ইযহারু হাক্বীক্বতিল কুদ্রত আউওয়ালা র্মারাতিন ফী তারীখি খ্বালক্বিল্লাহ্ ‘আলা লিসানি সাইয়্যিদিনা সুলত্বানিন নাছীর মামদূহ্ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ্ আলাইহিস সালাম
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৩
, ২২ যিলক্বদ শরীফ, ১৪৪৭ হিজরী সন, ১১ ছানী আশার, ১৩৯৩ শামসী সন , ১১ মে, ২০২৬ খ্রি:, ২৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ ফসলী সন, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
হযরত রূহুল আমীন বশীরহাটী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার কিতাবে লিখেছেন, হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার তারীখে ছগীরের ১৭২ নং পৃষ্ঠায় লিখেছেন,
حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ قَالَ حَدَّثَنَا الْفَزَارِىُّ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ حَضْرَتْ سُفْيَانَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَنُعِىَ حَضْرَتْ اَلنُّعْمَانُ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَقَالَ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ كَانَ يَنْقُضُ الْاِسْلَامَ عُرْوَةً مَا وُلِدَ فِى الْاِسْلَامِ اَشْاَمَ مِنْهُ
“(হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,) আমার নিকট নুআইম ইবনে হাম্মাদ বর্ণনা করেছে, সে বলেছে, ফাযারী আমার নিকট বর্ণনা করেছে, সে বলেছে, আমি হযরত সুফিয়ান ছাওরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট ছিলাম, এমতাবস্থায় তিনি হযরত আবূ হানীফাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছাল শরীফ বা ইন্তেকালের সংবাদ পেলেন। তখন তিনি বললেন, সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। (হযরত ইমাম আবূ হানীফাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি) তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে খ- খ- করে ভেঙ্গে ফেলেছেন। পবিত্র দ্বীন ইসলামে উনার থেকে অধিক অকল্যাণকর কেউ জন্ম গ্রহণ করেনি।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (তারীখে ছগীর ১৭২ নং পৃষ্ঠা, কামি‘উল মুবতাদিয়ীন ১১১-১১২ নং পৃষ্ঠা)
হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘আদ্ দ্বু‘আফাউছ ছগীরের ১৩২ পৃষ্ঠায়’ লিখেছেন,
حَدَّثَنَا صَاحِبٌ لَنَا عَنْ حَمْدَوَيْهِ قَالَ قُلْتُ لِمُحَمَّدِ بْنِ مَسَلَّمَةَ مَا لِرَاْىِ حَضْرَتْ اَلنُّعْمَانِ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ دَخَلَ الْبِلْدَانَ كُلَّهَا اِلَّا الْمَدِيْنَةَ قَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَدْخُلُهَا الدَّجَّالُ وَلَا الطَّاعُوْنُ وَهُوَ دَجَّالٌ مِّنَ الدَّجَّاجِلَةِ
“(হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,) আমাদের এক সঙ্গী আমাদেরকে বর্ণনা করেছেন, তিনি হামদাওয়াইহ থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন- ‘আমি হযরত মুহম্মদ ইবনে মাসলামা মাদানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞাসা করলাম- ‘হযরত নু’মান রহমতুল্লাহি আলাইহি (হযরত ইমাম আবূ হানীফাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি) উনার রায় বা মতামত তো সব দেশে প্রবেশ করেছে; কিন্তু পবিত্র মদীনা শরীফ-এ কেন প্রবেশ করেনি?’ তিনি বললেন, ‘কারণ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, ‘পবিত্র মদিনা শরীফে দাজ্জাল প্রবেশ করবে না এবং মহামারীও প্রবেশ করবে না। আর সে (হযরত আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি) দাজ্জালদের মধ্য থেকে এক দাজ্জাল।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (আদ্ দ্বু‘আফাউছ ছগীরের ১৩২ নং পৃষ্ঠা)
এরূপ আরো বর্ণনা রয়েছে।
এখন যিনি স্বীয় কিতাবে এই বর্ণনাগুলো লিপিবদ্ধ করেছেন আর যারা এগুলো বর্ণনা করেছে, এই সকল ছিক্বাহ্ রাবীদের ফয়ছালা কী? এখন যদি ছিক্বাহ্ রাবীকে মানা হয়, তাহলে কি মাযহাব থাকে? তাহলে এই সকল বর্ণনাগুলো কি গ্রহণ করা যাবে? তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের এবং মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিরুদ্ধে নানা এলোমেলো কথা যে সকল ছিক্বাহ্ রাবীরা বর্ণনা করেছে, তাদের বর্ণনাগুলো কি গ্রহণ করা যাবে? গ্রহণ করলে উম্মত থাকা যাবে?
-মুহাদ্দিছ মুহম্মদ আল আমীন।
এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
-
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৫ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল জুমুয়াহ (শুক্রবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে মানহানীকারীদের যুগে যুগে ভয়াবহ পরিণতি (৫১)
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৭
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৪ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল খমীছ (বৃহস্পতিবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৬
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে সম্মানিত সম্বোধন মুবারক করার বিষয়ে কতিপয় মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লফয বা পরিভাষা মুবারক
১৩ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৫
১২ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুছ ছুলাছা (মঙ্গলবার) -
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে সম্মানিত কুরবানী মুবারক দেয়া প্রত্যেক উম্মতের জন্য ফরযে আইন (১৫)
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
(সৃষ্টির ইতিহাসে এই প্রথম সাইয়্যিদুনা সুলত্বানুন নাছীর মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত নূরুস সালাম মুবারক-এ পবিত্র কুদরত মুবারক উনার হাক্বীক্বত মুবারক প্রকাশ)- ৩৪
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) -
মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ক্বওল শরীফ
১১ মে, ২০২৬ ১২:০০ এএম, ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার)












