নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুধ মাতা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আল ঊলা আলাইহাস সালাম (সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছুওয়াইবাহ্ আলাইহাস সালাম) উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আওলাদ (সন্তান) হচ্ছেন সাইয়্যিদুনা হযরত মাসরূহ্ রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু তিনি। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুর রদ্বা‘আহ্ আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দুগ্ধ মুবারক পান করান, বাকি অংশ পড়ুন...
خِلَافَةٌ (খিলাফত) শব্দ মুবারকখানা আরবী। উনার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে- প্রতিনিধিত্ব করা, স্থলাভিষিক্ত হওয়া। মূলকথা হলো- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নায়িব হয়ে উনার যাহিরী-বাতিনী প্রতিনিধিত্ব করা। عَلـٰى (আলা) অর্থ হচ্ছে- উপর। مِنْهَاج (মিনহাজ) অর্থ হচ্ছে- সিঁড়ি, পদাঙ্ক, পথ ইত্যাদি। اَلنُّـبُوَّة (আন নুবুওওয়াহ্) এখানে নুবুওওয়াত বলতে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক ও রিসালত মুবারক উনাদেরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বুঝানো হয়েছে। সুতর বাকি অংশ পড়ুন...
খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
قَدْ جَآءَكُمْ مِّنَ اللهِ نُـوْرٌ وَّكِـتٰبٌ مُّبِيْـنٌ
অর্থ: “নিশ্চয়ই তোমাদের নিকট মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক এবং সুস্পষ্ট কিতাব এসেছেন। ” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মায়িদাহ্ শরীফ : সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ ১৫)
এই সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ‘মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূর মুবারক’ দ্বারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আল বাকি অংশ পড়ুন...
শারহুয যারক্বানী, সুবুলুল হুদা ওয়ার রশাদ, তারীখুল খ¦মীস, মাওয়াহিবুল লাদুননিয়্যাহ্ এবং মাছাবাতা বিস সুন্নাহসহ আরো অন্যান্য কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,
قَالَ حَضْرَتْ اِبْنُ الْجَزْرِىِّ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ فَاِذَا كَانَ هٰذَا الْكَافِرُ اَلَّذِىْ نَزَلَ الْقُرْاٰنَ بِذَمِّهٖ جُوْزِىَ فِى النَّارِ بِفَرْحِهٖ لَيْلَةَ مَوْلِدِ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِهٖ فَمَا حَالُ الْمُسْلِمِ الْمُوَحِّدِ مِنْ اُمَّتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسُرُّ بِمَوْلِدِهٖ وَيَبْذُلُ مَا تَصِلُ اِلَيْهِ قُدْرَتُهٗ فِىْ مَحَبَّتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَعُمْرِىْ اِنَّمَا يَكُوْنُ جَزَاؤُهٗ مِنَ اللهِ الْكَرِيْمِ اَنْ يَّدْخُلَهٗ بِفَضْلِهِ الْعَمِيْمِ جَنَّاتِ الن বাকি অংশ পড়ুন...
কেউ যদি কুফরী করে, তার জিন্দেগীর সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যায়। কিন্তু আবূ লাহাব যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করেছে, সে হাজার কুফরী করার পরও তার এই আমলটি বরবাদ হয়নি। সে জাহান্নামী হওয়া সত্তে¡ও প্রতি সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইছনাইনিল আযীম শরীফ অর্থাৎ সোমবার) সপ্তাহে ১ দিন তাকে আযাব থেকে রুখছত দেয়া হয় এবং তার শাহাদাত ও বৃদ্ধ আঙ্গুলের মাঝখান থেকে ঠান্ডা শীতল পানি প্রবাহিত হয়, সেটা সে পান করে। ফলে তার ১ সপ্তাহের আযাব তার শরীর থেকে দূর হয়ে যায়। সুবহানাল্লাহ! সে সেদিন শান্তিতে থাকে। তাহলে একজ বাকি অংশ পড়ুন...












