সুন্নত পালনে খাদেমে রাসূল হযরত আনাস বিন মালেক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু যিনি একাধারে দশ বৎসর সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমত মুবারক করেছেন। অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন ইমামুল মুরসালীন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দোয়ার বরকতে একশত বৎসর হায়াত লাভ করেছেন। সুবহানাল্লাহ্!
সেই হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন- ‘একদিন এক দর্জি ছাহাবী রদ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন,
عَنْ حَضَرَتْ اَنَسٍ بِنْ مَالِكٍ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ اَحْيَا سُنَّتِيْ فَقَدْ أَحَبَّنِيْ وَمَنْ أَحَبَّنِيْ كَانَ مَعِيْ فِي الـْجَنَّةِ
অর্থ : হযরত আনাস বিন মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমার একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক জিন্দা করলেন, তিনি মূলত আমাকেই মুহব্বত করলেন। আর যে ব্যক্তি আমাকে মুহব্বত বাকি অংশ পড়ুন...
গ) পরিষ্কারক হিসেবে রান্না ছাড়াও বিভিন্ন গৃহস্থালি কাজে কিংবা কোনো কিছু পরিষ্কার করতেও সিরকা ব্যবহার করা হয়।
১. রেফ্রিজারেটরকে সজীব রাখতে ফ্রিজের দেয়াল ও তাকে অর্ধেক পানি ও অর্ধেক সিরকা মিশিয়ে পরিষ্কার করলে ফ্রিজ পরিষ্কার ও তরতাজা থাকে।
ঘ) দুর্গন্ধ দূর করার কাজে:
১. ঘামের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া প্রতিহত করে।
২. দাঁত উজ্জ্বল ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে: এক চা চামচ সিরকায় ব্রাশ ডুবিয়ে তা দিয়ে ব্রাশ করলে দাঁত উজ্জ্বল হয় এবং দাঁতের দুর্গন্ধ দূর হয়।
৩. টুথব্রাশ জীবাণু মুক্তকরণ: আধাকাপ পানিতে ২ চামচ সিরকা মিশিয়ে আধা ঘন্টা বাকি অংশ পড়ুন...
সিরকার উপকারিতা :
ক) বিভিন্ন প্রকার রোগের চিকিৎসায় :
১. সিরকা খেলে দ্রুত দেহের ওজন কমে।
২. ব্রণ ও রোদে পোড়া ভাব দূর করে।
৩. ক্ষুধা কম লাগে।
৪. পেটের চর্বি কমায়।
৫. উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায় এবং হৃৎপি- সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
৬. ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকরী।
৭. হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ডায়রিয়াসহ অস্ত্রের অন্যান্য রোগে উপকারী।
৮. ২ চা চামচ সিরকা ও ২ চা চামচ গোলাপ পানি নিয়ে ব্রণযুক্ত স্থানে লাগালে ব্রণ দূর হয়।
খ) বিভিন্ন রান্নায় :
৭. চর্বিযুক্ত খাবার রান্নার সময় কিছু সিরকা ব্যবহার করলে খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।
৯. রান বাকি অংশ পড়ুন...
আর স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
بُعِثْتُ لِاُتِـمَّ مَكَارِمَ الْاَخْلَاقِ.
অর্থ: “আমি সমস্ত চারিত্রিক গুণাবলীসমূহকে, উত্তম গুণাবলীসমূহকে পূর্ণতা দানের জন্য প্রেরিত হয়েছি। ” সুবহানাল্লাহ! (‘উকূদুয্ যাবারজুদ লিস সুয়ূত্বী ২/৪৬৮)
কাজেই, যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইত্তিবা’ তথা অনুসরণ-অনুকরণ করবে, তারা অবশ্যই সর্বোত্তম গুণাবলির অধিকারী হবে। সুবহানাল্লাহ!
যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি বাকি অংশ পড়ুন...
বিভিন্ন ধরণের ফলের রস, দানা জাতীয় শস্য অথবা তরল থেকে প্রক্রিয়াজাত করে সিরকা তৈরী করা যায়। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে সরাসরি এলকোহল/শরাব থেকে সিরকা তৈরী নিষেধ করা হয়েছে।
খেজুর থেকে তৈরী সিরকা সারা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে বহু প্রাচীন কাল থেকে ঐতিহ্যগতভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সিরকা ৫% এ্যাসিটিক এসিড আছে যা সামান্য টক স্বাদ যুক্ত হয়ে থাকে। রান্নায় স্বাদ-গন্ধ বাড়ানোর জন্য ইহা সালাদ, মাছ, সবজী ও আচার তৈরীতে ব্যবহার করা হয়। এটি জীবাণু বিরোধী, ব্যাকটেরিয়া বিরোধী এবং ছত্রাক বিরোধী বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন।
সিরকা অল্পমাত্রায় এসি বাকি অংশ পড়ুন...
আজওয়া খেজুর খাওয়া খাছ সুন্নত মুবারক এবং আজওয়া খেজুরের মধ্যে বেমেছাল উপকার ও কার্যকারিতা রয়েছে। বিষ, যাদুসহ জটিল-কঠিণ রোগের শেফা এই খেজুরে রয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আজওয়া খেজুরের কার্যকারিতা সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَصَبَّحَ كُلَّ يَوْمٍ سَبْعَ تَمَرَاتٍ عَجْوَةً لَمْ يَضُرُّهُ فِي ذَلِكَ الْيَوْمِ سُمٌّ وَلاَ سِحْرٌ.
অর্থ: “হযরত ‘আমির ইবনে সা’দ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
অর্থ: যে ব্যক্তি আমার একটি মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক হেফাযত করবেন, আঁকড়িয়ে ধরবেন, আমল করবেন, যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাকে ৪টি স্বভাব মুবারক দ্বারা সম্মানিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! আর তা হচ্ছে-
১. নেককারদের অন্তরে উনার প্রতি মহব্বত পয়দা করে দিবেন।
২. পাপীদের অন্তরে উনার প্রতি রোব বা ভীতি সৃষ্টি করে দিবেন।
৩. উনার রিযিক্বে প্রাচুর্যতা দান কর বাকি অংশ পড়ুন...












