মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক, কুরবত-নৈকট্য মুবারক হাছিলের অন্যতম মালি ইবাদত হচ্ছেন পবিত্র কুরবানী। সুবহানাল্লাহ!
সম্মানিত হানাফী মাযহাব মতে ‘মালিকে নিছাব’ প্রত্যেকের উপর আলাদা আলাদাভাবে পবিত্র কুরবানী করা ওয়াজিব। অর্থাৎ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ১০ তারিখ সুবহে ছাদিক্ব থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কেউ মালিকে নিসাব হয় অর্থাৎ হাওয়ায়িজে আছলিয়াহ (নিত্য প্রয়োজনীয় ধন-সম্পদ) বা বাকি অংশ পড়ুন...
কাজেই প্রত্যেককেই খেয়াল রাখতে হবে যে, মূলতঃ আলিম এবং ত্বলিবে ইলিম যারা রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের জন্যই ফযীলত রয়েছে। যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন-
مَنْ خَرَجَ فِي طَلَبِ الْعِلْمِ فَهُوَ فِي سَبِيلِ اللهِ حَتَّى يَرْجِعَ
যে ইলিম ত্বলব করার জন্য বের হয়ে গেল সে ফিরে আসা পর্যন্ত সে ছোট হোক সে বড় হোক, সে ছোট হোক বা বড় হোক সে ফিরে আসা পর্যন্ত সে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় থাকলো। সুবহানাল্লাহ!
কাজেই সেটা প্রত্যেককেই খেয়াল রাখতে হবে। এজন্যই মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মু বাকি অংশ পড়ুন...
সর্বজনমান্য ও নির্ভরযোগ্য বহু ইমাম-মুজতাহিদ এবং আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের কর্তৃক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশের মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র তারীখ মুবারক উনাকে ‘ঈদ, ঈদে আকবর ও ঈদে আ’যম’ হিসেবে গ্রহণ করার দলীল:
(১) আল্লামা হযরত ইমাম আবুল আব্বাস শিহাবুদ্দীন আহমদ ইবনে মুহম্মদ ইবনে আবী বকর ইবনে আব্দুল মালিক কুস্ত¡লানী মিশরী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৯২৩ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
فَرَحِمَ اللهُ اِمْرَاً اِتَّخَذَ لَيَالِىْ شَ বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে বর্ণিত রয়েছেন,
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ نُعْمَانَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ اَنَّهٗ رَاَى النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِـى الْمَنَامِ فَقَالَ يَا نَبِـىَّ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَيَسُرُّكَ هٰذَا الْـمَوْلِدَ الَّذِىْ يَصْنَعُهُ النَّاسُ فِـىْ كُلِّ سَنَةٍ فَقَالَ يَا حَضْرَتْ اِبْنَ نُعْمَانَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مَنْ فَرِحَ بِنَا فَرِحْنَا بِهٖ
অর্থ: “বিশিষ্ট বুযূর্গ মহান আল্লাহ পাক উনার মাহবূব ওলী হযরত ইবনে নু’মান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বর্ণনা করেন যে, তিনি একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে স্বপ্নে দেখেন। তখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুয বাকি অংশ পড়ুন...
গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে সপ্তাহের সাতটি দিনের নামকরণ করা হয়েছে গ্রহ-নক্ষত্রের নাম থেকে। আর এই গ্রহ-নক্ষত্রগুলো ছিলো রোমানদের দেব-দেবী। প্রথম শতকের দিকে রোমানদের কাছে শনিবার ছিলো প্রথম দিন আর রবিবার ছিলো দ্বিতীয় দিন। পরে তাদের মাঝে সূর্যের উপাসনা বৃদ্ধি পেতে থাকে ফলে সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন রবিবার (রবি=সূর্য) ইংরেজি Sunday (Sun = সূর্য) প্রথম দিনে পরিবর্তিত হয়।
সোমবার, ইংরেজিতে Monday এসেছে Moon থেকে। রোমানরা এই দিনটিকে উৎসর্গ করেছিলো চাঁদের দেবীর উদ্দেশ্যে। মঙ্গলবার এসেছে মঙ্গল গ্রহের নাম থেকে। আর ইংরেজি Tuesday এসেছে দেবতা Tyro -এর নাম থেকে।
ব বাকি অংশ পড়ুন...
আরো বর্ণিত আছে যে, একবার নিশাপুরের এক সওদাগর এক হাজার মুদ্রায় এক খুব ছূরত বাঁদী ক্রয় করলো। ঘটনাক্রমে ঐ সময় তার একটি খাতক টাকা পরিশোধ না করে নিশাপুর ছেড়ে অন্য শহরে পালিয়ে গেলো। তখন সওদাগর তার খোঁজ করা দরকার বলে মনে করলো; কিন্তু তার অসুবিধার সৃষ্টি হলো বাঁদীকে নিয়ে। এমন গুণবতী, খুব ছূরত বাঁদীকে কার কাছে রেখে যাওয়া যায়? শহরে তখন একটি বিশ্বাসী লোকও ছিলো না।
অবশেষে সওদাগর হযরত আবু উছমান জাররা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে একমাত্র বিশ্বাসী মনে করে উনার কাছে অনুরোধ জানালো যে, “জনাব! আমার বাঁদীকে আপনার জিম্মায় রেখে যেতে চাই। কয়েকটি দিন ত বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
বাতিল ফিরক্বার লোকদের আক্বীদা হলো, মহান আল্লাহ পাক তিনি ব্যতীত আর কেউই ইলমে গইব উনার ইলিম রাখেন না। এমনকি যিনি কুল-মাখলূক্বাতের রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ্বাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও নাকি ইলমে গইব উনার ইলিম রাখেন না। নাউযুবিল্লাহ!
এ বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের কি আক্বীদা? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।
জাওয়াব (ধারাবাহিক):
লুগাতুল হাদীছ-১/১৪ পৃষ্ঠায় আরো বর্ণিত রয়েছে-
اُوْتِيْتُ جَوَامِعَ الْكَلِمِ وَخَوَاتِـمَهٗ
অর্থ : আমি সমস্ত ইলিম এবং ত বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ তথা পবিত্র ঈদে বিলাদতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়ে প্রথম দিকে যারা কিতাব রচনা করেছেন উনাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- হযরত আবুল খত্ত্বাব উমর ইবনে দাহিয়্যাহ্ রহমতুল্লাহি আলাইহি (৫৪৪-৬৩৩ হিজরী)। উনার লিখিত কিতাবখানা হলো- كِتَابُ التَّنْوِيْرِ فِيْ مَوْلِدِ الْبَشِيْرِ وَالنَّذِيْرِ ‘কিতাবুত্ তান্উয়ীর ফী মাওলিদিল বাশীর ওয়ান নাযীর’ (কোনো কোনো কিতাবে كِتَابُ التَّنْوِيْرِ فِيْ مَوْلِدِ السِّرَاجِ الْمُنِيْرِ ‘কিতাবুত্ তান্উয়ীর ফী মাওলিদিস সিরাজিল মুনীর’ উল্লেখ আছে)।
বাতিলপন্থীরা পবিত্র মীলাদ শরীফ উ বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছহিবাতু সাইয়্যিদিল আ’দাদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছহিবায়ে নিয়ামত, রহমতুল্লিল আলামীন, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, হযরতুল আল্লামা হাফিয আবূ বকর ইবনে আবী শায়বাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছহীহ সনদ সহকারে বর্ণনা করেছেন- “হযরত আফফান রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে বর্ণিত। তিনি হযরত সালিম ইবনে হাইয়্যান রহমতুল্লাহি আলাইহি থেকে। তিনি হযরত সাঈদ ই বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, যাদের উপর পবিত্র হজ্জ ফরয তাদেরকে অবশ্যই পবিত্র হজ্জ করতে হবে। পবিত্র হজ্জ ফরয হওয়ার পরও যদি কেউ গাফলতি করে পবিত্র হজ্জ সম্পাদন না কর বাকি অংশ পড়ুন...












