নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدِىْ وَهُوَ لَيْلَةُ اثْنَـىْ عَشَرَ مِنْ شَهْرِ رَبِيْعِ الْاَوَّلِ بِاتِّـخَاذِهٖ فِيْهَا طَعَامًا كُنْتُ لَهٗ شَفِيْعًا يَّوْمَ الْقِيَامَةِ
অর্থ: যে ব্যক্তি খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে, মেহমানদারী করার মাধ্যমে আমার মহাপবিত্র বরকতময় তাশরীফ মুবারক নেয়ার মহাসম্মানিত তারিখ মুবারক সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ উনার সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ (মহাসম্মানিত ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ) রাত্র মুবারক (ও দিবস মুবারক) উনাকে সম্মান করলো, পালন করলো, আমি ক্বিয়ামতে বাকি অংশ পড়ুন...
খন্দক খননকালে সংঘটিত মহাসম্মানিত মহাপবিত্র মুজিযাহ শরীফ:
অসংখ্য হাদীছ শরীফ, তাফসীর শরীফ ও কিতাব মুবারক উনাদের মাঝে উল্লেখ রয়েছে-
عَن حضرت جَابِرٍ رضي الله تعالى عنه، قَالَ: إنَّا كُنَّا يَوْمَ الْخَنْدَقِ نَحْفِرُ، فَعَرَضَتْ كُدْيَةٌ شَدِيدَةٌ، فَجَاؤُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، فَقَالَوا: هَذِهِ كُدْيَةٌ عَرَضَتْ في الخَنْدَقِ. فَقَالَ: ্রأنَا نَازِلٌগ্ধ ثُمَّ قَامَ، وَبَطْنُهُ مَعْصُوبٌ بِحَجَرٍ، وَلَبِثْنَا ثَلاَثَة أيّامٍ لاَ نَذُوقُ ذَوَاقاً فَأخَذَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم المِعْوَلَ، فَضَرَبَ فَعَادَ كَثِيباً أهْيَلَ أَو أهْيَمَ، فَقُلتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، ائْذَنْ لِي إِلَى البَيْتِ، فَقُلتُ لامْرَأتِي: رَأيْتُ بالنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ش বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
اَللهُ الصَّمَدُ
মহান আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত কিছু থেকে বেনিয়াজ। মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ছাড়া সমস্ত কিছু থেকে বেনিয়াজ। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আর হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা একমাত্র যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং যিনি মহাসম্মানিত হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনা বাকি অংশ পড়ুন...
৮২ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ نُوْرُ الرِّحْلَةِ/ نُوْرُ الْوِصَالِ شَرِيْفٌ নূরুর রিহলাহ্/ নূরুল বিছাল শরীফ (প্রস্থান)
৮৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শিশুকাল মুবারক نُوْرُ الْاَحْرَارِ مُبَارَكٌ নূরুল আহ্রার মুবারক (মহৎ, স্বাধীন, মুক্ত)
৮৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কিশোরকাল মুবারক نُوْرُ الْـحَسَنَةِ مُبَارَكٌ নূরুল হাসানাহ্ মুবারক (খুব ছূরত)
বাকি অংশ পড়ুন...
একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করতো।
এটা বন্ধের ইতিহাস নিয়ে অনেকে দাবি করে থাকে যে- চোর রামমোহন হিন্দুদের সতীদাহ প্রথা বন্ধ করেছিলো। অনেকে দাবি করে, ব্রিটিশ বেনিয়া উইলিয়াম আইন করে সতীদাহ বন্ধ করেছিলো। আসলে প্রকৃতসত্য হচ্ছে, এর বহু আগেই মুসলিম শাসকরা বিভিন্ন সময় আইন করে এ বর বাকি অংশ পড়ুন...
নিরাপত্তা বিভাগ ইসলামী সালতানাতের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হিসেবে গণ্য করা হয়। নিরাপত্তা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব হলো- সকল পর্যায়ে শান্তি ও শৃঙ্খলা রক্ষা করা। আর এ কাজের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিবর্গ হবেন এমন সুশৃঙ্খল বাহিনী, যারা ব্যক্তি ও সমাজের যাবতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
মুসলমান সালতানাতগুলোর বেশিরভাগ অঞ্চলেই নিরাপত্তা প্রধানের উপস্থিতি ছিলো। অঞ্চলভেদে উনাদের ভিন্ন ভিন্ন নামে ডাকা হতো। আফ্রিকায় নিরাপত্তা প্রধানকে বলা হতো হাকিম। মামলুক সালতানাতের শাসনামলে বলা হতো ওয়ালি। আর মিশরে এই পদটি ছিলো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ। স বাকি অংশ পড়ুন...
আলো আলো
শাহযাদা আক্বা
হৃদয়ের আলো
সেই সে আলোকি
যিয়ারতে
সকলে চলো
আলো আলো....
আধার চিরে আসেন ফিরে
আনন্দের আমেজ
শুকরিয়াতান সারা জাহান
সজীব সতেজ
নয়া নিনাদ মুবারকবাদ
সাইয়্যিদুল হাফেজ
শাহী শানে আশিকানে
দিওয়ানা হলো
আলো আলো....
শেরে খোদা শায়েখ যাদা
কামলিওয়ালা বীর
আপন রোবে তামাম ভবে
ঘুঁচান তিমির
অজানা জ্ঞান দয়ায় দানেন
দিপ্ত দস্তগীর
ইশকি জাতে বিলীন হতে
বুলন্দে বলো
আলো আলো....
৯ই রমজান ধরায় ছড়ান
খুশির মহা-ধুম
উৎসব মাঝে সকাল সাঁঝে
মিষ্টি মৌসুম
খানকার দুয়ার খুলে সারকার
বিলান তাবাসসুম
দস্তবুসি কদমবুসির
জালোয়া জ্বালো
আলো আলো....
ধ্র বাকি অংশ পড়ুন...












