১) তিনি নূরে মুজাসসাম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
২) তিনি হায়াতুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
৩) তিনি হাযির-নাযির ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
৪) তিনি মুত্তালা আলাল গ¦ইব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমান লাখেরাজদারদের ন্যায্য ভূমির মালিকানা থেকে উচ্ছেদ করার জন্যে নানাবিধ হীনপন্থা অবলম্বন করা হতো এবং ব্রিটিশ কর্মচারীদের মধ্যে এ ব্যাপারে এক বিদ্বেষদুষ্ট মানসিকতা বিরাজ করতো। লাখেরাজদারদের সনদ রেজিষ্ট্রি না করার কারণে বহু লাখেরাজ বাজেয়াপ্ত করা হয়। জেলার কালেক্টরগণ ইচ্ছা করেই সময় মতো সনদ রেজিষ্ট্রি করতে গড়িমসি করতো। তার জন্যে চেষ্টা করেও লাখেরাজদারগণ সনদ রেজিষ্ট্রি করাতে পারতেন না।
চট্টগ্রামে লাখেরাজদারদের কোর্টে হাজির হবার জন্যে কোন নোটিশই দেয়া হতো না। অনেকক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে যে, মামলার ডিক্রী জারী হবার বাকি অংশ পড়ুন...
অনুরূপভাবে মাহবুবে ইলাহী, হযরত খাজা নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি তা’লীম-তরবীয়ত তথা ইলমে শরীয়ত হাছিল করার পর মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী মা’রিফাত ও মুহব্বত হাছিলের লক্ষ্যে ইলমে তাছাওউফ বা ইলমে মা’রিফাত শিক্ষায় আত্মনিয়োগ করলেন। সেক্ষেত্রে যিকির-ফিকির, রিয়াজত-মাশাক্কাতে কঠোর হলেন; কিন্তু ইলিম হাছিলের প্রবণতা পূর্ববত প্রবল রয়ে গেলো।
উল্লেখ্য, মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ هُرَيْـرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّـمَ صُوْمُوْا لِرُؤْيَتِه وَاَفْطِرُوْا لِرُؤْيَتِه فَاِنْ غُـمَّ عَلْيْكُـمْ فَاَكْـمِلُوْا عِدَّةَ شَعْبَانَ ثَلَاثِـيْـنَ.
অর্থ: “হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা চাঁদ দেখে রোযা রাখো এবং চাঁদ দেখে রোযা ভঙ্গ করো অর্থাৎ ঈদ করো। যদি মেঘ অথ বাকি অংশ পড়ুন...
সউদি আরব চলতি ১৪৪৬ হিজরীতে পবিত্র শাওওয়াল শরীফ মাস বাংলাদেশের একদিন পূর্বে শুরু করেছিলো অর্থাৎ ইয়াওমুস সাবত, ৩০ আশির, ১৩৯২ শামসী (২৯শে মার্চ, শনিবার) তারা চাঁদ দেখার দাবি করে এবং ইয়াওমুল আহাদ, ৩১ আশির, ১৩৯২ শামসী (৩০শে মার্চ, রোববার) পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করে।
যদিও সারাবিশ্বের মুন সাইটিং এস্ট্রোনোমারগণ সউদি আরবের এই চাঁদ দেখার দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কিন্তু তাতে কোন লাভ হয়নি। যারা সম্মানিত হাদীছ শরীফ অনুযায়ী চাঁদ দেখে মাস শুরুর বিষয়টিকে গুরুত্ব প্রদান করেন তারাই এ বিষয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে- সউদি আরব বাকি অংশ পড়ুন...
২ যিলক্বদ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত ঊখতু রসূল মিনার রদ্বায়াহ্ আলাইহাস সালাম উনার মহাসম্মানিত বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
৬ যিলক্বদ: আখাছছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, শাহ্ আমীরা সাইয়্যিদাতুনা হযরত মুজিরাতুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।
৭ যিলক্বদ: আখাছছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্রতম বিলাদতী শান মুবারক উনার আ’দাদ শরীফ।
বাকি অংশ পড়ুন...
শাহ নাওয়াসী সাদিসা
আছ ছলাতু ওয়াস সালাম
নূর সাইয়্যিদাতুন নিসা
আছ ছলাতু ওয়াস সালাম।
ঈদ খুশিতে দো'জাহান
আনন্দ যে আলীশান
নও মালিকা তাশরীফে
হৃদয় হলো ইতমিনান
(আক্বা আক্বা দিল ফানা বাক্বা)
ফের তাকবীরী কলতান
কত বাদশাহী ইন্তেজাম
নূর সাইয়্যিদাতুন নিসা
আছ ছলাতু ওয়াস সালাম।
পাক হুজরা শরীফে আজ
নিপুণ হাতে কারুকাজ
মাদানীবাগের মজমায়
বর্ষিত নিয়ামত রাজ
(আক্বা আক্বা দিল ফানা বাক্বা)
ছানা-ছিফতের আলফাজ
ফাল-ইয়াফরাহু শিরোনাম
নূর সাইয়্যিদাতুন নিসা
আছ ছলাতু ওয়াস সালাম
দিল খুলে মুবারকবাদ
হে মুর্শিদী হুসনেদাদ
আপনায় হাদীয়া দিলেন
ছানী শা বাকি অংশ পড়ুন...
শাহী হুযরায়
শাহী সিতারা
শুভ আগমন
শুভ ইশারা...!
নূরানী সাজ
নূরী মারকাজ
প্রজ্জ্বলিত
হাজারো সিরাজ
আস সাদিসা
সেরা শাহনাজ
শাফিয়া শানে
আসেন পেয়ারা
শাহী হুযরায়
শাহী সিতারা।
কামলিওয়ালা
মুরশিদ আমার
ঈদ খুশিতে
হন বেকারার
নব মেহমান
ঘুচাবেন আধার
পুলকিত ফের
নববী ধারা
শাহী হুজরায়
শাহী সিতারা।
শুকরিয়াতান
সাইয়্যিদী খান্দান
অ-কাতরে
নিয়ামত বিলান
ইশকী জোশে
সবে ইতমিনান
কাছীদা পাঠে
জেগেছে ধরা
শাহী হুজরায়
শাহী সিতারা।
পাক শাওওয়াল
শাহী মাহিনা
নয়া নিছবতে
খুব দিওয়ানা
তামাম আশিকান
ইশকে ফানা
ফের উৎসব
সীমানা ছাড়া
শাহী হুযরায়
বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহপাক তিনি আদেশ মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যা এনেছেন তা আঁকড়ে ধর এবং যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা থেকে বিরত থাকো। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ্ পাক উনাকে ভয় করো। মহান আল্লাহ্ পাক তিনি কঠিন শাস্তিদাতা। ” (পবিত্র সূরা হাশর শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ ৭)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা মেথি দ্বারা আরোগ্য লাভ কর।
নূর বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ উনার ৩৬ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখিত الْبُدْنَ শব্দ দ্বারা মহান আল্লাহ পাক তিনি কি উদ্দেশ্য নিয়েছেন?
(পূর্বে প্রকাশিতের পর)
এছাড়াও (البدن) দ্বারা যে গরু উদ্দেশ্য এ প্রসঙ্গে তাফসীরের কিতাবে আরো কিছু বর্ণনা এসেছে-
قال حَضْرَتْ ابن جُرَيج رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قال حَضْرَتْ عطاء بن أبي رباح رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ في قوله {وَالْبُدْنَ جَعَلْنَاهَا لَكُمْ مِنْ شَعَائِرِ اللهِ} قال البقرة، والبعير. وكذا رُوي عن حَضْرَتْ ابن عمر رضي الله تَعَالٰى عنه، وحَضْرَتْ سعيد بن المسيب رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ، وحَضْرَتْ الحسن البصري رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ
অর্থ: “হযরত ইবনে জুরাইজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, হযরত আতা বাকি অংশ পড়ুন...












