১. আহলিয়ার স্বাভাবিক মাজূরতার (হায়েয অবস্থায়) সময় নির্জনবাস হারাম। তবে তার সাথে একত্রে ঘুমানো, খানা খাওয়া, তার খিদমত নেয়া ইত্যাদি সুন্নত মুবারকের অন্তর্ভুক্ত।
২. দৈনিক: নামাযের নিষিদ্ধ সময়গুলো অর্থাৎ সূর্য উদয় হওয়াকালীন ২৩ মিনিট সময়, অস্ত যাওয়াকালীন ২৩ মিনিট সময় এবং দুপুরে সূর্য মাথার উপর অবস্থান করাকালীন ১ ঘন্টা সময়।
৩. সাপ্তাহিক: সপ্তাহে দুইদিন। (ক) ইয়াওমুল আহাদ (রোববার দিন ও রোববার রাত) (খ) ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার দিন ও বুধবার রাত)
৪. মাসিক: প্রত্যেক আরবী মাসের ১লা তারিখ- রাত ও দিন। ১৫ তারিখ -রাত ও দিন এবং শেষ তারিখ (২৯, ৩০ তারিখ- রাত বাকি অংশ পড়ুন...
“আমি তোমাদের জন্য দু’টো জিনিস রেখে গেলাম, যতদিন পর্যন্ত তোমরা এই দু’টো জিনিসকে আঁকড়িয়ে থাকবে, তোমরা কখনো গোমরাহ হবেনা। একটি মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব মুবারক এবং দ্বিতীয়টি আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক। অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র কিতাব মুবারক এবং আমার পবিত্র সুন্নত মুবারক যতদিন আঁকড়ায়ে থাকবে, ততদিন তোমরা গোমরাহ হবেনা। তোমরা হক্বের উপর কায়িম থাকবে।”
এ প্রসঙ্গে বলা হয়ে থাকে যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা এবং পূর্ববর্তী ইমাম, মুজতাহীদ উনারা কতটুকু পবিত্র সুন্নত উনার প্রতি মজবুত ছিলেন, দ বাকি অংশ পড়ুন...
সিরকা ইতিহাসের প্রাচীনতম খাবারসমূহের অন্যতম। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اُمِّ سَعْدٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهَا قَالَتْ دَخَلَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلٰى سَيِّدَتِنَا حَضْرَتْ أُمِّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ وَأَنَا عِنْدَهَا فَقَالَ هَلْ مِنْ غِذَاءٍ قَالَتْ عِنْدَنَا خُبْزٌ وَتَمْرٌ وَخَلٌّ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نِعْمَ الْإِدَامُ الْخَلُّ اَللّٰهُمَّ بَارِكْ فِي الْخَلِّ فَإِنَّهٗ كَانَ إِدَامُ الْأَنْبِيَاءِ قَبْلِيْ وَلَمْ يَفْتَقِرْ بَيْتٌ فِيْهٌ خَلٌّ.
অর্থ : “হযরত উম্মে সা'দ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা তিনি বর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করলেন, তিনি মূলতঃ আমাকেই মুহব্বত করলেন, আর যিনি আমাকে মুহব্বত করবেন, তিনি আমার সাথে সম্মানিত জান্নাতে অবস্থান করবে।” সুবহানাল্লাহ!
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ঘরে খেজুর নেই, সেই ঘরে যেন কোন খাবারই নেই।”
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে বাকি অংশ পড়ুন...
তায়াম্মুম করার মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক
তায়াম্মুম উনার নিয়ত ফরয অর্থাৎ প্রথমে নিয়ত করবে এভাবে যে, আমি নাপাকী হতে পবিত্র হওয়ার জন্য অথবা পবিত্র নামায আদায় করার জন্য তায়াম্মুম করছি। নিয়ত করার পর অঙ্গুলিসহ উভয় হাতের তালু পবিত্র মাটির উপর মারতে হবে।
অতঃপর হাত ঝেড়ে সমস্ত মুখম-ল একবার মাসেহ করা এবং মুখম-লের যে অংশে ধৌত করা ফরয সেই অংশে হাত পৌঁছিয়ে মাসেহ করা।
অতঃপর দ্বিতীয়বার পূর্বের ন্যায় মাটিতে হাত মেরে বৃদ্ধাঙ্গুলি ও শাহাদাত অঙ্গুলি ছাড়া অন্যান্য অঙ্গুলি ও তালুর কিছু অংশ দ্বারা প্রথমে ডান হাতের পিঠের অংশ কনুইসহ মাস বাকি অংশ পড়ুন...
ওযূ বা গোসল করার প্রয়োজন হলে পানি পাওয়া না গেলে অথবা পানি আছে কিন্তু উহা ব্যবহার করলে কঠিন রোগ হওয়ার ভয় থাকলে অথবা রোগ বৃদ্ধির আশঙ্কা থাকলে অথবা কুয়া থেকে পানি উঠানোর প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র না থাকলে অথবা শত্রুর ভয় থাকলে অথবা পুকুর নদী এক মাইল দূরবর্তীতে অবস্থিত ইত্যাদি কারণে ওযূ ও গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَلَمۡ تَجِدُواْ مَآءً فَتَيَمَّمُوْا صَعِيْدًا طَيِّبًا فَٱمۡسَحُوْا بِوُجُوْهِكُمۡ وَأَيۡدِيَكُمْ مِّنۡهُۚ
অর্থ: অতঃপর যদি পানি না পাও, তবে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করো। সুতরাং তোমাদের ম বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
মহান আল্লাহ্ পাক পবিত্র কালামে পাকে এরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ্ পাক ও উনার রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করলো, সে ব্যক্তি বিরাট সফলতা অর্জন করলো।” সুবহানাল্লাহ! (সূরা আহ্যাব/৭১)
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মৃত্যু ছাড়া এমন কোন রোগ নেই কালোজিরায় যার আরোগ্যতা নেই।”
নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরও ইরশাদ মুবারক করেন, যখন রোগ-যন্ত্রণা খুব বেশী কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি প বাকি অংশ পড়ুন...
হিজামা করার স্থানসমূহ-
হযরত আবূ কাবশাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মাথা মুবারক) উনার মাঝখানে এবং দুই মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কাঁধ মুবারক উনার মাঝে হিজামা করতেন এবং ইরশাদ মুবারক করতেন, যে ব্যক্তি নিজ শরীরের এ অংশে হিজামা করাবে, সে তার কোন রোগের চিকিৎসা না করালেও কোন ক্ষতি হবে না।
হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসা বাকি অংশ পড়ুন...












