলীফা ছিলেন। সুবহানাল্লাহ! কাট্টা কাফির মালউন ইয়াযীদের কুফরী কর্মকাণ্ডের জন্য বিশিষ্ট ছাহাবী, আমীরুল মু’মিনীন হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে দোষারোপ করা বা উনার সমালোচনা করা সম্পূর্ণরূপে কুফরী।
০১ জুলাই, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)












