SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হাবীবী%' OR titleBn LIKE '%হাবীবী%' OR descriptionEn LIKE '%হাবীবী%' OR descriptionBn LIKE '%হাবীবী%' OR slug LIKE '%হাবীবী%' OR metaTag LIKE '%হাবীবী%' OR metaDescription LIKE '%হাবীবী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম এবং সাইয়্যিদুনা হযরত
ইমামুল আউওয়াল কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাদের সাথে সাক্ষাত:
অতঃপর হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, আগে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিরকা মুবারকটি দিন, তারপর দোয়া করবো। সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র খিরকা মুবারকটি প্রদান করলে হযরত উওয়াইস রহমতুল্লাহি আলাইহি তা গ্রহণ করে বললেন, একটু অপেক্ষা করুন। এই বলে তিনি সিজদায় গিয়ে বললেন, আয় বারে ইলাহী! যেহেতু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্ বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূর আলাইহিস সালাম তিনি প্রকাশ্যে মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করার পর উম্মু আবীহা আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায় দেড় বছর দুনিয়ার যমীনে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র অবস্থান মুবারক করেন। উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিছালী শান মুবারক প্রকাশ সম্পর্কে কিতাবে উল্লেখ রয়েছেন,উম্মু আবীহা, আন নূরুল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খইরু ওয়া আফদ্বলু বানাতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মক্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র আয়াত শরীফ নম্বর-১৩
كُنْتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَلَوْ آمَنَ أَهْلُ الْكِتَابِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمْ مِنْهُمُ الْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ الْفَاسِقُونَ.
অর্থ: তোমরাই সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত। মানবজাতির মধ্য থেকে তোমাদেরকে মনোনীত করা হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ দিবে আর অসৎ কাজ (শরীয়তের খিলাফ কাজ) থেকে নিষেধ করবে। আর মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ঈমান আনবে। (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১১০)
অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার বিশুদ্ধ তাফসীর বা ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ:
(৩৯১)
(كُنْتُمْ) يَا أُمَّة مُحَمَّد বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
তখন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকাল। ভাতা নির্ধারণ হলো সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনাদের সম্মানার্থে। এদিকে বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আব্বাজান আলাইহিস সালাম যিনি ছাহি বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র তায়াম্মুমের বিধান নাযিল:
তায়াম্মুম (تيمم) শব্দটি আরবী। এর শাব্দিক অর্থ ইচ্ছা করা, মনস্থ করা, সংকল্প করা। এর পারিভাষিক অর্থ হলো- পানি পাওয়া না গেলে বা কোন কারণে পানি ব্যবহারে অক্ষম হলে পবিত্র মাটি দ্বারা শরীয়তসম্মত পন্থায় পবিত্রতা অর্জন করাকে তায়াম্মুম বলে। অর্থাৎ মাটি দ্বারা মুখমন্ডল ও উভয় হাত মাসেহ করাকে তায়াম্মুম বলে। (মু’জামুল ওয়াসীত)
পবিত্র তায়াম্মমের বিধান সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খ¦তামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ৫৯তম বৎসর মুবার বাকি অংশ পড়ুন...
আল-ইহসান প্রতিবেদন:
ছাহিবাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, হাবীবাতুল্লাহ, ছাহিবায়ে নেয়ামত, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, কুরবানী কেমন পশু দিয়ে করতে হবে সে বিষয়ে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা কুরবানী করবে মোটা-তাজা পশু দেখে। কারণ এটা (কুরবানীর পশু) পুলসিরাত পারের বাহন হবে।” সুবহান বাকি অংশ পড়ুন...
খারেজি ফিরকার দাবি হচ্ছে পূর্ববর্তী যে কিতাবসমূহে পবিত্র হাদীছে জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বা সর্বপ্রথম পবিত্র নূর মুবারক সৃষ্টি বিষয়ক রেওয়ায়েত রয়েছে তা ভুল করে চলে এসেছে এবং মুছান্নাফে আব্দুর রাজ্জাকে এ ধরনের কোন বর্ণনা ছিলো না। নাঊযুবিল্লাহ! আজকে এ কথারই জবাব দিবো ভুল করে আসেনি বরং অত্যন্ত তাহক্বীক ও নির্ভরতার সাথে উনারা দলীল এনেছেন।
বিখ্যাত মুহাদ্দিছ, ফক্বীহ হযরত ইবনে হাজার হায়তামী রহমতুল্লাহি আলাইহি (ওফাত: ৯৭৪ হিজরী) উনাকে আর নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। উনার ভুবন বিখ্যাত একখানা কিতাবের নাম হচ্ছে “ফতওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইসলাম উনার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে?
জাওয়াব:
ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী ও ইসলাম উনার নামে রাজনীতি তথা গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচনকারী মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে না। পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো ‘রাজারবাগ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’।
পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই বাকি অংশ পড়ুন...
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনি যে অতি-অনুপম
আপনার শানে সবই যে কম
আপনাতে ধন্য সিলসিলা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনি এই কবির কবিতা
আপনি মোর ইশকেরই পিতা
আপনাতে আশিক উজ্বালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
মুহাব্বতের তামাম দাবী
আপনি বিনে বেকার সবি
আপনার পানে ভাসাই ভেলা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনায় যে দেখেছে একবার
হারাম হলো জাহান্নাম তার
আপনাতে নাজাত ফয়সালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
আপনার দ্বারে করি আরজি
চাহি নিছবত চাহি মারজি
দিয়েন আমায় ঝুটা পেয়ালা
হাবীবী শাহযাদা কিবলা
বাকি অংশ পড়ুন...












