পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
সাধারণভাবে বলা হয়েছে-
یک زمانہ صحبتِ با اولیاء
بہتر از صد سالہ طاعت بے ریا
‘এক মুহূর্ত ওলীআল্লাহ উনাদের ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করা ১০০ বছর ক্ববূল ইবাদত থেকে উত্তম।’
তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছোহবত মুবারক ইখতিয়ার করলে কী হবে? বলো এটা? হ্যাঁ? কত বছর হবে? সারা সৃষ্টি মিলালে হবে? অনন্তকাল মিলালে? সমস্ত সৃষ্টির সব আমল একসাথে মিলালে? এজন্য তো আমরা বলি যে, একখানা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক উন বাকি অংশ পড়ুন...
৭৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁড়ানো শান মুবারক نُوْرُ الْقُوَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল কুওওয়াত মুবারক
৭৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বসার শান মুবারক نُوْرُ الشَّفَقَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শাফাক্বাত মুবারক
৭৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওযূ মুবারক نُوْرُ الْـخُشُوْعِ مُبَارَكٌ নূরুল খুশূ’ মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَمَّارِ بْنِ يَاسَرٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰي عَنْهُ، عَنْ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلَاثَةٌ لَا يَدْخُلُونَ الْجَنَّةَ أَبَدًا: اَلدَّيُّوثُ مِنَ الرِّجَالِ، وَالرَّجُلَةُ مِنَ النِّسَاءِ، وَمُدْمِنُ الْخَمْرِ.
অর্থ: হযরত আম্মার বিন ইয়াসার রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিন ব্যক্তি কখনই জান্নাতে প্রবেশ করবে না।
(১) দাইয়ূছ (যে পুরুষ নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থ মহিলাদের পর্দা করায় না)।
(২) ঐ সকল মহিলা য বাকি অংশ পড়ুন...
লেগেছে ধুম!...
লেগেছে ধুম লেগেছে ধামাকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
গগণ চিরে ধীরে ধীরে
উদিত নূরানী চাঁদ
দিকে দিকে ঘোষণা হয়
আযিমী সুসংবাদ (হক)
জাগো জাগো মুসলিম হও ফানা বাকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
মোদের মুর্শিদ সবার সাইয়্যিদ
খলীফাতুল্লাহ বিলকুল
মাদানী গুল মাকাম অতুল
নকশায়ে পাক রসূল (হক)
আজি বুকে বুকে ঈদ মুয়ানাকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
কামলিওয়ালা শাহে মাওলা
আছ ছলাতু ওয়াস ছালাম
সুন্নি সিরাজ নূর বেনিয়াজ
তাজেদারে হারাম (হক)
বিনাশ হলো সকল শয়তানি ধোঁকা
এই দুনিয়াতে এসেছেন আঁকা
সেরা গাজি ইয়া বাবাজি
মোদের ফখর অহংকার
দয়ার ভান্ডা বাকি অংশ পড়ুন...
উছমানী খিলাফতকালে প্রত্যেক বাড়ির দরজায় দুটো কড়া থাকত। একটি ছোট, একটি বড়।
কোনো নারী দরজায় কড়া নাড়লে ছোটো কড়াটি নাড়তো। এতে আস্তে শব্দ হতো। ভেতরের লোকজন বুঝতে পারতো একজন নারী এসেছে। পরিবারের পুরুষ সদস্য তখন অন্য রুমে চলে যেতো। একজন নারী গিয়ে দরজা খুলে অন্য নারীকে স্বাগত জানাত।
কোনো পুরুষ আসলে বড় কড়াতে নাড়ত। ভেতরের লোকজন বুঝত একজন পুরুষ আসছে। বাড়ির নারী সদস্যরা অন্য রুমে চলে যেত, একজন পুরুষ গিয়ে দরজা খুলত।
চিন্তা করা যায়, সেই যুগে একটা বাড়িতে প্রাইভেসির কথা কীভাবে ভাবা হত!?
বাকি অংশ পড়ুন...
শয়তান মানুষের মধ্যে ফেৎনা তৈরি করে কিভাবে? তার একটা মেছাল কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এক বুযূর্গ ব্যক্তি, ওলীআল্লাহ তিনি বর্ণনা করেন, তিনি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ দেখলেন, ইবলীস এক জায়গায় দাঁড়ানো।
তিনি ইবলীসকে দেখে বললেন, ইবলীস! তুমি এখানে কি করো? নিশ্চয়ই তোমার আশে-পাশে ফেতনা লাগিয়েছ।
সে বললো- না হুযূর! সে কোন ফেতনা করেনি। সেই বুযূর্গ ব্যক্তি একটু সামনে গেলেন। গিয়ে দেখেন মারামারি হচ্ছে।
তিনি বললেন, হে ইবলীস! তুমি নিশ্চয়ই মারামারির মূল। সে বললো- হুযূর! সে মারামারি লাগায়নি। কি করেছ তুমি?
সে বললো, সে- শুধু ছোট্ট একটা কাজ করেছে, আর কি বাকি অংশ পড়ুন...
১) তাওয়াফকারীগণ ৬০টি।
২) নামায আদায়কারীগণ ৪০টি।
৩) যিয়ারতকারীগণ ২০টি।
বাকি অংশ পড়ুন...
(৩৮৭)
(ياأيها الذين امَنُواْ أَطِيعُواْ الله) أي في الفرائض (وَأَطِيعُواْ الرسول) أي في السنن. ويقال: أطيعوا الله فيما فرض، وأطيعوا الرسول فيما بيّن. ويقال أَطِيعُواْ الله بقول لا إله إلا الله، وأطيعوا الرسول بقول محمد رسول الله صلى الله عليه و سلم (وَأُوْلِى الامر مِنْكُمْ) يعني أطيعوا أولي الأمر منكم. قال الكلبي ومقاتل: يعني أمراء السرايا. وقال الضحاك: يعني الفقهاء والعلماء في الدين. ويقال: الخلفاء والأمراء ويجب طاعتهم ما لم يأمروا بالمعصية.
অর্থ: (হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য করো,) অর্থাৎ ফরজসমূহ পালন করো (সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করো) অর্থাৎ সুন্নতসমূহ পালন করো। বলা হ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
ক্বমীছ শব্দটির শাব্দিক অর্থ হলো- কোর্তা, জামা, ক্বমীছ ইত্যাদি। আর ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় ক্বমীছ বা কোর্তা হলো, যার গেরেবান আছে যা বন্ধ করার জন্য কাপড়ের গুটলী লাগানো হয় যা নিছফুস্ সাক্ব। অর্থাৎ হাটু ও পায়ের গিরার মধ্যবর্তী স্থান পর্যন্ত বিলম্বিত। গোল যা কোনা ফাঁড়া নয়, যার আস্তিন আছে, যা অতি সহজেই মানুষের সতর ও ইজ্জত আবরু ঢাকে। ক্বমীছ বা কোর্তা অধিকাংশ সময় সাদা রংয়ের হওয়াই খাছ সুন্নত।
অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া সকল সুন্নত সমূহকে পুনরায় জিন্দা করে জারি করার মহান উদ্দেশ্যে রাজারবাগ শরীফ উনার সম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা স বাকি অংশ পড়ুন...












