(১৫) হযরত আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন তারুগান্দী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিন পবিত্র মক্কা শরীফ উনার এক বাজারে গিয়েছিলেন। তিনি গিয়ে দেখলেন, এক বৃদ্ধ এক ক্রীতদাসীকে বিক্রি করার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। ক্রীতদাসীর শরীরের রং ফ্যাকাসে হয়ে গেছে, শরীর ভীষণ রোগা ও দূর্বল, কিন্তু চেহারা বেশ নূরানী।
বৃদ্ধ লোকটি বলছে, সে ২০ দীনারের অধিক মূল্যে এই বাঁদীকে বিক্রি করবে এবং তার দোষ-ত্রুটির জন্য তাকে ফেরত দেয়া যাবে না। তখন হযরত আবু আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনুল হুসাইন রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বৃদ্ধের কাছে গিয়ে বাঁদীর দোষ-ত্রুটি সম্বন্ধে জ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র কুরবানীর পশুর জন্য কোন কোন ত্রুটি থেকে মুক্ত হওয়া জরুরী?
জাওয়াব:
পবিত্র কুরবানীর জন্য পশু দোষ-ত্রুটি মুক্ত হওয়া বাঞ্ছনীয়। পশুর ত্রুটিগুলি দু’ভাগে বিভক্ত। (এক) আয়িবে ফাহিশ অর্থাৎ বড় ধরনের দোষ বা ত্রুটি। যার কোন একটি পশুর মধ্যে থাকলে উক্ত পশু দ্বারা কুরবানী শুদ্ধ হবে না। যেমন- এমন দূর্বল পশু, যার হাড়ে মজ্জা বা মগজ শুকিয়ে গেছে। অথবা যে সকল পশু কুরবানীর জায়গা পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারেনা। যেসব পশুর একটি পা এরূপ নষ্ট হয়ে গেছে যে, উক্ত পা দ্বারা চলার সময় কোন সাহায্য নিতে পারে না। যে পশুর কান অথবা লেজের তিনভাগের একভাগ কা বাকি অংশ পড়ুন...
এটা মহান আল্লাহ পাক তিনি পার্থক্য করে দিয়েছেন। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং এর পূর্বে আরো কিছু আয়াত শরীফ নাযিল করা হয়েছে। সেটা অন্যান্য আমল-আখলাক সম্পর্কেও উনাদেরকে পার্থক্য করে দেয়া হয়েছে। উনাদের ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি উল্লেখ করেন, إِنِ اتَّقَيْتُنَّ যদি আপনারা পরহেযগারী ইখতিয়ার করে থাকেন, বা পরহেযগার হয়ে থাকেন তাহলে পরহেযগার কাকে বলে, তাক্বওয়া কাকে বলে?
হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা কতটুকু পরহেযগারী, কতটুকু তাক্বওয়া অবলম্বন করেছেন?
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩) হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এক সময় লেবাননের পাহাড়ে থাকতেন। একদিন সেই দেশের বাদশাহ এসে ঐ পাহাড়ের সকল ফকীরকে একটি করে দীনার দিলেন। হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও দীনার গ্রহণ করলেন। কিন্তু তিনি সঙ্গে সঙ্গে উনার এক সঙ্গীর কোলে দীনারটি ফেলে দিলেন। অতঃপর তিনি উনার সঙ্গীসহ মাল-সামানা নিয়ে শহরের দিকে রওয়ানা হলেন। ঘটনাক্রমে তাড়াহুড়ার মধ্যে তিনি বিনা অজুতে পবিত্র কুরআন শরীফ উঠিয়ে নিজের সঙ্গে নিলেন।
উনারা যখন একটি বাজারের সামনে এলেন তখন দেখলেন যে, একদল লোক কিছু চোরের খোঁজ করছে। লোকজন সূফীদের বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাস সাক্ষী দেয় সমগ্র মুসলিম জাহানে জাতীয়ভাবে মহাপবিত্র এবং মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো। এ প্রসঙ্গে কিতাবে লিখিত আছে-
وذكر العلامة شهاب الدين أحمدُ المقريّ في كتابه "نفح الطيب" أن السلطان أبا حمو موسى صاحب تلمسان في القرن الثامن الهجري كان يحتفلُ ليلة مولد رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم غايةَ الاحتفال كما كان ملوك المغرب والأندلس في ذلك العصر وما قبله، وذكر الحافظ أبو عبد الله التّنَّسيّ أنه كان يقيم ليلة المولدِ النبوي اجتماعًا يجتمع إليه الناس خاصّة وعامة،
“হযরত আল্লামা শিহাবুদ্দীন আহমদ মাকরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “নাফহুত ত্বীব” কিতাবে লিখেন, নিশ্চয়ই সুলতান আবু হামভীল মুসা যিনি তালামিসানের (আ বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত কি কি?
জাওয়াব:
পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব হওয়ার জন্য শর্ত হচ্ছে- (১) মুসলমান হওয়া, (২) স্বাধীন হওয়া, (৩) মুক্বীম হওয়া, (৪) বালেগ হওয়া, (৫) মালিকে নিসাব হওয়া, (৬) পাগল না হওয়া অর্থাৎ আক্বলমন্দ হওয়া।
পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০ তারিখের ছুবহে ছাদিক হতে ১২ তারিখের সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কেউ মালিকে নিসাব হয় অর্থাৎ হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ (নিত্য প্রয়োজনীয় ধন-সম্পদ) বাদ দিয়ে সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণ বা সাড়ে ৫২ ভরি রূপা বা তার সমপরিমাণ মূল্যের মালিক হয়, তাহলে তার উপর পবিত্র কুরবানী ওয়াজিব।
উল্ বাকি অংশ পড়ুন...
إِنْ تُبْدُوا شَيْئًا أَوْ تُخْفُوهُ
তোমাদের অন্তরে সেটা বা সে বিষয় পুশিদা থাকুক অথবা তোমরা প্রকাশ করো।
فَإِنَّ اللهَ كَانَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি সে সমস্ত বিষয় অবগত রয়েছেন। অর্থাৎ তোমাদের অন্তরে যা কিছু চুপিয়ে রাখ অথবা প্রকাশ করে থাক সে সকল বিষয় সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি অবগত রয়েছেন। ”
এই আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছিল কেন? এই আয়াত শরীফের শানে নুযূল সম্পর্কে বলা হয়, একবার কয়েকজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা আসলেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে। এসে উনারা পরস্প বাকি অংশ পড়ুন...












