আল ইহসান ডেস্ক:
সউদী আরবে পুনর্বাসিত আল-বাদরদের দৃষ্টান্ত দেয়ার জন্য এখানে উপস্থাপন করা হবে আল-বাদর হাইকমান্ডের সদস্য আশরাফুজ্জামানের কথা। এই আশরাফুজ্জামান খান ছিল আল-বাদর বাহিনীর প্রধান ঘাতক। স্বহস্তে গুলি করে সে মিরপুর গোরস্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ জন শিক্ষককে হত্যা করে বলে সুনিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল।
যে গাড়িতে করে অধ্যাপকদের গোরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তার চালক মফিজুদ্দীন নামে জনৈক আল-বাদর সদস্য সে আশরাফুজ্জামানকে বুদ্ধিজীবী হত্যাকা-ের ‘চীফ এক্সিকিউটর’ (প্রধান জাল্লাদ) হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
১৬ ডিসেম্বরে বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
বহির্বিশ্বে জামাতের দুটি ঘাঁটি হচ্ছে যুক্তরাজ্য (ব্রিটেন) এবং সউদী আরব। খুনি আল-বাদরদের মধ্যে যারা ১৬ ডিসেম্বরের আগে পরে পালাতে সক্ষম হয়েছিল তারা এই যুক্তরাজ্যের ইস্ট লন্ডন মসজিদ, বার্মিংহাম সিটি মসজিদ, ম্যানচেস্টার মসজিদসহ বিভিন্ন মসজিদে ইমামের চাকরি পর্যন্ত নিয়ে, বিশেষতঃ সিলেট জেলার খুনি আল-বাদররা জামাতী সংগঠন ‘দাওয়াতুল ইসলামের’ মাধ্যমে তাদের অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এই দু’জায়গায় অবস্থানরত আল-বাদর খুনিদের পরিচয় দেয়ার জন্য দু’টি দৃষ্টান্ত দেয়া হবে।
বুদ্ধিজীবী হত্যা পরিকল্পনার অপারেশন ইনচার্জ চৌধুরী বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর গ্রামের মৃত মালানা আব্দুর রহমানের দু’পুত্র ও চার কন্যার মধ্যে সোলায়মান ছিলো সবার বড়। সোলায়মানের পিতা আব্দুর রহমান কলকাতা একটি মাদরাসায় পড়াশোনার পর সেখানে একটি মাদরাসায় চাকরি করতো সোলায়মানকে সেখানেই ভর্তি করে। সেখান থেকে টাইটেল পাশের পর সোলায়মান দেশে ফিরে মাগুরা সদর উপজেলার বেরোইল হাইস্কুলে নবম শ্রেণীতে ভর্তি হয়। ওই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশের পর নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক করে। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যলয় থেকে ইসলামের ইতিহাসে স্নøাতকোত্তর বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নরসিংদীতে গণহত্যা, লুটপাট আর অগ্নিসংযোগের নারকীয় মহোৎসব চালাতো রাজাকার কমান্ডার জামাত নেতা মতিউরের সিকদার। একাত্তরে নরসিংদীসহ আশপাশের শতাধিক গ্রামকে রক্তাক্ত জনপদে পরিণত করেছিলো কুখ্যাত এ রাজাকার মতিউর রহমান। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ কয়েকটি অভিযোগে মামলা হলেও গ্রেফতার এড়িয়ে এখন সে ব্যবসায়ী ও জামাতের একনিষ্ঠ কর্মী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, কাউকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তাকারী হিসেবে বিন্দুমাত্র সন্দেহ হলেই রাজ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
১৩ নভেম্বর কুড়িগ্রামের হাতিয়া গণহত্যা দিবস। ব্রহ্মপুত্রপাড়ের ৭টি গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনী কাপুরুষের মতো নিরহ নিরস্ত্র নিরপরাধ সাধারণ মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে হত্যাযজ্ঞ চালায়। হত্যা করা হয় ৬শ’ ৯৭ জন মানুষকে।
কুড়িগ্রাম জেলা শহর থেকে ৩৫ কি.মি. দূরে উলিপুর উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের ৭টি গ্রাম রাতের অন্ধকারে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে পাকী বাহিনী। গ্রামের অধিকাংশ মানুষজন সাহরী খেয়ে ফজরের নামাযের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। গুলি আর আহাজারির শব্দে ঘর থেকে মানুষ বেরিয়ে এসেছিল। কিন্তু দরজার বাইরে দানবের মতো দাঁড়িয়ে থাকা পাকী ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত মৌলভীবাজার রাজনগর উপজেলার আকমল আলী তালুকদারসহ চার রাজাকার। জানা গেছে, আকমল আলীসহ অন্যান্য রাজাকাররা ৭০ জন পিটিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে। তারা এলাকার মা ও বোনদেরকে বেইজ্জতি করেছিল। রাজকাররা গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
এসব অপরাধের জন্য চেয়ারম্যান বিচারক শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্য বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ তাদের বিচার চলছে।
মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২৩ ব বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
একাত্তরে জুন মাসে বন্দরের উত্তর প্রান্তের মদনমোহনের বৃহৎ ও সুদৃশ্য বাড়িটি লুটপাটের পর ভেঙ্গে সাঈদী সেটি নিজ বাড়িতেই নিয়ে আসে। আগস্ট মাসের গোড়ার দিকে এক মুক্তিযোদ্ধাকে আটক করে তাকে সে পাকী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।
এছাড়া রাজাকার সাঈদী বন্দরের ব্যবসায়ী নারায়ণ সাহা, বিপদ সাহা, মাখন সাহাসহ আরো কয়েক বণিকের দোকান লুট করে। লুণ্ঠনের পাশাপাশি বহু ঘরবাড়ি পোড়ানো, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করে পাকী বাহিনীকে দেয়া ও তাদের মাতাপিতাসহ আত্মীয়স্বজনকে হয়রানি, নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অনেক অভিযোগ রয়েছে- যা সরকার তদন্ত ক বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পিরোজপুরের একাত্তরের ‘রাজাকার দেইল্যা’ স্বাধীনতার পর জনগণকে ধর্মকর্মের কথা শুনিয়ে ‘আল্লামা সাঈদী’ হলেও তার অধর্মের অপকর্মের কলঙ্ক এখনো মুছে যায়নি। এখনো সাঈদীরা একাত্তরের স্বাধীনতাবিরোধী দালাল-ঘাতক-রাহাজানির নির্মমতা। নৃশংসতার ভয়ঙ্কর প্রতীক।
একাত্তরের কুখ্যাত ঘাতক রাজাকার দেইল্যা সাঈদী সে জামাতের মজলিসে শূরার এক সদস্য। সে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী লাদেনের এক ভাবশিষ্য। বাংলাদেশে তালেবানী স্টাইলে ক্ষমতা দখলের অলীক স্বপ্ন যারা দেখে, তাদের একজন এই রাজাকার সাঈদী। জাতির দুর্ভাগ্য, সাঈদী সগর্বে ঘোষণা করে, ত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০০১ সালের ৫ মার্চের দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের সারাংশ হলো: “সেই রাজাকার, ’৭১-এর রাজাকার দেইল্যা এখন মালানা সাঈদী।” ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদের মূল বিষয়গুলো ক্রমানুসারে বর্ণনা করা হলো।
১১) ১৯৭১ সালের জুন মাসে মদন সাহার দোকান ও বাড়ি লুট করার পর এদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। গোপাল বণিক নামে এক ব্যাক্তিকে আটক করে পাক বাহিনীর হাতে তুলে দেয়। পরে বলেশ্বর নদীর ঘাটে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। রাজাকার সাঈদীর সহযোগীরা কৃষ্ণকা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০০১ সালের ৫ মার্চের দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের সারাংশ হলো:- “সেই রাজাকার: ’৭১-এর রাজাকার দেইল্যা এখন মালানা সাঈদী।” ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদের মূল বিষয়গুলো ক্রমানুসারে বর্ণনা করা হলো।
৭) মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেইল্যা ছিল পাড়েরহাটের বাদুরা গ্রামের ইউনুস মুন্সীর জামাই এবং বেকার। একটি মুদি দোকানে বসে আড্ডা মারতো।
৮) যুদ্ধকালে পারেরহাট বাজারেও সাঈদী তার রাজাকার বাহিনী নিয়ে হেলাল উদ্দিন পসারী, রইস উদ্দিন পস বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
২০০১ সালের ৫ মার্চের দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের সারাংশ হলো:- “সেই রাজাকার: ’৭১-এর রাজাকার দেইল্যা এখন মালানা সাঈদী।” ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদের মূল বিষয়গুলো ক্রমানুসারে বর্ণনা করা হলো।
৭) মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর দেইল্যা ছিল পাড়েরহাটের বাদুরা গ্রামের ইউনুস মুন্সীর জামাই এবং বেকার। একটি মুদি দোকানে বসে আড্ডা মারতো।
৮) যুদ্ধকালে পারেরহাট বাজারেও সাঈদী তার রাজাকার বাহিনী নিয়ে হেলাল উদ্দিন পসারী, রইস উদ্দিন পস বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
‘এ্যাসোসিয়েট অব পাকিস্তান আর্মি’ বইটির লেখক এএসএম সামসুল আরেফিন। ঐ বইয়ের পর্যালোচনায় দেখা যায়, বইয়ের সূত্র অনুযায়ী ২০০১ সালের ৫ মার্চের দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজের সারাংশ হলো: “সেই রাজাকার, ’৭১-এর রাজাকার দেইল্যা এখন মালানা সাঈদী।” ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে প্রকাশিত সংবাদের মূল বিষয়গুলো ক্রমানুসারে বর্ণনা করা হলো।
১) ১৯৭১ সালে সে রাজাকার দেইল্যা বলে পরিচিত ছিলো। স্বাধীনতার পর ভোল পাল্টিয়ে মালানা সাঈদী হয়েছে।
২) উপন্যাসিক হুমায় বাকি অংশ পড়ুন...












