গ) পরিষ্কারক হিসেবে রান্না ছাড়াও বিভিন্ন গৃহস্থালি কাজে কিংবা কোনো কিছু পরিষ্কার করতেও সিরকা ব্যবহার করা হয়।
১. রেফ্রিজারেটরকে সজীব রাখতে ফ্রিজের দেয়াল ও তাকে অর্ধেক পানি ও অর্ধেক সিরকা মিশিয়ে পরিষ্কার করলে ফ্রিজ পরিষ্কার ও তরতাজা থাকে।
ঘ) দুর্গন্ধ দূর করার কাজে:
১. ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া প্রতিহত করে।
২. দাঁত উজ্জ্বল ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে: এক চা চামচ সিরকায় ব্রাশ ডুবিয়ে তা দিয়ে ব্রাশ করলে দাঁত উজ্জ্বল হয় এবং দাঁতের দুর্গন্ধ দূর হয়।
৩. টুথব্রাশ জীবাণু মুক্তকরণ: আধাকাপ পানিতে ২ চামচ সিরকা মিশিয়ে আধা ঘন্টা বাকি অংশ পড়ুন...
সিরকার উপকারিতা :
ক) বিভিন্ন প্রকার রোগের চিকিৎসায় :
১. সিরকা খেলে দ্রুত দেহের ওজন কমে।
২. ব্রণ ও রোদে পোড়া ভাব দূর করে।
৩. ক্ষুধা কম লাগে।
৪. পেটের চর্বি কমায়।
৫. উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং হৃৎপি- সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৬. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী।
৭. হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়াসহ অস্ত্রের অন্যান্য রোগে উপকারী।
৮. ২ চা চামচ সিরকা ও ২ চা চামচ গোলাপ পানি নিয়ে ব্রণযুক্ত স্থানে লাগালে ব্রণ দূর হয়।
খ) বিভিন্ন রান্নায় :
৭. চর্বিযুক্ত খাবার রান্নার সময় কিছু সিরকা ব্যবহার করলে খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।
৯. রান বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ক্বমীছ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো- কোর্তা, জামা, ক্বমীছ ইত্যাদি। আর ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় ক্বমীছ বা কোর্তা হলো, যার গেরেবান আছে যা বন্ধ করার জন্য কাপড়ের গুটলী লাগানো হয় যা নিছফুস্ সাক্ব। অর্থাৎ হাটু ও পায়ের গিরার মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত বিলম্বিত। গোল যা কোনা ফাঁড়া নয়, যার আস্তিন আছে, যা অতি সহজেই মানুষের সতর ও ইজ্জত আবরু ঢাকে। ক্বমীছ বা কোর্তা অধিকাংশ সময় সাদা রংয়ের হওয়াই খাছ সুন্নত।
অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া সকল সুন্নত সমূহকে পুনরায় জিন্দা করে জারি করার মহান উদ্দেশ্যে রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা স বাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন ধরণের ফলের রস, দানা জাতীয় শস্য অথবা তরল থেকে প্রক্রিয়াজাত করে সিরকা তৈরী করা যায়। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সরাসরি এলকোহল/শরাব থেকে সিরকা তৈরী নিষেধ করা হয়েছে।
খেজুর থেকে তৈরী সিরকা সারা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে বহু প্রাচীন কাল থেকে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সিরকা ৫% এ্যাসিটিক এসিড আছে যা সামান্য টক স্বাদ যুক্ত হয়ে থাকে। রান্নায় স্বাদ-গন্ধ বাড়ানোর জন্য ইহা সালাদ, মাছ, সবজী ও আচার তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। এটি জীবাণু বিরোধী, ব্যাকটেরিয়া বিরোধী এবং ছত্রাক বিরোধী বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন।
সিরকা অল্পমাত্রায় এস বাকি অংশ পড়ুন...
১. আহলিয়ার স্বাভাবিক মাজূরতার (হায়েয অবস্থায়) সময় নির্জনবাস হারাম। তবে তার সাথে একত্রে ঘুমানো, খানা খাওয়া, তার খিদমত নেয়া ইত্যাদি সুন্নত মুবারকের অন্তর্ভুক্ত।
২. দৈনিক: নামাযের নিষিদ্ধ সময়গুলো অর্থাৎ সূর্য উদয় হওয়াকালীন ২৩ মিনিট সময়, অস্ত যাওয়াকালীন ২৩ মিনিট সময় এবং দুপুরে সূর্য মাথার উপর অবস্থান করাকালীন ১ ঘন্টা সময়।
৩. সাপ্তাহিক: সপ্তাহে দুইদিন। (ক) ইয়াওমুল আহাদ (রোববার দিন ও রোববার রাত) (খ) ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার দিন ও বুধবার রাত)
৪. মাসিক: প্রত্যেক আরবী মাসের ১লা তারিখ- রাত ও দিন। ১৫ তারিখ -রাত ও দিন এবং শেষ তারিখ (২৯, ৩০ তারিখ- রাত বাকি অংশ পড়ুন...
“আমি তোমাদের জন্য দু’টো জিনিস রেখে গেলাম, যতদিন পর্যন্ত তোমরা এই দু’টো জিনিসকে আঁকড়িয়ে থাকবে, তোমরা কখনো গোমরাহ হবেনা। একটি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব মুবারক এবং দ্বিতীয়টি আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব মুবারক এবং আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক যতদিন আঁকড়ায়ে থাকবে, ততদিন তোমরা গোমরাহ হবেনা। তোমরা হক্বের উপর কায়িম থাকবে।”
এ প্রসঙ্গে বলা হয়ে থাকে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং পূর্ববর্তী ইমাম, মুজতাহীদ উনারা কতটুকু পবিত্র সুন্নত উনার প্রতি মজবুত ছিলেন, দ বাকি অংশ পড়ুন...
সিরকা ইতিহাসের প্রাচীনতম খাবারসমূহের অন্যতম। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ سَعْدٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا قَالَتْ دَخَلَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلٰى سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ أُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَأَنَا عِنْدَهَا فَقَالَ هَلْ مِنْ غِذَاءٍ قَالَتْ عِنْدَنَا خُبْزٌ وَتَمْرٌ وَخَلٌّ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِعْمَ الْإِدَامُ الْخَلُّ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ فِي الْخَلِّ فَإِنَّهٗ كَانَ إِدَامُ الْأَنْبِيَاءِ قَبْلِيْ وَلَمْ يَفْتَقِرْ بَيْتٌ فِيْهٌ خَلٌّ.
অর্থ : “হযরত উম্মে সা'দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করলেন, তিনি মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলেন, আর যিনি আমাকে মুহব্বত করবেন, তিনি আমার সাথে সম্মানিত জান্নাতে অবস্থান করবে।” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ঘরে খেজুর নেই, সেই ঘরে যেন কোন খাবারই নেই।”
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে বাকি অংশ পড়ুন...












