নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন প্রত্যেকের জন্য প্রত্যেক আমলের ব্যপারে আদর্শ মুবারক। সর্বক্ষেত্রে উনাকেই অনুসরণ করতে হবে। মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللَّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللَّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ ۗ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ ﴿٣١﴾
অর্থঃ- আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলুন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহাব্বত মুবারক চাও, তবে তোমরা আমাকে (আমার মহাসম্মানিত সুন্নত মুবারক বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عن حضرت السائب بن يزيد رضى الله تعالى عنه قال كُنْتُ قَائِمًا في المَسْجِدِ فَحَصَبَنِي رَجُلٌ، فَنَظَرْتُ فَإِذَا عُمَرُ الفاروق عليه السلام، فَقَالَ: اذْهَبْ فَأْتِنِي بهَذَيْنِ، فَجِئْتُهُ بهِمَا، قَالَ: مَن أنْتُما - أوْ مِن أيْنَ أنْتُمَا؟ - قَالَا: مِن أهْلِ الطَّائِفِ، قَالَ: لو كُنْتُما مِن أهْلِ البَلَدِ لَأَوْجَعْتُكُمَا، تَرْفَعَانِ أصْوَاتَكُما في مَسْجِدِ رَسولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عليه وسلَّمَ.
অর্থ: হযরত সায়িব ইবনে ইয়াযীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, একদা আমি মসজিদে দাঁড়ানো অবস্থায় ছিলাম, এমন সময় এক ব্যক্তি আমার প্রতি একটি কঙ্কর নিক্ষেপ করলে আমি তাকিয়ে দেখি, তিন বাকি অংশ পড়ুন...
এবং এরপর কি হবে? এরা কি?
مَلْعُونِينَ
এরা লা’নতগ্রস্ত। নাউযুবিল্লাহ!
أَيْنَمَا ثُقِفُوا أُخِذُوا وَقُتِّلُوا تَقْتِيلاً
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি এদের মৃত্যুদ- দিয়ে দিয়েছেন। এখানে মৃত্যুদ- দিয়ে দেয়া হলো। কি দেয়া হলো?
مَلْعُونِينَ
এরা লা’নতগ্রস্ত।
أَيْنَمَا ثُقِفُوا أُخِذُوا
যেখানে পাবেন এদেরকে পাকড়াও করবেন।
وَقُتِّلُوا تَقْتِيلاً
এবং টুকরা টুকরা করে এগুলিরে মৃত্যুদ- দিবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ফায়ছালা দিয়ে দিয়েছেন।
مَلْعُونِينَ
এরা লা’নতগ্র বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মতের প্রতি আবাদুল আবাদ বা অনন্তকাল যাবৎ কুরবানী করার আদেশ মুবারক
২য় দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشِ بْنِ الْـحَارِثِ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ قَالَ كَانَ اِمَامُ الْاَوَّلِ سَيِّدُنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ يُضَحِّىْ بِكَـبْشٍ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَبِكَـبْشٍ عَنْ نَّـفْسِهٖ قُـلْنَا لَهٗ يَا اَمِيْـرَ الْمُؤْمِنِيْـنَ تُضَحِّىْ عَنْ رَّسُوْلِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ اِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَمَرَنِـىْ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ اَبَدًا فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا
“বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হান বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, হযরত জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল বাকি অংশ পড়ুন...
যারা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পবিত্র কুরবানী করবে না তাদের সম্পর্কে হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে কঠিন সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে। যেমন- হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন, عَنْ حَضْرَتْ أَبِـيْ هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى الله عَليْهِ وسَلَّمَ قَالَ مَنْ كَانَ لَهُ سَعَةٌ وَلَمْ يُضَحِّ فَلاَ يَقْرَبَنَّ مُصَلاَّنَا অর্থ: হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন,) নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তির সামর্থ্য আছে এরপরও সে পবিত্র কুরবানী করলো না, বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুদরত মুবারক উনার কাইফিয়্যাত মুবারক সম্পর্কে কল্পনাতীত বেমেছাল খোদায়ী ইলিম মুবারক বিতরণ:
মহান আল্লাহ পাক তিনি আছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি কোনো কিছুর মুহ্তাজ না। কিছু নেই। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি যাহির হলেন। যেটা আমরা পবিত্র নূরুল ইযহার মুবারক বলি। মহান আল্লাহ পাক তিনি মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন,
لَوْلَاكَ مَا اَظْهَرْتُ الرُّبُوْبِيَّةَ
“আমার মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব ও মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহ বাকি অংশ পড়ুন...
উম্মতের প্রতি আবাদুল আবাদ বা অনন্তকাল যাবৎ কুরবানী করার আদেশ মুবারক
১ম দলীল
মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছেন-
عَنْ حَضْرَتْ حَنَشٍ رَحْـمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ اِمَامِ الْاَوَّلِ سَيِّدِنَا حَضْرَتْ كَرَّمَ اللهُ وَجْهَهٗ عَلَيْهِ السَّلَامُ قَالَ اَمَرَنِـىْ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَنْ اُضَحِّىَ عَنْهُ فَاَنَا اُضَحِّىْ عَنْهُ اَبَدًا
“বিশিষ্ট তাবিয়ী হযরত হানাশ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমামুল আউওয়াল সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
“আল আয়িম্মাতু মিন কুরাইশ” এবং “তা‘য়াল্লামুল ফারায়িদ্বা ওয়া আল্লিমূহা ফাইন্নাহা নিছফুল ইলম” হাদীছ শরীফ দুখানা জনৈক ব্যক্তি বানোয়াট মনে করে অস্বীকার করে থাকে। এ বিষয়ে সঠিক জাওয়াব কি হবে?
জাওয়াব: (২য় অংশ)
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার আরো প্রকারভেদ রয়েছে। যেমন- মারফু, মাওকুফ, মাকতু, মুত্তাসিল, মুনকাতি, মুরসাল, মুআল্লাক, মুদাল্লাস, মুদ্বতারাব, মুদরাজ, ছহীহ, হাসান, দ্বয়ীফ, মাওদূ, মাতরূক, মুবহাম, গরীব, আযীয, মাশহূর, মুতাওয়াতির ইত্যাদি। এ সমুদয় প্রকারভেদ রাবী বা বর্ণনাকারীর বর্ণনার উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ বাকি অংশ পড়ুন...












