সম্মানিত যাকাত কখন আদায় করবেন
হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ (الـحوائج الاصلية) বা মৌলিক চাহিদা মিটানোর পর নিছাব পরিমাণ সম্পদ যদি নিজ মালিকানায় পূর্ণ ১ বছর থাকে তাহলে যাকাত আদায় করতে হবে।
হাওল (الْـحَوْلُ) : সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় মালিকে নিছাবের হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ (الـحوائج الاصلية) বা মৌলিক চাহিদার অতিরিক্ত মাল-সম্পদ বা অর্থ-সম্পদ পূর্ণ ১ বছর নিজ মালিকানায় থাকাকে হাওল (الْـحَوْلُ) বলে।
এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ اُمِّ الْمـُؤْمِنِيْنَ حَضْرَتْ عَائِشَةَ عَلَيْهَا السَّلَامَ قَالَتْ لَيْسَ فِى مَالٍ زَكٰوةٌ حَتّٰى يَـحُوْلَ عَلَيْهِ الْـحَوْلُ.
অর্থ : “ হযরত উম বাকি অংশ পড়ুন...
ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ছাহিবে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ লাইলাতুল জুমু‘আহ্ শরীফ (খমীস দিবাগত জুমুয়াবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “কথা তো অনেক। এই যে আমরা বাকি অংশ পড়ুন...
২. মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ:
খ) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘আহ্ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনাকে কষ্ট দেয়ার কারণে এক দাসীকে মৃত্যুদন্ড দেয়:
হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ‘মুয়াত্ত্বা শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন-
أَنَّ اُمَّ الْمُؤْمِنِيْنَ سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ اَلرَّابِعَةَ اِبْنَةَ اَبِيْهَا عَلَيْهَا السَّلَامُ (سَيِّدَتَنَا حَضْرَتْ حفصة عَلَيْهَا السَّلَامُ) قَتَلَتْ جَارِيَةً لَهَا سَحَرَتْهَا
অর্থ: “নিশ্চয়ই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আর রবি‘আহ্ ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনা বাকি অংশ পড়ুন...
মা’রিফাত হাছিলের প্রচেষ্টায় প্রাথমিক অবস্থা:
হযরত আবূ বকর শিবলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি প্রথম অবস্থায় “আল্লাহ” শব্দের প্রতি এমন আগ্রহান্বিত ছিলেন যে, কেউ “আল্লাহ” শব্দ উচ্চারণ করলে তিনি তার মুখে চিনি দ্বারা পূর্ণ করে দিতেন। তিনি ছেলেপেলেদের মধ্যে চিনি বন্টন করতেন, যেন তারাও “আল্লাহ” শব্দ উচ্চারণ করে। অতঃপর কিছুদিন উনার অভ্যাস এরূপ হয়েছিলো, যে ব্যক্তি আল্লাহ শব্দ বলতো, তিনি তার মুখ টাকা ও মোহর দ্বারা পূর্ণ করে দিতেন। কিছুকাল পরে উনার মধ্যে এমন আত্মাভিমান উৎপন্ন হলো যে, উন্মুক্ত তরবারী হাতে নিয়ে ঘুরতেন এবং বলতেন, যে ব্যক্ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّ الَّذِيْنَ يُؤْذُوْنَ اللهَ وَرَسُوْلَه لَعَنَهُمُ اللهُ فِـى الدُّنْيَا وَالْاٰخِرَةِ وَاَعَدَّ لَـهُمْ عَذَابًا مُّهِيْنًا.
অর্থ: নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যারা কষ্ট দেয়, দুনিয়া ও আখিরাতে তাদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত এবং তাদের জন্য লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে।
(পবিত্র সূরা আহযাব : আয়াত শরীফ ৫৭)
বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ই’তিকাফ সংক্রান্ত জরুরী মাসয়ালা:
মাসয়ালা- ১ : সম্মানিত ই’তিকাফ করার জন্য মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিক মাজুরতা ও সন্তান হওয়ার কারণে মাজুরতা থেকে পবিত্র থাকা আবশ্যক। সম্মানিত ই’তিকাফ করা অবস্থায় মাসিক মাজুরতা ও সন্তান হওয়ার কারণে মাজুরতা শুরু হলে সম্মানিত ই’তিকাফ ছেড়ে দেয়া ওয়াজিব। এমতাবস্থায় যতদিন সম্মানিত ই’তিকাফ ছাড়বে, শুধু ততদিনের সম্মানিত ই’তিকাফ ক্বাযা আদায় করা তার ওপর ওয়াজিব হবে। ক্বাযা আদায় করার নিয়ম হলো মাসিক মাজুরতা কিংবা সন্তান হওয়ার কারণে মাজুরতা থেকে পবিত্র হওয়ার পর রোযা রেখে সম্মানিত ই’তিকাফ উনার কাযা বাকি অংশ পড়ুন...












