SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%PM%' OR titleBn LIKE '%PM%' OR descriptionEn LIKE '%PM%' OR descriptionBn LIKE '%PM%' OR slug LIKE '%PM%' OR metaTag LIKE '%PM%' OR metaDescription LIKE '%PM%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ক্স ভূ-রাজনৈতিক আগ্রাসন এবং সন্ত্রাসী ইহুদীদের প্রতিপত্তি বিস্তার
“মুসলিম উম্মাহর এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বন্দর দখলদার, নব্য ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী, বিশ্ব সন্ত্রাসী ইহুদী দস্যুদের দোসর ডিপি ওয়ার্ল্ড কতটা ভয়াবহ: একটি দ্বীনী সমঝ এবং ঈমানী দৃষ্টিভঙ্গি”
৫.২. তথ্য-উপাত্তের (ডেটা) স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি (The Nwe Frontier):
২১ শতকে সার্বভৌমত্বের প্রধান বিপদ ও অন্তরায় হলো তথ্য বা ডেটা নিয়ন্ত্রণ। ডিপি ওয়ার্ল্ডের মতো কোম্পানি তাদের কথিত অত্যাধুনিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে। এর মধ্যে অন্যতম হলো CARGOES Flow, যা বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বিদ্যুৎ চমকানোর সময়:যে রাস্তা দিয়ে বিদ্যুৎ চমকায় তা সাধারণত ১ ইঞ্চি চওড়া এবং ১-৫ মাইল লম্বা হতে পারে। অতি উচ্চমানের বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে এই সরু রাস্তার কণাগুলি অত্যধিক গরম হয়ে প্লাজমায় পরিণত হয়। তাপমাত্রা প্রায় ২০ হাজার থেকে ৩০ হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস হতে পারে। যা সূর্যের উপরিপৃষ্ঠ থেকে ৫ গুণ বেশী গরম। এই উত্তপ্ত অংশ আশেপাশের বাতাসকে প্রচ- শক্তিতে ধাক্কা দেয়। ফলে শব্দের চেয়ে বেশী গতি সম্পন্ন শকওয়েভ (Shockwave) বিস্ফোরণ সৃষ্টি হয়। যা প্রথম ১০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত প্রভাব ফেলে। আর এই বিস্ফোরণের শব্দই হচ্ছে বজ্রধ্বনি। এই বজ বাকি অংশ পড়ুন...
ভারতের মালদা জেলার পান্ডুয়াতে রয়েছে মুসলমানদের অনেক ঐতিহাসিক নিদর্শন। হারিয়ে যাওয়া যুগের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখানকার বিভিন্ন ইসলামিক স্থাপত্য। যেমন আদিনা মসজিদ, কুতুব শাহি মসজিদ, একলাখি মাজারসৌধ কিংবা বিভিন্ন আউলিয়ায়ে ক্বিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের মাজার শরীফ। বাংলা স্বাধীন সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। ইলিয়াস শাহি বংশের বেশ কয়েকজন সুলতান শাসনকার্য চালাতেন এখান থেকেই। এই শহরের আরেক নাম ছিলো ফিরোজাবাদ, যে নাম সম্ভবত বাংলার আরেক সুলতান শামসউদ্দিন ফিরোজ শাহের থেকে এসেছে। টাঁক বাকি অংশ পড়ুন...
(ধারাবাহিক)
বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হওয়া ও পৃথক হওয়া:
ঝড় বৃষ্টির সময় আকাশে কিমিউলোনিমবাস মেঘের পূর্ণাঙ্গ পর্যায়ে উর্ধ্বগামী বরফ কণা এবং নিম্নগামী শিলা খন্ড থাকে।
কণাগুলির পরস্পর ঘর্ষণের কারণে বরফ কণা ধনাত্মক এবং শিলা খন্ড ঋণাত্মক চার্জপ্রাপ্ত হয়। মেঘের উপরের অংশে জমা হয় ধনাত্মক চার্জ এবং নিচের অংশে জমা হয় ঋণাত্মক চার্জ। এই ঋণাত্মক চার্জের ইনডাকশন বা আবেশের কারণে যমীনে ধনাত্মক চার্জ জমা হয়।
এভাবে মেঘের ঋণাত্মক এবং যমীনের ধনাত্মক চার্জের মাঝখানে বাতাস ইনসুলেটর বা অপরিবাহী হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু দমকা বাতাসের কারণে এই ধনাত্ বাকি অংশ পড়ুন...
আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ২৭ হিজরী শরীফে কাতিবে ওহী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার তত্ত্বাবধানে এবং বিশিষ্ট সেনাপতি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে কাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার মাধ্যমে সুবিশাল নৌবাহিনী গঠন করার পর মুসলমানরা যখন নৌশক্তিতে বিশ্বব্যাপী সমৃদ্ধ এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেন, তখন সাগরবক্ষে প্রবল প্রতাপ ও প্রতিপত্তির সাথে একের পর এক বিজয়াভিযান পরিচালনা করতে লাগলেন। তামাম দুনিয়ার সাগর মহাসাগরে মুসলিম রণতরী দৃশ্যমান হতে থাকলো। পরবর্তীতে উমাইয়া এবং আব্বাসীয়দের ও পর বাকি অংশ পড়ুন...
৭ম শতাব্দীতে পারস্য শাসকের জন্য উইন্ডমিল বা বায়ুকল আবিষ্কার করা হয়। শস্য চূর্ণ এবং সেচের জন্যে পানি উত্তোলনে তা ব্যবহার করা হতে থাকে। এ বিষয়টা পার্সিয়ান ভূগোলবিদ Estakhri এর বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। তিনি নবম শতাব্দীতে খোরাসানের (পূর্ব ইরান এবং পশ্চিম আফগানিস্তান) বায়ুকলগুলি পরিচালনা করতেন।
গ্রীষ্মকালে পানির উৎস গুলো শুকিয়ে গেলে আরব দেশের বিশাল মরুভূমিতে শক্তির একমাত্র মাধ্যম হয়ে দাঁড়াতো বাতাস। কয়েক মাস পর্যন্ত একদিক থেকে অন্যদিকে দ্রুত বেগে বাতাস প্রবাহিত হতো। এই বাতাসের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উইন্ডমিল সচল থাকতো।
তৎকালীন প্রত বাকি অংশ পড়ুন...
মসজিদটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব:
এর মধ্যে রয়েছে সোকোল্লু মুহম্মদ পাশা, একজন অটোমান উজির বা মুখ্যমন্ত্রী, যিনি সুলতান সুলেমান এবং সুলতান দ্বিতীয় সেলিম এর অধীনে কাজ করেছিলেন। এছাড়াও এখানে দাফন করা হয়েছে সিয়াভুস পাসা, ১৬ শতকের আরেক উজির এবং লালা মুস্তাফা পাশা যিনি ১৬ শতকে উসমানীয় সালতানাতের জন্য সাইপ্রাস বিজয় করেছিলেন। তাদের কবরগুলো মসজিদের কাছাকাছি অবস্থিত রয়েছে, যেমন আদিল সুলতান এবং তার পরিবারের অন্যান্যরাও মসজিদের পাশেই শায়িত রয়েছেন। যেখানে সুলতানদের কবর অবস্থিত সে কবরস্থানটি ঐতিহাসিক এই মসজিদের পিছনে গোল্ডেন হর্ণে শহরের বাকি অংশ পড়ুন...
সম্প্রতি দেশে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে। বাজারে সিলিন্ডারের অভাব, দাম বৃদ্ধির কারণে মানুষ এখন বৈদ্যুতিক চুলার দিকে ঝুঁকছে। এ ছাড়া নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে শহরাঞ্চলে কিছু কিছু পরিবার অনেক আগে থেকেই বৈদ্যুতিক চুলা ব্যবহার করছে।
বৈদ্যুতিক চুলাগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় দুটি প্রযুক্তি হলো, ইন্ডাকশন ও ইনফ্রারেড চুলা।
বাহির থেকে দুটি চুলাকে দেখতে একই রকম মনে হলেও ভেতরের প্রযুক্তি, কাজের ধরন, বিদ্যুৎ ব্যবহার ও রান্নার সুবিধায় রয়েছে বড় পার্থক্য। তাই কেনার আগে কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত, তা জানা জরুরি। এ ছাড়া পাত্র নির্বাচন ও ব্যবহারের বাকি অংশ পড়ুন...
হিজরী ৫২ সনে কনষ্টান্টিনোপোলের যুদ্ধে সম্মুখ সমরে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে তিনি যখন শাহাদাতের তামান্নায় অপেক্ষমান, একজন এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন “হে আবু আইয়ূব (রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু)! জীবনের শেষ ইচ্ছা আমাদের বলুন, আমরা তা যথাসম্ভব বাস্তবায়ন করবো। তখন তিনি ব্যক্ত করলেন, আপনারা আমার দেহ মুবারক আমার ঘোড়ায় উঠিয়ে দিন এবং যতদূর সম্ভব কনষ্টান্টিনোপোলের শেষ সীমানায় নিয়ে যান, যাতে আমি মহান আল্লাহ পাক উনার সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারি, “মহান আল্লাহ পাক! আমি যুদ্ধের ময়দান থেকে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণেও শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ চেষ্টা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
এটি দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, রজবুল হারাম মাসের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরীফ রাতে পবিত্র বরকতময় মি’রাজ শরীফ হয়েছে। কিন্তু কিছু উলামায়ে ‘সূ’, নামধারী আলেম বিভিন্ন সম্প্রচারমাধ্যম, পত্র-পত্রিকা ও বই-পুস্তকের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে যে, মি’রাজ শরীফের তারিখ নিয়ে মতভেদ রয়েছে। তাদের আপত্তি হলো, ২৭শে রজবের রাতেই মি’রাজ শরীফ হয়েছে এ কথা সঠিক নয়। নাউযুবিল্লাহ!
অতএব, এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব তুলে ধরে এর বিভ্রান্তি নিরসন প্রয়োজন।
জাওয়াব: (১ম অংশ)
পবিত্র মি’রাজ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়েছে, পবিত্র রজবুল হারাম শরীফের ২৭ তারিখ ইছনাইনিল আযীম শরী বাকি অংশ পড়ুন...
আরব আমিরাতের শারজাহ সিটিতে অবস্থিত ‘মাজমাউল কুরআনুল কারীম’ কর্তৃপক্ষ খেজুরের পাতায় লিখা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার একটি দু®প্রার্প কপি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করেছে। ‘মাজমা’র মহাসচিব জানিয়েছে, ‘প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন যুগের এবং বিশ্বের অসংখ্য দেশের পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার দুর্লভ কপি এবং দু®প্রাপ্য প্রতœঐতিহাসিক নুসখা সংগ্রহ করে গর্বিত।’
এই দু®প্রাপ্য অনুলিপিটি সম্পূর্ণরূপে খেজুরের পাতায় লিখা হয়েছে। কালামুল্লাহ শরীফের এই কপিটি লিখতে খেজুরের পাতা দিয়ে সর্বমোট ৭০টি পৃষ্ঠা বানানোর প্রয়োজন পড়েছে। প্রত্যেক পৃষ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَنْ حَدَّثَ بِحَدِيثٍ وَهُوَ يَرَى أَنَّهُ كَذِبٌ فَهُوَ أَحَدُ الْكَاذِبِينَ
অর্থ: “যে ব্যক্তি পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করে (ছহীহ বিচার-বিশ্লেষণ ছাড়াই) অভিমত পোষণ করে যে, এই হাদীছ শরীফখানা মওজু বা মিথ্যা সে ব্যক্তি মিথ্যাবাদীদের অর্ন্তভুক্ত। (মুসনাদে আহমদ ৪/২৫৫: হাদীছ শরীফ নং ১৮২৬৬, শরহুস সুন্নাহ ১/২৬৬: হাদীছ শরীফ নং ১২৩, মুসনাদে আবু যায়িদ ১/৩০৬: হাদীছ শরীফ নং ২০৬৭, শুয়াবুল ঈমান-মুকাদ্দিমা ১/৮৪, তাফসীরে ইবনে কাছীর ২/৩৬৬)
অ বাকি অংশ পড়ুন...












