আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪২ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১০ই শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুল আহাদ শরীফ (রবিবার) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “যিনি খ¦ালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
كُلَّ يَـوْمٍ هُوَ فِـىْ شَاْنٍ
‘মহান আল্লাহ পাক তিনি এ বাকি অংশ পড়ুন...
‘اِسْتَـوٰى’ (ইস্তাওয়া) সংশ্লষ্টি সম্মানতি ও পবত্রি আয়াত শরীফসমূহ উনাদরে ছহীহ তরজমাহ্ মুবারক
(৫)
اَلَّذِىْ خَلَقَ السَّمـٰوٰتِ وَالْاَرْضَ وَمَا بَـيْـنَـهُمَا فِـىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُـمَّ اسْتَـوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “(মহান আল্লাহ পাক) যিনি আসমান-যমীন এবং উভয়ের মাঝে যা কিছু আছে সমস্ত কিছু ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে সৃষ্টি করার পর আরশে আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলম খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন। ” সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফুরক্বান শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৯) বাকি অংশ পড়ুন...
সিবত্বতু সুলত্বনিন নাছীর আলাইহিস সালাম, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি‘আহ্ আলাইহাস সালাম উনাকে এবং সিবত্বতু সুলত্বনিন নাছীর আলাইহিস সালাম, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আল খ্বামিসাহ আলাইহাস সালাম উনাকে অর্থাৎ উনাদেরকে মুহব্বত করার বেমেছাল ফযীলত মুবারক
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবত্বতু সালত্বনিন নাছীর আলাইহিস সালাম, জান্নাতী মেহমান, সাইয়্যিদাতুল উমাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত শাহ নাওয়াসী আর রবি‘আহ্ আলাইহাস সালাম ত বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে পূর্ববর্তী আসমানী কিতাব মুবারক-এ আলোচনা মুবারক:
‘নুযহাতুল মাজালিস’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
فَعَلِمَتْ اَحْبَارُ الشَّامِ بِـسَيِّـدِنَـا حَضْرَتْ ذَبِيْحِ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّـدِنَـا حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ) لِاَنَّ فِـىْ كُتُبِهِمْ اِذَا قَطَرَتْ جُبَّةُ حَضْرَتْ يَـحْيٰـى عَلَيْهِ السَّلَامُ فَقَدْ وُلِدَ وَالِدُ النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
অর্থ: “শাম দেশের পাদ্রীরা সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার ব্যাপারে জানতো। কেননা তাদের আ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আব্বাজান সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীবুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি সর্বকালের সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব মুবারক। সুবহানাল্লাহ! উনার মুবারক উসীলায় সমস্ত জিন-ইনসান এবং তামাম কায়িনাতবাসী সকলেই মর্যাদা-মর্তবা, শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক হাছিল করেছে, করছে এবং অনন্তকাল যাবৎ হাছিল করতেই থাকবে। সুবহানাল্লাহ! শুধু তাই নয়; উনার মাধ্যমেই কায়িনাতবাসী সকলে সমস্ত নেয়ামত মুবারক উনাদের যিনি মালিক, যিনি ছাহিবে নেয়ামত, ছাহি বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল খমিস মিন আহলে বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আমল ছিল আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ ইতায়াতপূর্ণ। প্রতিটি আমলের ক্ষেত্রে তিনি উনাকে পরিপূর্ণ অনুসরণ-অনুকরণ করতেন। সুবহানাল্লাহ!
উল্লেখ্য যে, ইলমে তাছাওউফের কিতাবগুলোতে উল্লেখ রয়েছে। যিনি শায়খ বা মুর্শিদ তথা হিদায়েতের সঠিক পথ প্রদর্শন করবেন তিনি ফরয-ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা তো অবশ্যই আমল করবেন। এমনকি সুন্নতে যায়িদা বা মুস্তাহাবও পরিত্যাগ করতে পারব বাকি অংশ পড়ুন...
‘اِسْتَـوٰى’ (ইস্তাওয়া) সংশ্লষ্টি সম্মানতি ও পবত্রি আয়াত শরীফসমূহ উনাদরে ছহীহ তরজমাহ্ মুবারক
(১ ও ২)
اِنَّ رَبَّكُمُ اللهُ الَّذِىْ خَلَقَ السَّمـٰوٰتِ وَالْاَرْضَ فِـىْ سِتَّةِ اَيَّامٍ ثُـمَّ اسْتَـوٰى عَلَى الْعَرْشِ
অর্থ: “নিশ্চয়ই আপনাদের রব মহান আল্লাহ পাক যিনি আসমান-যমীন ৬ দিনে অর্থাৎ ৬ ধাপে সৃষ্টি করেছেন। ৬ ধাপে আসমান-যমীন সৃষ্টি করার পর আরশে আযীমকে আলমে খ¦লক্বের সর্বোচ্চ স্থানে স্থাপন করে আলম খ¦লক্ব ও আলমে আমরের মধ্যে পার্থক্য সূচনা করে দিয়েছেন।” সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা আ’রাফ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৪, সম বাকি অংশ পড়ুন...
নক্শবন্দিয়া ত্বরীক্বার বিশিষ্ট বুযূর্গ হযরত খাজা উবাইদুল্লাহ আহ্রার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিশিষ্ট খলীফা, অসংখ্য কিতাব রচয়িতা, ফার্সী কবি হযরত নূরুদ্দীন আব্দুর রহমান ইবনে আহমদ জামি খোরাসানী রহমতুল্লাহি আলাইহি অনেকবার পবিত্র হজ্জ সম্পাদন করেন। ৮৭৭ হিজরীতেও পবিত্র হজ্জে গমন করেন। যথা নিয়মে হজ্জের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করেন। পবিত্র মক্কা শরীফে অবস্থানকালে তিনি ফার্সী ভাষায় একখানা না’ত শরীফ রচনা করেন। যা পবিত্র রওযা শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে সরাসর বাকি অংশ পড়ুন...
১ নং সম্মানিত মু’জিযাহ্ শরীফ:
বিশিষ্ট ঐতিহাসিক হযরত ইমাম আবুল হাসান আলী ইবনে হুসাইন ইবনে আলী আল মাস‘ঊদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন, “একদা যালিম শাসক মুতাওয়াক্কিল তার দরবারে তিনটি হিংস্র পশু নিয়ে আসে। তারপর সে সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ‘আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দাওয়াত করে। অতঃপর যখনই সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল ‘আশির মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যালিম শাসক মুতাওয়াক্কিলের দরবারে সম্মানিত তাশরীফ মুবারক রাখেন, তখনই যালিম শাসক মুতাওয়াক্কিল তা বাকি অংশ পড়ুন...












