এটা মহান আল্লাহ পাক তিনি পার্থক্য করে দিয়েছেন। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সম্পর্কে এবং এর পূর্বে আরো কিছু আয়াত শরীফ নাযিল করা হয়েছে। সেটা অন্যান্য আমল-আখলাক সম্পর্কেও উনাদেরকে পার্থক্য করে দেয়া হয়েছে। উনাদের ফযীলত, বুযূর্গী, সম্মান উল্লেখ করা হয়েছে।
এরপর মহান আল্লাহ পাক তিনি উল্লেখ করেন, إِنِ اتَّقَيْتُنَّ যদি আপনারা পরহেযগারী ইখতিয়ার করে থাকেন, বা পরহেযগার হয়ে থাকেন তাহলে পরহেযগার কাকে বলে, তাক্বওয়া কাকে বলে?
হযরত উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা কতটুকু পরহেযগারী, কতটুকু তাক্বওয়া অবলম্বন করেছেন?
বাকি অংশ পড়ুন...
৭৩ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দাঁড়ানো শান মুবারক نُوْرُ الْقُوَّةِ مُبَارَكٌ নূরুল কুওওয়াত মুবারক
৭৪ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বসার শান মুবারক نُوْرُ الشَّفَقَةِ مُبَارَكٌ নূরুশ শাফাক্বাত মুবারক
৭৫ মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ওযূ মুবারক نُوْرُ الْـخُشُوْعِ مُبَارَكٌ নূরুল খুশূ’ মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পক্ষ থেকে উম্মতের জন্য আক্বীক্বাহ্ করা যায়েজ হওয়ার দলীল
১ম দলীল
১০ম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ আল্লামা হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন,
قُـلْتُ وَقَدْ ظَهَرَ لِـىْ تَـخْرِيْـجُهٗ عَلـٰى اَصْلٍ اٰخَرَ وَهُوَ مَا اَخْرَجَهٗ حَضْرَتْ اَلْـبَـيْـهَقِىُّ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَـعَالـٰى عَنْهُ اَنَّ النَّبِـىَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقَّ عَنْ نَّـفْسِهٖ بَـعْدَ الـنُّـبُـوَّةِ مَعَ اَنَّهٗ قَدْ وُرِدَ اَنَّ جَدَّهٗ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَقَّ عَنْهُ فِـىْ سَابِعِ وِلَادَتِهٖ وَالْعَقِيْـقَ বাকি অংশ পড়ুন...
স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সমস্ত উম্মতের পক্ষ থেকে কুরবানী করেছেন
১ম দলীল
এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছেন- “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ্ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছেন, একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এমন একটি শিংওয়ালা দুম্বা আনতে যা কালোতে হাঁটে, কালোতে শোয় ও কালোতে দেখে অর্থাৎ যার পা, পেট ও চোখ সবই কালো। অতঃপর সম্ম বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
لَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ فَجَعَلْنَا نَتَبَادَرُ مِنْ رَوَاحِلِنَا فَنُقَبِّلُ يَدَ النَّبِيِّ صَلَّـى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَرِجْلَه
অর্থ: আমরা যখন মদীনা শরীফ উনার মধ্যে আগমন করতাম, তখন তাড়াতাড়ি করে নিজেদের সওয়ারী থেকে নেমে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরুল মাগফিরাত মুবারকে (পবিত্র হাত মুবারকে) এবং নূরুদ দারাজাত মুবারকে (পবিত্র ক্বদম মুবারকে) বুছা দিতাম। সুবহানাল্লাহ! (আবূ দাউদ শরীফ, মু’জামুছ ছাহাবাহ্, আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী, শরহুস সুন্নাহ্, শু‘আবুল ঈমান বাকি অংশ পড়ুন...
(১৩) হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এক সময় লেবাননের পাহাড়ে থাকতেন। একদিন সেই দেশের বাদশাহ এসে ঐ পাহাড়ের সকল ফকীরকে একটি করে দীনার দিলেন। হযরত আবুল খায়ের আকতা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনিও দীনার গ্রহণ করলেন। কিন্তু তিনি সঙ্গে সঙ্গে উনার এক সঙ্গীর কোলে দীনারটি ফেলে দিলেন। অতঃপর তিনি উনার সঙ্গীসহ মাল-সামানা নিয়ে শহরের দিকে রওয়ানা হলেন। ঘটনাক্রমে তাড়াহুড়ার মধ্যে তিনি বিনা অজুতে পবিত্র কুরআন শরীফ উঠিয়ে নিজের সঙ্গে নিলেন।
উনারা যখন একটি বাজারের সামনে এলেন তখন দেখলেন যে, একদল লোক কিছু চোরের খোঁজ করছে। লোকজন সূফীদের বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাস সাক্ষী দেয় সমগ্র মুসলিম জাহানে জাতীয়ভাবে মহাপবিত্র এবং মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ পালন হতো। এ প্রসঙ্গে কিতাবে লিখিত আছে-
وذكر العلامة شهاب الدين أحمدُ المقريّ في كتابه "نفح الطيب" أن السلطان أبا حمو موسى صاحب تلمسان في القرن الثامن الهجري كان يحتفلُ ليلة مولد رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم غايةَ الاحتفال كما كان ملوك المغرب والأندلس في ذلك العصر وما قبله، وذكر الحافظ أبو عبد الله التّنَّسيّ أنه كان يقيم ليلة المولدِ النبوي اجتماعًا يجتمع إليه الناس خاصّة وعامة،
“হযরত আল্লামা শিহাবুদ্দীন আহমদ মাকরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার “নাফহুত ত্বীব” কিতাবে লিখেন, নিশ্চয়ই সুলতান আবু হামভীল মুসা যিনি তালামিসানের (আ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
لا ستكثرت من الخير وما مسنى السوء.
অর্থ: অবশ্যই আমি বেশি বেশি উত্তম কাজই করতাম এবং কোন অনুত্তম বা মন্দ বিষয় আমাকে স্পর্শ করতো না।
কারো কারো মতে, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলমে গইব সম্পর্কে জানতেন বলেই উনার সমস্ত কাজ বা সমস্ত বিষয় ছিলো সর্বোত্তম। তার বিপরীত কোন অনূত্তম বা মন্দ বিষয় উনাকে স্পর্শ করেনি।
আসলে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিষয়ে এ ধরণের আক্বীদা পোষণ করাটাও উনার শান বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফে উল্লেখিত إِلَّا مَا ظَهَرَ مِنْهَا উনার দ্বারা মহিলাদের জন্য হাত, পা ও চেহারা খোলা রেখে বের হওয়ার কথা মোটেও বুঝানো হয় নাই তার প্রমাণ (২য় অংশ):
আল মুহীতুল বুরহানী ফীল-ফিক্বহিন নু’মানী ৫ম খ- ৩৩২ পৃষ্ঠায় উল্লেখ রয়েছে-
مواضع الزينة: الرأس والأذن والعنق والصدر والعضد والساعد والكف والساق والرجل والوجه فالرأس موضع التاج والإكليل والشعر موضع العقاص والعنق موضع القلادة والصدر كذلك فالقلادة قد تنتهي إلى الصدر وكذلك الوشاح والأذن موضع القرط والعضد موضع الدملج والساعد موضع السوار والكف موضع الخاتم والخضاب والساق موضع الخلخال والخضاب-
অর্থ: মহিলাদের যীনাত বা সৌন্দর্যের স্থানসমূহ হলো: মাথা, কান, গলা, বক্ষ, বাহু, হাতের কব্জি, হ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَبِى الدَّرْدَاءِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ اَنَّهٗ مَرَّ مَعَ النَّبِىّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِلٰى بَيْتِ عَامِرِ الاَنْصَارِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ وَكَانَ يُعَلِّمُ وَقَائِعَ وِلَادَتِهٖ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِاَبْنَائِهٖ وَعَشِيْرَتِهٖ وَيَقُوْلُ هٰذَا الْيَوْمَ هٰذَا الْيَوْمَ فَقَالَ عَلَيْهِ الصَّلٰوةُ وَالسَّلامُ اِنَّ اللهَ فَتَحَ لَكَ اَبْوَابَ الرَّحْـمَةِ وَالْمَلائِكَةُ كُلُّهُمْ يَسْتَغْفِرُوْنَ لَكَ مَنْ فَعَلَ فِعْلَكَ نَـجٰى نَـجٰتَكَ.
অর্থ : হযরত আবূ দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্ বাকি অংশ পড়ুন...












