বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (২)
যুক্তরাষ্ট্রের বাল্যবিবাহ নিয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড ২০২১ সালের ১৬ জুন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ টি রাজ্যের মধ্যে ৪৫টি রাজ্যে বাল্যবিবাহ বৈধ। ২০০০ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে তিন লক্ষাধিক বাল্যবিবাহ হয়েছে।
তৃতীয় বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতোই যুক্তরাষ্ট্রে বাল্যবিবাহ হয়। নেভাদা, ইদাহো, আরকানসাস, কেন্টাকি ও ওকঠবাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সমাজে ছেলে-মেয়েদের চরিত্র ও পবিত্র ঈমান রক্ষার্থে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নয় বরং বাল্যবিবাহের পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিত (১)
সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক যখন ৬ বছর তখন উনার সাথে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নিছবাতুল আযীম শরীফ (আক্বদ্ মুবারক) সুসম্পন্ন হয় এবং ৯ বছর বয়স মুবারকে তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম হুজরা শরীফে তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেঠবাকি অংশ পড়ুন...
আমরা মুসলমান। আমাদের সর্বক্ষেত্রে অনুসরণীয় হচ্ছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, মহাসম্মানি মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা ও হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা। কেননা, উনারাই হলেন সর্বোত্তম আদর্শ মুবারক। আহার করার ক্ষেত্রেও উনাদেরকেই অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ মহাসম্মানিত সুন্নতী তরীক্বাহ মুবারকেই আহার করতে হবে।
দস্তরখানায় খাবার পড়ে গেলে তা উঠিয়ে খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালà বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ
অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন মুবারক সম্পর্কে স্মরণ করিয়ে দিন, জানিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এই বিশেষ বিশেষ দিন মুবারকসমূহ উনাদের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও শুকুরগুজার বান্দা-বান্দী, উম্মত উনাদের জন্য সম্মানিত আয়াত অর্থাৎ নিদর্শন মুবারক, উপদেশ মুবারক, মুহব্বত-মা’রিফাত, নিসবত-কুরবত, রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক নিহিত রয়েছেন।” সুবহ বাকি অংশ পড়ুন...
খাবারের মধ্যে ফুঁক দেওয়া অনেক রোগ পয়দা হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন খাবার ঠান্ডা করতে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিতেন না। যদিও উনি মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দিলে সেই খাবার হতো সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামতপূর্ণ, বরকতময় ও সেই খাবার গ্রহণকারী পেতেন রুহানী ও জিসমানী শেফা। তথাপি তিনি উম্মতকে শিক্ষা দেয়ার জন্য কোন খাবারে মহাসম্মানিত ফুঁ মুবারক দেননি।
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত, সাইà§ বাকি অংশ পড়ুন...
মুয়ানাকা (معانَقَه) শব্দের অর্থ কোলাকুলি করা, বুকে বুক মিলানো। দীর্ঘদিন পর একে অন্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে পরস্পরে মুয়ানাকা বা কোলাকুলি করা মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক। কেউ সফর থেকে এলে দীর্ঘদিন পর দেখা-সাক্ষাৎ হওয়ায় হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা মুয়ানাকা বা কোলাকুলি করতেন।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ্ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত, হযরত যায়েদ ইবনে হারিছা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি যখন পবিত্র মদীনা শরীফে এলেন তখন নূরে ম বাকি অংশ পড়ুন...
একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের পর সালাম দেয়ার পর মুহব্বত প্রকাশের মাধ্যমটির নাম হল মুছাফাহা। দেখা হলে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। মুছাফাহ-এর মাধ্যমে উভয়ের মাঝে মুহব্বত বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে এটি মুসলমানদের পারস্পারিক হিংসা-বিদ্বেষ ও কলহ দূর করে দেয়। দুই হাতে মুছাফাহা করা খাছ সুন্নত মুবারক। আর এটি গুনাহ মাফ হওয়ার মাধ্যমও বটে।
হযরত ইবনে বাত্তাল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “সর্বস্তরের আলিম উনাদের মতে, মুছাফাহা একটি নেক কাজ। ইমাম নববী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, সাক্ষাতের সময় মুছাফাহা করঠবাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে -
عَنْ سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ اُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصَّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْكُلُ الْبِطِّيْخَ بِالرُّطَبِ فَيَقُوْلُ نَكْسِرُ حَرَّ هٰذَا بِبَرْدِ هٰذَا وَبَرْدَ هٰذَا بِحَرِّ هٰذَا.
অর্থ : “সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তাজা খেজুর দিয়ে তরমুজ খেতেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করতেন, এর ঠা-া ওটার গরম কমাবে, এবং এর ঠবাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال مَنْ تَمَسَّكَ بِسُنَّتِي عِنْدَ فَسَادِ أُمَّتِي فَلَهُ أَجْرُ مِائَةِ شَهِيدٍ .
অর্থ: “হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার উম্মতের ফিতনা-ফাসাদের সময় আমার একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক আঁকড়ে ধরে রাখবেন, তিনি একশত শহীদের ফযীলত মুবারক লাভ করবেন।” সুবহাà বাকি অংশ পড়ুন...
(পূর্ব প্রকাশিতের পর)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযার সঙ্গে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস উনার নফল রোযা আদায় হওয়া তো দূরের কথা, এমনকি পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার ক্বাযা রোযার সঙ্গে যদি মান্নতের রোযার নিয়ত করা হয়, সেক্ষেত্রেও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযাই আদায় হবে। মান্নতের রোযা আদায় হবে না।
যেমন, ‘ফতওয়ায়ে আলমগীরী’ কিতাবের ১ম খন্ডের ১৯৬ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে, “যদি কেউ একই রোযার মধ্যে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযা এবং মান্নতের রোযার নিয়ত করে তবে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ক্বাযা রোযা আদায় হবে।”
এমনিভাবে যদঠবাকি অংশ পড়ুন...












