আল ইমামুল কাবীর, মাফ্খরাতুল মাগরিব হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল আয়ায আন্দালুসী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি আরো বলেন-
وَكَذٰلِكَ مَنْ لَّعَنَهٗ اَوْ دَعَا عَلَيْهِ اَوْ تَـمَنّٰى مَضَرَّةً لَّهٗ اَوْ نَسَبَ اِلَيْهِ مَا لَا يَلِيْقُ بـِمَنْصِبِهٖ عَلـٰى طَرِيْقِ الذَّمِّ اَوْ عَبَثَ فِىْ جِهَتِهِ الْعَزِيْزَةِ بِسُخْفٍ مِّنَ الْكَلَامِ وَهَجْرٍ وَّمُنْكَرٍ مِّنَ الْقَوْلِ وَزُوْرٍ اَوْ عَيَّرَهٗ بِشَىْءٍ مِّـمَّا جَرٰى مِنَ الْبَلَاءِ وَالْمِحْنَةِ عَلَيْهِ اَوْ غَمَصَهٗ بِبَعْضِ الْعَوَارِضِ الْبَشَرِيَّةِ الْـجَائِزَةِ وَالْمَعْهُوْدَةِ لَدَيْهِ وَهٰذَا كُلُّهٗ اِجْمَاعٌ مِّنَ الْعُلَمَاءِ وَاَئِمَّةِ الْفَتْوٰى مِنْ لَّدُنِ الصَّحَابَةِ رِضْوَانُ اللهِ عَلَيْهِمْ اِلـٰى هَلُمَّ جَرًّا
অর্থ: “ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার জন্য সম্মানিত খুশি মুবারক প্রকাশ করা, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা সকলের জিন্দেগীর সমস্ত ইবাদত-বন্দেগী থেকেও সর্বশ্রেষ্ঠ এবং সর্বোত্তম ইবাদত। সুবহানাল্লাহ! বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইমামুল কাবীর, মাফ্খরাতুল মাগরিব হযরত ইমাম কাযী আবুল ফযল ‘আয়ায রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘আশ শিফা বিতা’রীফি হুকূকিল মুছত্বফা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম’ উনার ২য় খ-ের ২১৪ পৃষ্ঠায় বলেন-
اِعْلَمْ وَفَّقَنَا اللهُ وَاِيَّاكَ اَنَّ جَمِيْعَ مَنْ سَبَّ النَّبِىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَوْ عَابَهٗ اَوْ اَلْـحَقَ بِهٖ نَقْصًا فِـىْ نَفْسِهٖ اَوْ نَسَبِهٖ اَوْ دِيْنِهٖ اَوْ خَصْلَةٍ مِّنْ خِصَالِهٖ اَوْ عَرَّضَ بِهٖ اَوْ شَبَّهَهٗ بِشَىْءٍ عَلـٰى طَرِيْقِ السَّبِّ لَهٗ اَوِ الْاِزْرَاءِ عَلَيْهِ اَوِ التَّصْغِيْرِ لِشَأْنِهٖ اَوِ الْغَضِّ مِنْهُ وَالْعَيْبِ لَهٗ فَهُوَ سَابٌّ لَّهٗ وَالْـحُكْمُ فِيْهِ حُكْمُ السَّابِّ يُقْ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, সিবত্বতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ঊলা আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সিব্ত্বতুন (নাতনী) আলাইহাস সালাম। সুবহানাল্লাহ! তিনি হচ্ছেন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِنَّمَا أَنَا قَاسِمٌ وَاللهُ يُعْطِىْ
অর্থ: “যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি হচ্ছেন দাতা আর আমি হচ্ছি বণ্টনকারী। ” সুবহানাল্লাহ! (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, তিরমিযী শরীফ ইত্যাদি)
সাইয়্যিদুল খুলাফা, আবুল খুলাফা, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিস সালাম তিনি এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় ইরশাদ মুবারক করেন, “ন বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের দিন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইবনে খত্বাল ও তার দুই দাসীকে হত্যা করার জন্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নির্দেশ মুবারক দেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যারা ব্যঙ্গ-বিদ্রƒপ করে কবিতা আবৃত্তি করতো। না‘ঊযুবিল্লাহ!
অপর এক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন,
اَنَّ رَجُلًا كَانَ يَسُبُّهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ مَنْ يَّكْفِيْنِـىْ عَدُوِّىْ فَقَالَ حَضْرَتْ خَالِدٌ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ اَنَا ف বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফেই ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নিয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র খিদমত মুবারক-এ (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রেহেম শরীফ-এ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তাশরীফ মুবারক গ্রহণ করেন। সুবহানাল্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সৃষ্টির শুরু থেকে অদ্যবধি মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী দীদার মুবারক-এ মশগূল রয়েছেন এবং অনন্তকাল যাবৎ সেই সম্মানিত হাক্বীক্বী দীদার মুবারক-এ মশগুল থাকবেন। তিনি কখনো মহান আল্লাহ পাক উনার হাক্বীক্বী দায়িমী দীদার মুবারক থেকে এক পলকের তরেও জুদা ছিলেন না, এখনো নেই এবং অনন্তকাল যাবৎ কখনোই থাকবেন না। সুবহানাল্লাহ! সেই বিষয়টিই তিনি মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,
لِىْ مَعَ اللهِ وَقْتٌ لَّا يَسْعٰنِىْ فِيْهِ مَلَكٌ مُّقَرَّبٌ وَلَا نَبِىٌّ مّ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাতে পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত ভ্রমণ করিয়েছেন। অতঃপর মুবারক আনুষ্ঠানিক দীদার দিয়েছেন।
এ প্রসঙ্গে কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
فَكَانَ قَابَ قَوْسَیْنِ اَوْ اَدْنَ.
অর্থ: “ধনুকের দুই মাথার যতটুকু ব্যবধান এই পরিমাণ অথবা এর চেয়েও আরো অধিক নিকটবর্তী হলেন। ” সুবহানাল্লাহ! (পবিত্র সূরা নজম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-০৯)
মূলত এটিই হচ্ছে প বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন, হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম উনাকে যিনি খ্বালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জানালেন যে, আপনার জন্য দু’টি সম্মানিত নিয়ামত মুবারক রয়েছেন। আপনি এখান থেকে একটি গ্রহণ করুন। কী নিয়ামত মুবারক? একটা হচ্ছে- সম্মানিত ইলিম মুবারক, আর একটা হচ্ছে- সারা পৃথিবীর কর্তৃত্ব। এই দু’টি সম্মানিত নিয়ামত মুবারক থেকে একটি আপনাকে গ্রহণ করতে হবে। হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম তিনি বললেন, বারে এলাহী! সারা পৃথিবীর যে কর্তৃত্ব রয়েছে, সেটা যদি আমি গ্রহণ করি, এতে কী আপনার হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করতে পারবো? যিনি খ বাকি অংশ পড়ুন...












