উম্মুল উমাম উনার নববী মেহমান
মুজাদ্দিদ আ’যম উনার রায়হান
খলীফাতুল উমাম উনার তাশরীফান
উজালা করে সারা জাহান ॥
৯ই রমাদ্বান তাশরীফ আনেন
পূর্ণ রহমত নিয়ে
মাগফিরাতের বার্তা দেন
আশিক-আশিকার মনে ॥
আশিক-আশিকা ক্বাছীদা পড়েন
নববী নূরের আগমনে
পাখ-পাখালি খুশি করে
পেয়ে নূরী শাহযাদা উনাকে ॥
ফেরেশতাগণ মীলাদ পড়েন
বিলাদতী মাহফিলের জোশে
হুর-গিলমান দরবার ঘিরেন
নববী নূরের হিসসা পেতে ॥
আসমান সেজেছে রঙিন সাজে
যমীন সেজেছে জান্নাতী সাজে
আশিকারা সব খুশি করে
শাহযাদা ক্বিবলা উনার নূরী তাশরীফে ॥
বাকি অংশ পড়ুন...
আজকে খুশির বইছে জোয়ার
জগতের কোল জুড়ে
৯ই রমাদ্বান করে আলোয়ান
চমকে গগন শিরে।
হুর মালায়িক গিলমান ঠিক
একই কাতারে মিলে
পঠিছে কাছিদা শাহযাদা উনার
জান্নাতী মাহফিলে
মু’মিন মু’মিনা দেখরে,
চমকে পবন জুড়ে।
ওই আশিক জাকির, রহেন অস্থির
খুশির খাঞ্চা নিয়ে,
বিলাতেই সবে, রহে অমুরবে,
মাখলুক সব লয়ে
দেখ দেখ সবে ওরে,
চমকে গগণ শিরে।
আজ আওলাদে রসূলী নূরী বাগে,
আনন্দের আয়োজন,
নবী ও রসূল, ওলী, দরবেশে
তাবাস্সুমে প্রতিক্ষণ
শুনো কাছিদার ধ্বনি উচ্চারে,
শুকরিয়া দিল ভরে।
আজ রুবুবিয়তের প্রতি ভাজে ভাজে,
ছানা-ছিফতের ধ্বনি,
পাক শাহযাদা উনার মাক্বাম
ঘোষ বাকি অংশ পড়ুন...
খোদায়ী মেহেরবান ৯ই রমাদ্বান
শুনো হে মুসলমান!
উহা অমূল্য ধন, গ্রহে জ্ঞানীগণ
উনি রব্বানী মিহমান।
উনি পথ হারাদের ধরে ধরে
উঠান সঠিক পথে
বিপদ আপদে রইছেন তিনি
মুসলিমিনের সাথে।
শাহী ইনসাফগার হয়েই তিনি
জগতে তাশরীফান
উনার তাবেই পাচ্ছে নাযাত
অসহায় ইনসান।
আজ পৃথিবীর দিকে দিকে হায়
মুসলিম খায় মার
খলীফাতুল উমামী ডাক না শুনলে
হচ্ছেই দুরাচার।
করি মূল্যায়ন, মহা আয়োজন
৯ই রমাদ্বানী কোলে
ঈমানী শক্তি আসবো নিতেই
আমরা সবাই মিলে।
বাকি অংশ পড়ুন...
করজোড়ে আছি, রেযা আপনার যাচি
দিয়ে দিন পূর্ণ ইলম, আপনায় আমি যাচি।
নেই ইলম আমল, কিভাবে হবো সফল
আপনি যাহা চাহেন, তাহা আমি যাচি।
খাদিম আপনার হবো, ছোঁয়ায় আমি রবো
তায়াল্লুক আর নিছবতে সদা থাকিতে চাহি।
আপনি আমার আক্বা, দায়েমী চাহি দেখা
চাহি আমি আদর, চাহি মুচকি হাসি।
নিদ্রা জাগরণে, আপনি প্রতিক্ষণে
মনে আর প্রাণে, আপনায় ভালোবাসি।
ইয়া শাহযাদা, হতে চাই না জুদা
থাকতে ক্বদম পাকে, ঘুরে ফিরে আসি।
আপনার শাহী মাক্বাম, খলীফাতুল উমাম
চাহি দয়া দান, চাহি রাশি রাশি।
বাকি অংশ পড়ুন...
বিলাদত মুবারক হে শাহযাদা জান
হে যুবা শাহী! হে মারূফে মা’রিফান
মোদের আম্মা ক্বিবলাজীর নয়নের মণি
হে হুযূর ক্বিবলার সওগাতী শান!
মুবারক অফুরান মুবারক অফুরান,
নিবেদন করি মোরা সকল মুরীদান,
আসমান যমীনে কেবলি সাজ সাজ
নয়নের মণি হে মোদের ছার-তাজ!
বিলাদতে তার ধন্য বিশ্ব আবাস আজ
উষ্ণ নিশ্বাসে সবে ব্যাকুল পারওয়ায,
রূহানী হালতে যেন বিপুল বিপ্লবে
উনারই যিকির ও ধ্বনির আওয়াজ!
মুজাদ্দিদে ছানী তিনি আইন্দে যামান
মোদেরই তরীর হাল ধরতে আগুয়ান,
মুর্শিদী তরীক্বতে সকল হালে ও শানে
জালালী ক্বলব জিসিমে তিনি অম্লান।
শানে ও নাতে সকলে হাল্্কা ও যিকি বাকি অংশ পড়ুন...
আলো আলো
শাহযাদা আক্বা
হৃদয়ের আলো
সেই সে আলোকি
যিয়ারতে
সকলে চলো
আলো আলো....
আধার চিরে আসেন ফিরে
আনন্দের আমেজ
শুকরিয়াতান সারা জাহান
সজীব সতেজ
নয়া নিনাদ মুবারকবাদ
সাইয়্যিদুল হাফেজ
শাহী শানে আশিকানে
দিওয়ানা হলো
আলো আলো....
শেরে খোদা শায়েখ যাদা
কামলিওয়ালা বীর
আপন রোবে তামাম ভবে
ঘুচান তিমির
অজানা জ্ঞান দয় ায় দানেন
দিপ্ত দস্তগীর
ইশকি জাতে বিলীন হতে
বুলন্দে বলো
আলো আলো....
৯ই রমজান ধরায় ছড়ান
খুশির মহা-ধুম
উৎসব মাঝে সকাল সাঁঝে
মিষ্টি মৌসুম
খানকার দুয়ার খুলে সারকার
বিলান তাবাসসুম
দস্তবুসি কদমবুসির
জালোয়া জ্বালো
আলো আলো....
ধ্ বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত হিসেবে প্রত্যেক বান্দা-বান্দীর হৃদয়েই উনাকে দেখার, উনার যিয়ারত মুবারক লাভ করার, ছোহবত মুবারকে ধন্য হওয়ার আকাঙ্খা রয়েছে। কিন্তু উনাকে সরাসরি দেখার সেই সুজোগ এখন আর নেই। কারণ তিনি আমাদের থেকে জাহিরী পর্দা মুবারক করেছেন। তবে বর্তমানে জমীনে এমন এক সুমহান ব্যক্তিত্ব মুবারক রয়েছেন যিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ নক্বশা মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছি বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি কে?
সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার অর্থাৎ উনাদের একমাত্র ইবনুন (ছেলে সন্তান) হলেন সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি উনার মহাসম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম ও মহাসম্মানিতা আম্মাজান আলাইহাস সালাম উনাদের উভয়ের দিক থেকেই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আওলাদ বা বংশধর।
সাইয়্যিদুনা হযরত খলীফাতুল উমাম আলাইহিস সালাম ত বাকি অংশ পড়ুন...
ইউরোপিয়ান খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের নাকে শাস্তি স্বরূপ অনেকেই গোলাপফুল শুঁকাতো। কারণ খ্রিস্টানগুলো গোলাপের সুগন্ধি সহ্য করতে পারতো না। কথায় আছে- শুকর শুঁকতে পারে না- আতরের ঘ্রাণ।
ইউরোপিয়দের এই দুর্গন্ধময় ইতিহাস নিয়ে তাদের নিজস্ব ঘরানার ঐতিহাসিক সেন্ডর মারাই লিখেছে, ইউরোপিয়ান বারজিউসরা উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকেও জীবনে মাত্র দুইবার গোসল করতো। অসুস্থতার সময় ও বিয়ের সময়ে!
ইউরোপে গোসলখানা নির্মাণ আইনত দ-নীয় অপরাধ ছিল। স্পেনশাসক ‘দ্বিতীয় ফিলিপ’ তার রাজ্যে গোসলখানা নির্মাণের নিষেধ জারি করেছিলো। স্পেনের ১ম ইসাবেলা গ্রানাডা বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
হযরত সাঈদ ইবনু যায়দ ইবনু আমর ইবনু নুফায়ল রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি যে, কামআ (মাশরুম) মান্না জাতীয়। আর এর পানি (রস) চোখের জন্য ঔষধ বিশেষ। সুবহানাল্লাহ!
আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে- বরকতময় সুন্নতী খাবার মাশরুমের নানা উপকারিতা ও রোগ নিরাময়কারী উপাদান রয়েছে। তাই সুন্নত মুবারক পালনের মহান উদ্দেশ্যে মাশরুম খান, সুস্থ থাকুন।
বরকতময় এ সকল নিত্যপ্রয়োজনীয় সুন্নতী বিষয়াদিসহ সকল প্রকার সুন্নতী সামগ বাকি অংশ পড়ুন...
মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন নির্বাচনে চাঁদের ক্যালেন্ডারের যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; তেমনি ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রয়োজন রয়েছে সৌর ক্যালেন্ডারের। কিন্তু ইতিহাসে মুসলমানগণের রচিত কোনো সৌর ক্যালেন্ডারের তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারে মুসলমানগণ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অনেক কারণেই মুসলমানগণের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা উচিত নয়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ কি করে শাহরুল্লাহ হলো? শাহরুল্লাহ অর্থ স্বয়ং খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার মাস। সুবহানাল্লাহ! কিন্তু তা কেন? এই উম্মাহর কাছে তার তাৎপর্য কী? মূলতঃ এই মহান মাসে যমীনে তাশরীফ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...












