ভূমিকা:
৮ম হিজরী শরীফ উনার সম্মানিত জুমাদাল ঊলা শরীফ মাসে সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক সংঘটিত হন।
জর্ডানের বাল্ক এলাকার নিকটবর্তী একটি স্থানের নাম মু’তাহ্। এই জায়গা থেকে পবিত্র বাইতুল মুক্বাদ্দাস শরীফ উনার দূরত্ব মাত্র দুই মনযিল। সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক এখানেই সংঘটিত হয়েছিলেন। মু’তাহ্ নামক স্থানে এই সম্মানিত জিহাদ মুবারক সংঘটিত হওয়ার কারণে এই সম্মানিত জিহাদ উনাকে ‘সম্মানিত মুতার জিহাদ মুবারক’ বলা হয়। সুহানাল্লাহ!
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
প্রশ্ন: সম্মানিত ও পবিত্র তারাবীহ্ নামায কতো রাকাত আদায় করতে হয়?
উত্তর: ২০ রাকাত। ১ রাকাতও যদি কম আদায় করা হয়, তাহলে সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ্ তরক্ব করার কারণে ওয়াজিব তরক্বের গুনাহে গুনাহ্গার হতে হবে অর্থাৎ কবীরা গুনাহ্ হবে।
প্রশ্ন: সম্মানিত ও পবিত্র তারাবীহ্ নামায ৮ রাকাত বা ১২ রাকাত আদায় করার কোনো দলীল আছে কি?
উত্তর: না; ৮ রাকাত বা ১২ রাকাতের কোনো দলীল নেই।
প্রশ্ন: সম্মানিত ও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে এবং সম্মানিত ও পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস ব্যতীত অন্য মাসে রাত্রে ৮ রাকাত বা ১২ রাকাত নামায আদায় করার বর্ণনা দ্বারা কোন নামাযকে বুঝা বাকি অংশ পড়ুন...
(৫) শায়েখে আকবর হযরত মুহিউদ্দীন ইবনুল আরাবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
وَكُنْتُ اَقُوْلُ بِالصَّلـٰوةِ عَلَى الْـجَنَائِزِ حَيْثُ كَانَتْ فِـىْ مَسْجِدٍ وَغَيْـرِهٖ حَتّٰـى رَاَيْتُ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِـى الْـمَنَامِ وَهُوَ يَنْهٰى عَنْ دُخُوْلِ الْـجَنَائِزِ الْمَسْجِدَ وَعَنِ الصَّلـٰوةِ عَلَيْهَا فَانْتَهَيْتُ فَمَا صَلَّيْتُ بَعْدَ ذٰلِكَ عَلـٰى جَنَازَةٍ فِـى الْمَسْجِدِ فَاِنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُوْلُ مَنْ رَاٰنِـىْ فَقَدْ رَاٰنِـىْ فَاِنَّ الشَّيْطَانَ لَا يَتَكَوَّنُنِـىْ
অর্থ: “আমি লোকজনকে পবিত্র মসজিদ মুবারক উনার ভিতরে এবং অন্যান্য জায়গায় জানাযার নামায পড়ার জন্য বলতাম। একবার আমি নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে ইরবিলের ইনসাফগার বাদশাহ হযরত মালিক মুযাফ্ফার রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার খরচ মুবারক
হযরত আল্লামা আবুল আব্বাস শামসুদ্দীন আহমদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইবরাহীম ইবনে আবী বকর ইবনে খাল্লিকান বার্মাকী ইরবিলী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৬৮১ হিজরী শরীফ) যিনি সকলের মাঝে হযরত আল্লামা ইবনে খাল্লিকান রহমতুল্লাহি আলাইহি হিসেবে প্রসিদ্ধ, তিনি বলেন-
كَانَ كَرِيْـمَ الْاَخْلَاقِ كَثِيْـرَ التَّوَاضُعِ حُسْنَ الْعَقِيْدَةِ سَالِـمَ الْبِطَانَةِ شَدِيْدَ الْـمَيْلِ اِلـٰى اَهْلِ السُّنَّةِ وَالْـجَم বাকি অংশ পড়ুন...
২২৩ পর্ব:
وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ
যারা ইলমে অভিজ্ঞ। মিল্লাদুন্না ইলমা। ইলমে লাদুন্নীর ব্যাপারে বলেন,
يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ
তারা বলেন আমরা এর প্রতি ঈমান আনলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সব বিষয় মানুষ জানে না। তাকে যতটুকু জানানো হয়েছে সে ততটুকু জানে।
كُلٌّ مِّنْ عِندِ رَبِّنَا
সমস্ত ইলম যিনি রব তায়ালা মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে এসে থাকেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الألْبَابِ
জ্ঞানী ছাড়া কেউ এটা বুঝবে না। বিষয়গুলি যারা জ্ঞানী, মিল্লাদুন্না ইলমা, ও বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِذَا دَخَلَ رَمَضَانُ فُتِحَتْ اَبْوَابُ الْـجَنَّةِ وَغُلّقَتْ اَبْوَابُ جَهَنَّمَ وَسُلْسِلَتِ الشَّيَاطِيْنُ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মাস আসে, তখন সম্মানিত জান্নাত উনার দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়। জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। শয়তানকে শৃঙ্খ বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত যাকাত যাদেরকে দেয়া যাবে না :সম্মানিত যাকাত যেহেতু সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ৩য় ও মধ্যবর্তী স্তম্ভ এবং সম্মানিত যাকাত হচ্ছেন সম্মানিত ঈমান উনার দলীল। তাই সম্মানিত যাকাত প্রদান করার ক্ষেত্রেও শরয়ী খুঁতমুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে প্রদান করতে হয়, নতুবা যাকাত আদায় হবে না। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন-
تَعَاوَنُوْا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوٰى ۖ وَلَا تَعَاوَنُوْا عَلَى الْاِثْـمِ وَالْعُدْوَانِ ۚ وَاتَّقُوا اللهَ ۖ اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ.
অর্থ: “তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে ও শত্রুতাতে পর বাকি অংশ পড়ুন...
ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাসাউফ হাছিলের জন্য বাগদাদ শরীফ-এ গমন
মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মা’রিফত, মুহব্বত, তায়াল্লুক, নিছবত হাছিলের ক্ষেত্রে ইলিমের বিকল্প নেই। ইলিমহীন ব্যক্তি কখনও আল্লাহ পাক উনার নৈকট্য লাভ করতে পারে না। তবে শুধুমাত্র ইলমে ফিক্বাহ বা যাহিরী ইলিম দ্বারা সে উদ্দেশ্য সফল হয় না। বরং ইলমে তাছাউফ-এ পূর্ণতা না থাকলে ইলমে ফিক্বাহ বা যাহিরী ইলিম অধিকাংশ ক্ষেত্রে জাহান্নামী হওয়ার কারণ হয়। মহান আল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হত্যা, লুট, অগ্নিসংযোগ ও রাহাজানির হোতা স্বাধীনতাবিরোধী জামাতের সাবেক আমীর গো’আযমের শ্যালক ১৯৭১এর আল-বাদর বাহিনীর নওগাঁর আঞ্চলিক প্রধান মোনায়েম-কাম আকরাম ওরফে খক্কো মৌলভী নওগাঁ জেলা জামাতের নেপথ্যের নীতিনির্ধারক। তার নেতৃত্বে রাজাকার-আল-বাদর বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় হত্যা, রাহাজানি, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে নির্বিচারে। তারা পার-নওগাঁ তাজ হলের ভেতর ২৫/৩০ জন স্বাধীনতাকামী বঙ্গ সন্তানকে হত্যা করে হলের পেছনে মঞ্চের মধ্যখানে অবস্থিত কূপের ভেতর ফেলে দিয়েছিল। পরবর্তীতে যেসব মুক্তিযোদ্ধা কূপের ভেতর থেকে ল বাকি অংশ পড়ুন...
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি গোষ্ঠীগুলোদের মুলো দেখানো হয়- ‘তাদের জন্য আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করে দেয়া হবে’। কিন্তু বাস্তবে উপজাতিদের স্বার্থ এখানে মুখ্য নয়। মূল স্বার্থ পশ্চিমা সম্রাজ্যবাদীদের, যারা উপজাতি গোষ্ঠীগুলোকে শুধু ব্যবহার করছে তিন পার্বত্য জেলাকে বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে। এ প্রক্রিয়া চলে চার প্রকারে-
১. মগজ ধোলাই সম্পর্কিত পুশিং: বিদেশী গোষ্ঠীগুলো উপজাতিদের কাছে গিয়ে সর্বদা কানপড়া দিতে থাকে- “তোমাদের বাংলাদেশের সাথে থেকে কি লাভ আছে? তোমরা নিজেরাই একটা দেশের জন্য চিন্তা করো, সেটা হবে তোমাদের রাজত্ব। সে বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মহান আল্লাহ পাক উনাকে এবং উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সা বাকি অংশ পড়ুন...
খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, আস সাফফাহ, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম-মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছে, “প্রত্যেক হিজরী শতকের শুরুতে মহান আল্লাহ পাক তিনি এই উম্মতের ইছলাহর জন্য এমন একজন ব্যক্তিত্বক বাকি অংশ পড়ুন...












