SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%হাকীকতে%' OR titleBn LIKE '%হাকীকতে%' OR descriptionEn LIKE '%হাকীকতে%' OR descriptionBn LIKE '%হাকীকতে%' OR slug LIKE '%হাকীকতে%' OR metaTag LIKE '%হাকীকতে%' OR metaDescription LIKE '%হাকীকতে%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
ওরে ও মু’মিন, জাগো সমীচীন,
দাওরে তালাক, তাগুতী অধীন।
নও পরাধীন, আজাদ সীমাহীন,
আছি অনন্ত জাগ্রত বলসিন ॥
ওই রাশেদা সূর্যের হয় না পতন,
শুধুই পরেছে মেঘি আস্তরণ।
সেই সূর্য বিকাশ রাখতে উদয়ন,
মেঘের পর্দা করছিরে নিশ্চীন ॥
রই না ঘুমায়ে খামোখা আর,
করি প্রতিহত বাতিলি মার।
ভুলেও কাফেরের ধারিনা ধার,
রই, প্রজন্মতর সচ্ছতে সাদিকীন ॥
মোরা প্রথম প্রভাতে, লই শপথ,
করি শানায়িত জোশ নিয়ত,
করি তাগুত নাশতে দস্তখত।
ওই ইলাহি রাহেই রহি বিলীন ॥
জাহিলি ললাটে মারি মুগুর,
আমরা ভাসাবো ভয় মাজুর,
করি আমরা বুভুক্ষু হিংস্র চুর।
বাধার প্রাচীর, ডিঙিছি সুচিন ॥
ওই বাকি অংশ পড়ুন...
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হাযির নাযির শান মুবারক নিয়ে বাতিল ফিরক্বার লোকেরা আপত্তি করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ তাদের এ কথাটিই জানা নেই যে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ছোহবত মুবারক লাভ করে একজন ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চোখের সামনেই মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টি জগৎ প্রকাশিত। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنِ الْحَارِث বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ভারতের দেওবন্দ মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা কাশিম নানুতুবীর লিখিত ‘তাহযীরুন নাস” কিতাবের ২৫ পৃষ্ঠায় লিখিত আছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আগে বা সর্বশেষে আসার মধ্যে কোন ফযীলত নেই। উনার পরে যদি এক হাজার নবীরও আগমন মেনে নেয়া হয় তাতেও উনার খতমে নবুওয়াতের কোনরূপ বেশ-কম হবে না। নাউযুবিল্লাহ!
উক্ত বক্তব্য শরীয়তসম্মত হয়েছে কিনা, দলীলসহ জানতে চাই।
জাওয়াব: (২য় অংশ)
ছহীহ বুখারী শরীফ ও ছহীহ মুসলিম শরীফ কিতাবদ্বয়ের মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে, হযরত জুবাইর ইবনে মুতয়িম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বাকি অংশ পড়ুন...
মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই পবিত্র রিযামন্দি-সন্তুষ্টি, মুহব্বত-মা’রিফাত মুবারক হাছিলের একমাত্র উছীলা। উনাদের মুবারক উছীলা বা মধ্যস্থতা ব্যতীত কস্মিনকালেও কোন নিয়ামত মুবারক হাছিল করা সম্ভব নয়। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَةْ جَعْفَرَ الصَّادِقِ عَلَيْهِ السَّلَامُ اَنَّهُ قَالَ نَـحْنُ اٰلُ بَيْتِ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَنَـحْنُ الْوَسِيلَةُ اِلَى اللهِ وَلَا وَسِيلَةَ اِلَى اللهِ اِلَّا عَنْ غَيْرِ طَرِيقِنَا اَوْ مِنْ سِوَانَا
অর্থ: ইমামুস সাদিস মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া বাকি অংশ পড়ুন...
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘গরতু খাহী হাম নশীনী বা খোদা, গো নশীনী দর হুজুরে আউলিয়া’
অর্থাৎ তুমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার সাথে বসতে চাও, তাহলে হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের দরবারে বসো।
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘চশমে রওশন কুঞ্জে খাকে আউলিয়া, তাববিনী এবতেদা তা এন্তেহা’
অর্থাৎ হযরত আউলিয়ায়ে কিরামের পদধুলি দ্বারা তোমার চক্ষু উজ্জল করো, তাহলে শুরু হতে শেষ পর্যন্ত দেখতে পাবে। সুবহানাল্লাহ!
কিতাবে আরো বর্ণিত রয়েছে-
‘আঁ নাকে খাকরা বনজর কিমিয়া কুনন্দ, আয়া বুয়াদ কেহ গোশায়ে চশম বমাকুনন্দ’
অর্থাৎ যারা দৃষ্টি দ্বারা মাটিকে স্বর্ণ করেন, কতইনা উঠবাকি অংশ পড়ুন...
সাধারনতঃ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ এবং উনাদের আলোকে পবিত্র ইজমা শরীফ এবং পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ সংক্রান্ত ইলিম অর্জনকারী ও আমলকারী ব্যক্তিকে আলিম বলা হয়। কিন্তু অত্যন্ত আফসুসের বিষয় যে, উক্ত আলিম নামধারী ব্যক্তিরা পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার অর্থ ও মর্ম উপলব্ধি করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। নাউযুবিল্লাহ!
উম্মুল কুরআন এবং ফাতিহাতুল কিতাব পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি নিয়ামতপ্রাপ্ত বান্দা- নবী, ছিদ্দীক্ব, শহীদ ও ছলেহ উনাদের প্রদর্শিত বা অনুসৃত পথে চলার জন্য বà বাকি অংশ পড়ুন...












