মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন-
كُونُوا رَبَّانِيِّينَ
“তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও। ”
অর্থাৎ মাথার তালু হতে পায়ের তলা এবং হায়াত থেকে মউত পর্যন্ত মহান আল্লাহ পাক উনার মতে মত ও মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পথে পথ হতে হবে।
পর্দার ফাযায়েল-ফযীলত, হুকুম-আহ্কাম, গুরুত্ব-তাৎপর্য সম্পর্কে জানা প্রত্যেক বালেগ এবং বালেগা মুসলমান নর-নারীর জন্য ফরযে আইন।
হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
بُنِىَ الإِسْلاَمُ عَ বাকি অংশ পড়ুন...
৪৯ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দৃষ্টি বা নযর মুবারক نُوْرُ السَّعَادَةِ مُبَارَكٌ নূরুস সা‘আদাত মুবারক
৫০ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথার তালু মুবারক نُوْرُ الشُّكُرِ مُبَارَكٌ নূরুশ শুকুর মুবারক
৫১ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র জিহ্বা মুবারক نُوْرُ الْاِيْـمَانِ مُبَارَكٌ নূরুল ঈমান মুবারক
বাকি অংশ পড়ুন...
এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে যারা বাতিল, দ্বয়ীফ, মুনকার ও মাতরূক বলেছে তাদের দাবী অশুদ্ধ হওয়ার দলীল
২য় দলীল
উস্তাযুল মুহাদ্দিছীন, আল্লামা হযরত ইমাম হাফিয আবূ যুর‘আহ্ ওয়ালিউদ্দীন ইরাক্বী মিশরী শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ ৮২৬ হিজরী শরীফ) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘ত্বরহুত তাছরীব ফী শারহিত তাক্বরীব’ উনার মধ্যে এই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফখানা উনাকে যারা ‘দ্বয়ীফ, মুনকার, মাতরূক ও বাতিল’ বলেছেন উনাদের কথা রদ করে দিয়ে বলেন,
قُـلْتُ لَهٗ طَرِيْقٌ لَا بَأْسَ بِـهَا رَوَاهَا حَضْرَتْ اَبُو الشَّيْخِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সুন্নত মুবারক ও আদেশ মুবারক এবং ওছিয়ত মুবারক পালন করা ফরয যা ক্বেতঈ দলীল দ্বারাই সাব্যস্ত হয়েছে
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ওয়ারিছ। যার কারণে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর বাকি অংশ পড়ুন...
জিহাদের ময়দানে মক্কার কাফির মুশরিকদের আগমন:
বিশিষ্ট ঐতিহাসিক হযরত ইবনে ইসহাক্ব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের নিয়ে পরিখা খনন শেষ করতেই কুরাইশ কাফির বাহিনী এসে পড়ে। তারা জরূফ ও যুগাবার মাঝখানে রূমার স্রোত-সংযোগস্থলে তাবু স্থাপন করে। তাদের সাথে ছিলো দশ হাজার কৃষ্ণাঙ্গ, কিনানা ও তিহামা হতে যোগদানকারী সৈন্য।
ওদিকে গাতফানীরা তাদের নাজদী অনুসারীদের নিয়ে উহুদ পাহাড়ের পাশে যানাবনাকমায় এসে অবস্থান ন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
لَا تَسُبُّوْا اَصْحَابِىْ فَلَوْ أَنَّ اَحَدَكُمْ أَنْفَقَ مِثْلَ أُحُدٍ ذَهَبًا مَا بَلَغَ مُدَّ أَحَدِهِمْ وَلَا نَصِيْفَهُ
অর্থ: তোমরা আমার ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে গালমন্দ করো না। কেননা যদি তোমাদের কেউ উহুদ পাহাড় পরিমাণ স্বর্ণ আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান করে, তবুও ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের এক মুদ (১৪ ছটাক) বা অর্ধ মুদ (৭ ছটাক) গম দান করার ফযীলতের সমপরিমাণ ফযীলতও অর্জন করতে পারবে না। (বুখারী শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
لَايُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ نَفْسِهِ وَمَالِهِ وَوَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ.
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ঐ মহান আল্লাহ পাক উনার কছম! যাঁর কুদরতী হাত মুবারকে আমার নূরুল আমর মুবারক অর্থাৎ প্রাণ মুবারক। তোমরা ততক্ষণ পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা তোমাদের জান-মাল, পিতা-মাতা, সন্তান-সন্ততি, জ্ঞাতি-গোষ্ঠী, ধন-সম্পদ থেকে (সমস্ত কিছু থেকে) আমাকে বেশী মুহব্বত করতে না পারবে। ” (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
এই পবিত্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ ও ইতিহাস গ্রন্থসমূহে ছহীহ সনদসহ এমন অসংখ্য বর্ণনা রয়েছে যে, একজন নানী বা দাদীর বয়সই হতো ২১ বছর। অর্থাৎ বাল্যবিবাহ ঘরে ঘরে বিরাজমান ছিলো। হযরত ইমাম বায়হাক্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত কিতাব “সুনানে কুবরা বায়হাক্বীতে” বর্ণনা করেছেন,
وَأَخْبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظُ قِرَاءَةً عَلَيْهِ حَدَّثَنِى أَبُو أَحْمَدَ : مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الشَّعْبِىُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَرْزُنَانِىُّ حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ طَاهِرِ بْنِ حَرْمَلَةَ حَدَّثَنِى جَدِّى حَدَّثَنِى الشَّافِعِىُّ قَالَ : رَأَيْتُ بِصَنْعَاءَ جَدَّةً بِنْتَ إِحْدَى وَعِشْرِينَ سَنَةً ، حَاضَتْ ابْنَةَ تِسْعٍ و বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ عَسَرَتْ عَلَيْهِ حَاجَةٌ فَلْيُكْثِرْ بِالصَّلَاةِ عَلَيَّ فَإِنَّهَا تَكْشِفُ الْـهُمُوْمَ وَالْغُمُوْمَ وَتَكْثُرُ الَأَرْزَاقَ وَتَقْضِى الْـحَوَائِجَ
অর্থ: কারো জন্য কোন বিষয় যখন কঠিন হয়ে যায়, তখন সে যেন আমার প্রতি বেশি বেশি পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠ করে। কেননা, পবিত্র দরূদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা বিদূরিত হয়। রিযিক বৃদ্ধি পায় এবং প্রয়োজনসমূহ পূরণ হয়। সুবহানাল্লাহ! (আল ক্বওলুল বাদী’)
বাকি অংশ পড়ুন...












