হুজ্জাতুদ্দীন হযরত ইমাম আবূ আব্দুল্লাহ মুহম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে মুহম্মদ ইবনে যুফার মাক্কী ছিক্বিল্লী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিলাদত শরীফ ৪৯৭ হিজরী শরীফ : বিছাল শরীফ ৫৬৫ হিজরী শরীফ) তিনি বলেন,
وَقَدْ عَمِلَ الْمُحِبُّوْنَ لِلنَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَرْحًا بِـمَوْلِدِهِ الْوَلَائِمَ فَمِنْ ذٰلِكَ مَا عَمِلَهٗ بِالقَاهِرَةِ الْمُعِزِّيَّةِ مِنَ الْوَلَائِمِ الْكِبَارِ حَضْرَتْ اَلشَّيْخُ اَبُو الْـحَسَنِ اَلْمَعْرُوْفُ بِاِبنِ قُفْلٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ شَيْخُ شَيْخِنَا حَضْرَتْ اَبِـىْ عَبْدِ اللهِ مُـحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وَعَمِلَ ذٰلِكَ قَبْلُ حَضْرَتْ جَـمَالُ الدِّيْنِ الْعَجَمِىُّ الْـهَمْذَانِـى বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় দুইখানা মূল নাম মুবারক উনাদের মধ্যে একখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় নাম মুবারক হচ্ছেন যাহিরী, একখানা বাত্বিনী, একখানা যমীনে, একখানা আসমানে। যেটা বলা হচ্ছে- ‘সাইয়্যিদুনা মাওলানা ম বাকি অংশ পড়ুন...
‘মরুভূমির চিতা’ ফখরুদ্দীন পাশা। তিনি ছিলেন উসমানীয় খিলাফতের সেই সাহসী জেনারেল, যিনি আরব বিশ্বাসঘাতক, ব্রিটেন এবং তার মিত্রবাহিনীর বিরুদ্ধে টানা ৭২ দিন একাই লড়াই করেছিলেন। পরবর্তীতে উনার বীরত্ব ও সাহসিকতায় প্রভাবিত হয়ে উনাকে ‘টাইগার অব দ্যা ডেজার্ট’ তথা ‘মরুভূমির চিতা’ আখ্যা দেয়া হয়। ইতিহাস উনাকে ‘মুহাফিযে মদীনা’- ‘মদীনার রক্ষক’ নামে স্মরণ করে।
তিনি উসমানী খিলাফতের একজন সাহসী জেনারেল ছিলেন। তবে যে বিষয়টি উনার ব্যক্তিত্বকে বিখ্যাত করেছিলো তা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ تَـعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْطَانُ جَاثِمٌ عَلٰى قَـلْبِ ابْنِ اٰدَمَ فَإِذَا ذَكَرَ اللهَ خَنَسَ وَإِذا غَفَلَ وَسْوَسَ
অর্থ: হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শয়তান মানুষের ক্বলবের মধ্যে বসে, যিকির করলে সে পালিয়ে যায় আর গাফিল হলে সে ওয়াসওয়াসা দেয়।
(বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ)
বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
وَإِذْ قُلْنَا لِلْمَلَائِكَةِ اسْجُدُوا لِآدَمَ فَسَجَدُوا إِلَّا إِبْلِيسَ أَبَى وَاسْتَكْبَرَ وَكَانَ مِنَ الْكَافِرِينَ
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, আর যখন আমি বললাম, হে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম! আপনারা জ্বিনসহ আমার যিনি খলীফা, আবুল বাশার হযরত আদম আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা করুন। সকলেই সিজদা করলো। কিন্তু সে (ইবলীস) অস্বীকার করলো, অহংকার করলো, সে সিজদা করলো না। যার কারণে সে কাফির হয়ে গেলো। নাঊযুবিল্লাহ! (পবিত্র সূরা বাক্বারাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৩৪)
উল্লেখ্য, ইবলীস একটি আদেশ মুবারক অমান্য করার কারণে যদি সবচেয়ে ব বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন-
إِنَّ وَفْدَ عَبْدِ الْقَيْسِ لَمَّا أَتَوُا النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنِ الْقَوْمُ أَوْ مَنِ الْوَفْدُ قَالُوْا رَبِيْعَةُ قَالَ مَرْحَبًا بِالْقَوْمِ أَوْ بِالْوَفْدِ غَيْرَ خَزَايَا وَلَا نَدَامَى فَقَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّا لَا نَسْتَطِيْعُ أَنْ نَأْتِيَكَ إِلاَّ فِيْ شَهْرِ الْحَرَامِ وَبَيْنَنَا وَبَيْنَكَ هَذَا الْحَىُّ مِنْ كُفَّارِ مُضَرَ فَمُرْنَا بِأَمْرٍ فَصْلٍ نُخْبِرْ بِهِ مَنْ وَرَاءَنَا وَنَدْخُلْ بِهِ الْجَنَّةَ وَسَأَلُوْهُ عَنِ الأَشْرِبَةِ فَأَمَرَهُمْ بِأَرْبَعٍ وَنَهَاهُمْ عَنْ أَرْبَعٍ أَمَرَهُمْ بِالإِيْمَانِ بِاللهِ وَحْدَهُ قَالَ أَتَدْرُوْنَ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
দেইর আল বালাহ এর পূর্বে ইসরাইলি সন্ত্রাসীদের সামরিক যানের বহরের বিপক্ষে আগে থেকে প্রস্তুতকৃত উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন মাইনফিল্ডের বিস্ফোরণের প্রামাণ্যচিত্র প্রকাশ করেছে আল-কুদস ব্রিগেড। দখলদারদের ধ্বংস হওয়া সামরিক যানের ধ্বংসাবশেষও দেখানো হয়।
খান ইউনিসের দক্ষিণে ইসরাইলি সন্ত্রাসীদের সামরিক অবস্থানে মর্টার শেলিং করেছে আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা।
খান ইউনিসের উত্তরে ইসরাইলি সন্ত্রাসী সেনাবাহী ১টি নামির সেনাবাহী ক্যারিয়ার'কে "আল ইয়াসিন-১০৫" শেল দ্বারা টার্গেট করেছে আল-কাসসাম ব্রিগেড যোদ্ধারা।
বাকি অংশ পড়ুন...
আল ইহসান ডেস্ক:
গাজায় আগ্রাসনের পর দখলদার ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান আরও কঠোর করে তুলেছে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট পেত্রো। সে তার দেশটির নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে, যেন ইসরায়েলগামী সব কয়লা বহনকারী জাহাজকে থামানো হয় ও রপ্তানি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হয়।
সে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় লিখেছে, আজ আবার এক জাহাজ ভর্তি কয়লা ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। এটি আমার সরকারের প্রতি প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ। নৌবাহিনীকে লিখিত নির্দেশ দেওয়া হবে- ইসরায়েলগামী কোনো জাহাজ যেন আর ছাড়তে না পারে।
পরবর্তীতে সে আরও স্পষ্টভাবে বাকি অংশ পড়ুন...
পাবনার সুজানগর উপজেলায় পদ্মা নদীতে বিরল প্রজাতির কুমির দেখা গেছে। আতঙ্কে গত চার-পাঁচদিন ধরে নদীতে নামছেন না স্থানীয় মৎসজীবী ও বাসিন্দারা।
আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি মিঠা পানির কুমির। পানি বাড়ায় দুর্লভ প্রজাতির এই কুমির পদ্মায় ভেসে এসেছে।
উপজেলার চর মানিকদীর মাদারতলা এলাকায় সম্প্রতি কুমিরটিকে নদীতে ভাসতে দেখা যায়। এরপর থেকেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে স্থানীয় মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে যেতে পারছেন না।
এ ব্যাপারে উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা নদী অঞ্চলে চলাচলে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেন।
পাবনার বিভাগীয় ব বাকি অংশ পড়ুন...
উটকে মরুভূমির জাহাজ বলা হয়। কারণ যানবাহনহীন ধূ ধূ প্রান্তরে কেবল এই প্রাণীই একমাত্র সহায়। এক্ষেত্রে উট যেমন অতি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রয়োজনীয় বাহন বা অবলম্বন, তেমনি এই প্রাণীর গোশত ও দুধও খুবই উপকারী। তবে এই উটের এক ফোঁটা অশ্রু ও রক্তও যে অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং জীবনদায়ী- সেটাও জানা গেলো এবার।
ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার অন ক্যামেলস (ঘজঈঈ)-এর গবেষকরা সম্প্রতি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কারে জানিয়েছে, উটের অশ্রু ও রক্ত থেকে প্রাপ্ত অ্যান্টিবডি অন্তত ২৬টি বিষধর সাপের বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করতে পারে।
এই গবেষণাটি বি বাকি অংশ পড়ুন...












