মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীয়ত মুবারক উনার সম্মানিত ফতওয়া মুবারক অনুযায়ী সম্মানিত ক্বদমবুছী মুবারক নেয়া বা করার জন্য অনুমতি দান করা আখাছ্ছুল খাছ সুন্নাত মুবারক:
قدم(ক্বদম) শব্দটি আরবী। এটি আরবী এবং ফার্সী উভয় ভাষায় ব্যবহার হয়, যার অর্থ ‘পা’। আরبوسى ‘বূছী’ শব্দটি ফার্সী, যার অর্থ ‘বুছা দেয়া বা চুম্বন করা’। সুতরাং قدم بوسى (ক্বদমবূছী) অর্থ ‘পায়ে বুছা দেয়া বা পদচুম্বন করা’। আরدست (দস্ত( শব্দটি ফার্সী, যার অর্থ ‘হাত’। সুতরাং بوسى دست (দস্তবূছী) অর্থ ‘হাতে বুছা দেয়া’। এক্ষেত্রে দুটি বিষয় রয়েছেন- ১. সরাসরি হাতে বুছা দেয়া, ২. হাত দ্বারা পা স বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বললেন, খারাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না, ভাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন, يَقُولُهَا ثَلاَثًا নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তিনবার বললেন, হে ব্যক্তি! আপনি আমাকে খারাপ সম্পর্কে জিজ্ঞাস করবেন না, ভাল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন।
যখন উনি বার বার বললেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চেহারা মুবারক লাল হয়ে গেল। উনি বললেন-
أَلاَ إِنَّ شَرَّ الشَّرِّ شِرَارُ الْعُلَمَاءِ وَإِنَّ خَيْرَ الْخَيْرِ خِيَارُ الْعُلَمَاء বাকি অংশ পড়ুন...
৩৭ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র গলা মুবারক نُوْرُ النَّزَاهَةِ مُبَارَكٌ নূরুন নাযাহাহ্ মুবারক
৩৮ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কোল মুবারক نُوْرُالْاَزْهَرِ مُبَارَكٌ নূরুল আযহার মুবারক
৩৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র লিবাস মুবারক نُوْرُ التَّقْوٰى مُبَارَكٌ নূরুত তাক্বওয়া মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
‘এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা সর্বোচ্চ পর্যায়ের ছহীহ’ সে সম্পর্কে জরুরত আন্দাজ আলোচনা করা হলো
৭ম দলীল
উস্তাযুল মুহাদ্দিছীন আল্লামা হযরত ইমাম হাফিয আবূ যুর‘আহ্ ওয়ালিউদ্দীন ইরাক্বী মিছরী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮২৬ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
رَوَاهَا حَضْرَتْ اَبُو الشَّيْخِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَحَضْرَتْ اِبْنُ حَزْمٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ مِنْ رِوَايَةِ حَضْرَتْ اَلْـهَيْـثَمِ بْنِ جَـمِيْلٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ اَلْمُثَـنّٰـى رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ ثُـمَامَةَ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ
“এই মহ বাকি অংশ পড়ুন...
ক্বেতঈ দলীলের দ্বারাই প্রমাণিত
উপরোক্ত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার তরফ থেকে أَبَدًا অর্থাৎ অনন্তকাল ধরে দায়িমীভাবে প্রতি বছর সম্মানিত কুরবানী মুবারক করার জন্য সম্মানিত আদেশ মুবারক ও ওছিয়ত মুবারক করেছেন। তাই ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
لِكُلّ مُؤْمِنٍ فِيْ كُلّ شَهْرٍ اَرْبَعَةُ اَعْيَادٍ اَوْ خَـمْسَةُ اَعْيَادٍ
অর্থ: নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মু’মিন মুসলমান উনাদের প্রতি মাসে চারটি অথবা পাঁচটি ঈদ রয়েছে। অর্থাৎ প্রতিমাসে চারটি অথবা পাঁচটি ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ হয়ে থাকে। (কিফায়া শরহে হিদায়া ২য় খ-: বাবু ছলাতিল ঈদাইন, হাশিয়ায়ে লখনবী আলাল হিদায়া) বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
لَايُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ وَمَالِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ
“তোমাদের মাঝে কেউ মু’মিন-মুসলমান হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তার পিতা-মাতা, আল-আওলাদ, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, জান-মাল এবং সমস্ত মানুষ থেকে আমাকে সবচাইতে বেশী মুহব্বত না করতে পারবে। ” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এই হাদীছ শরীফকে বলা হয়, উম্মুল হাদীছ শরীফ। এই হাদীছ শরীফের কথা চিন্তা করেই সমস্ত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি ফানা-বাক্বা হয়েছেন। কি রকম ফানা-বা বাকি অংশ পড়ুন...
শুধু একদিন বা এক রাতের জন্য নয়, শুধু সাত দিন বা এক সপ্তাহের জন্য নয়, শুধু পনের দিন বা এক পক্ষের জন্য নয়, শুধু ত্রিশ দিন বা এক মাসের জন্য নয়, শুধু ষাট দিন বা দু মাসের জন্য নয়, অথবা শুধু তেষট্টি দিনের জন্য বা তেষট্টি দিন ব্যাপীই নয়, অথবা শুধু তিন মাস, শুধু ছয় মাস কিংবা শুধু বারো মাস বা এক বছরের জন্যই নয়। বরং সারা বছর, সারা মাস, সারা সপ্তাহ, সমস্ত দিন, সমস্ত সময় বা সব সময়ের জন্যই মহাসম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করতে হবে। সুবহানাল্লাহ!
কেননা যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজা বাকি অংশ পড়ুন...












