মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ মাত্র এক দিরহাম খরচ করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় ফক্বীর-মিসকীনদেরকে এক পাহাড় পরিমাণ লাল স্বর্ণ দান করার সমপরিমাণ ফযীলত মুবারক লাভ:
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
وقال بعض الصالحين كان شيخي له عادة كل عام يقرأ قصة المولد الشريف ويحتفل فيه احتفالاً عظيمًا فجاءت سنة إحدى وستين وثلاثمائة وألف بلغ فيها شنبل الحنطة سبعين ليرة سورية، وحصل فيها كرب عظيم لبعض الناس فلما جاء وقت إقامة حفلة المولد الشريف صار شيخي يستعد لها، فقال بعض الناس ليت الشيخ هذه الدراهم الذي يريد أن ينفقها على قراءة المولد الشريف ينفقها على الفقراء والمساكين كان أفضل، فبلغ شيخي هذه المقالة، وكنت في حالة لا يغي বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ইসলাম উনার সূচনাকাল থেকেই হযরত ছাহাবা আজমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং পরবর্তীতে সকল আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করেছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতসমূহ জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে। কিন্তু এই সুন্নতসমূহ পালনের মধ্যে কিছু সুন্নত পালন নিজস্ব ইচ্ছাধীন কিন্তু কিছু সুন্নত মহান আল্লাহ রব্বুল আলামীন উনার খাছ অনুগ্রহ ছাড়া পালন করা সম্ভব নয়।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনার সম্মা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার অর্থ মুবারক কি এবং এখানে اِسْتَوَى (ইস্তাওয়া) শব্দ মুবারক উনার অর্থ কি?
উত্তর: এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার অর্থ মুবারক হচ্ছেন- ‘তিনি অত্যন্ত শক্তিশালী। তিনি অপেক্ষমান ছিলেন।’ এখানে ‘ইস্তাওয়া’ অর্থ হচ্ছে অপেক্ষমান।
প্রশ্ন: ذُو مِرَّةٍ فَاسْتَوَى এই সম্মানিত আয়াত শরীফ উনার হাক্বীক্বী অর্থ মুবারক প্রকাশ করেছেন কে?
উত্তর: আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্য বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: মা’ছূম বলা হয় হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের শান মুবারক-এ। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ কি বলতে হবে?
উত্তর: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত শান মুবারক-এ ‘মুত্বহ্হার অর্থাৎ পূত-পবিত্র’ এবং ‘মুত্বহ্হির অর্থাৎ পূত-পবিত্রতা দানকারী’ বলতে হবে।
প্রশ্ন: মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ খাদ্য-সামগ্রী অর্থাৎ টাকা-পয়সা দিয়ে আর্থিকভাবে শরীক থাকার জন্য স্বপ্নযোগে সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত নির্দেশ মুবারক:
বিশিষ্ট বুযূর্গ, মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবূব ওলী, আরিফ বিল্লাহ হযরত শায়েখ ঈসা ইবনে হাসান ইবনে বাকরী ইবনে আহমদ বায়ানূনী শাফিয়ী নকশাবন্দী মুহম্মদী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ১২৯০ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ১৩৬২ হিজরী শরীফ) উনার সম্পর্কে উনার নাতী মুহম্মদ আবুল ফাত্হ বায়ানূনী তিনি বলেন,
كان من عادة الج বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: اِنَّـهُمْ يحتفلون به ويعدونه من اعظم اعيادهم এই বাক্য মুবারক উনার অর্থ কি?
উত্তর: “নিশ্চয়ই (মহাসম্মানিত মক্কা শরীফ উনার মহাসম্মানিত অধিবাসীগণ) উনারা মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উনার মাহফিল মুবারক করতেন এবং উনারা এই দিন মুবারক উনাকে ঈদে আ’যম (সবচেয়ে বড় ঈদ, মহান ঈদ) হিসেবে গণ্য করতেন।”
প্রশ্ন: সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কখন মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন?
উত্তর: ১৮৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ২৫শে রজবুল হারাম শরীফ জুমু‘য়াহ শরীফ।
প্রশ্ বাকি অংশ পড়ুন...
বহু সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য ইমাম মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ তারীখ উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(১৬) আল ইমামুল কাবীর, শাইখুল ইসলাম আল্লামা হযরত ইমাম শিহাবুদ্দীন আহমদ ইবনে হাজার হাইতামী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৯৭৪ হিজরী শরীফ) তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ উনার সম্মানিত অধিবাসী উনাদের ব্যাপারে বলেন,
اِنَّـهُمْ يحتفلون به ويعدونه من اعظ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মহাসম্মানিত আনুষ্ঠানিক সূচনাপর্ব থেকেই জাকজমকের সাথে পালিত হয়ে আসছে। যার দলীল ইতিহাসের বাকে বাকে বিদ্যমান। ধারাবাহিক পর্বের মাধ্যমে আমরা সেই স্বর্ণালী ইতিহাসই জানবো-
* আল্লামা হযরত মোল্লা আলী ক্বারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ননা করেন - পবিত্র মদীনা শরীফবাসী উনারা পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ খুবই আগ্রহ ,উৎসাহ ও আনন্দের সহিত এ দিবস মুবারক উদযাপন করতেন। (মাওরিদ আর রাওয়ী ফি মাওলিদ আন নাবী, পৃষ্ঠা-২৯)
* হযরত ইবনে যাওজী রহমতুল বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের রাতকে ‘ঈদে আকবর’ হিসেবে গ্রহণ করা উম্মতের জন্য কি?
উত্তর: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের রাতকে ‘ঈদে আকবর’ হিসেবে গ্রহণ করা উম্মতের জন্য ওয়াজিব অর্থাৎ ফরয।
প্রশ্ন: كيف لا يفرح المؤمنون بليلة ظهر فيها أشرف الأنبياء والمرسلين صلى الله عليه وسلم এই বাক্য মুবারক উনার অর্থ কি?
উত্তর: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
বহু সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য ইমাম মুজতাহিদ ও আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ তারীখ উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(১১) আল্লামা হযরত আবুল মাকারিম সাইয়্যিদ যাইনুদ্দীন পীর মুহম্মদ দাদাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ১০৯৮ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
اِعْلَمْ اَنَّ السَّلَفَ وَالخَلَفَ لَمْ يَزَالُوا مِنْ اِتِّخَاذِ شَهْرِ مِيْلادِ خَيْرِ العِبَادِ اَعْيَاداً
অর্থ: “জেনে রাখুন! নিশ্চয়ই হযরত ইমাম-মুজতাহিদ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ সম্মানিত বিশেষ নূর মুবারক এবং রহমত মুবারক বর্ষণ:
দ্বাদশ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হযরত শাহ ওলীউল্লাহ মুহাদ্দিছ দেহলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
ﻛﻨﺖ ﻗﺒﻞ ﺫﻟﻚ ﺑﻤﻜﺔ ﺍﻟﻤﻌﻈﻤﺔ ﻓﻰ ﻣﻮﻟﺪ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻓﻰ ﻳﻮﻡ ﻭﻻﺩﺗﻪ ﻭﺍﻟﻨﺎﺱ ﻳﺼﻠﻮﻥ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻳﺬﻛﺮﻭﻥ ﺍﺭﻫﺎﺻﺎﺗﻪ ﺍﻟﺘﻰ ﻇﻬﺮﺕ ﻓﻰ ﻭﻻﺩﺗﻪ ﻭﻣﺸﺎﻫﺪﻩ ﻗﺒﻞ ﺑﻌﺜﺘﻪ ﻓﺮﺃﻳﺖ ﺍﻧﻮﺍﺭﺍ ﺳﻄﻌﺖ ﺩﻓﻌﺔ ﻭﺍﺣﺪﺓ ﻻ ﺍﻗﻮﻝ انى ادركتها ﺑﺒﺼﺮ ﺍﻟﺠﺴﺪ ﻭﻻ ﺍﻗﻮﻝ ﺍﺩﺭﻛﺘﻬﺎ ﺑﺒﺼﺮ ﺍﻟﺮﻭﺡ ﻓﻘﻂ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻋﻠﻢ ﻛﻴﻒ ﻛﺎﻥ ﺍﻻﻣﺮ ﺑﻴﻦ ﻫﺬﺍ ﻭﺫﻟﻚ ﻓﺘﺄﻣﻠﺖ ﺗﻠﻚ ﺍﻻﻧﻮﺍﺭ ﻓﻮﺟﺪﺗﻬﺎ ﻣﻦ ﻗﺒﻞ ﺍﻟﻤﻼﺋﻜﺔ ﺍﻟﻤﺆ বাকি অংশ পড়ুন...
ঐতিহাসিক ঘটনাটি পবিত্র মক্কা শরীফ উনার শাসক সাইয়্যিদ মুহম্মদ শরীফ হুসাইন উনার শাসনামলে। তিনি ১৯০৮ থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত পবিত্র মক্কা শরীফ উনার শাসক ছিলেন। আর এই ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন সৌদি আরবের আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী এবং সুন্নি আলেম সাইয়্যিদ মুহম্মদ আল হাসান বিন আলাউয়ি আল মালিকী আশআরী। উনার দাদা সাইয়্যিদ মুহম্মদ আব্বাস আল মালিকী উক্ত ঘটনাটির সাক্ষী ছিলেন। উনার কাছ থেকেই ঘটনাটি আরবে মশহুর হয়।
তিনি বলেন, তিনি একবার পবিত্র মক্কা শরীফ উনার শাসক সাইয়্যিদ শরীফ আল হুসাইনের শাসনের সময় ফিলিস্তিনের কুব্বাতুস সাকরা ম বাকি অংশ পড়ুন...












