SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সুন্নতী%' OR titleBn LIKE '%সুন্নতী%' OR descriptionEn LIKE '%সুন্নতী%' OR descriptionBn LIKE '%সুন্নতী%' OR slug LIKE '%সুন্নতী%' OR metaTag LIKE '%সুন্নতী%' OR metaDescription LIKE '%সুন্নতী%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, একদিন তিনজন হযরত ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা আসলেন এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আমল (ইবাদত) মুবারক সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। উনাদেরকে যখন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আমল (ইবাদত) মুবারক সম্পর্কে সংবাদ দেয়া হলো, তখন উনারা নিজেদের আমলগুলো কম মনে করলেন এবং বললেন, মহান আল্লাহ পাক তিনিতো উনার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব, নূরে বাকি অংশ পড়ুন...
বাল্যকাল:
হযরত সাইয়্যিদ আহমদ শহীদ বেরেলবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বাল্য বয়স থেকেই নির্জনতা অবলম্বন করতেন এবং কাফির মুশরিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ করার চিন্তা-ভাবনা করতেন। উনার শৈশবকাল মুবারক সম্পর্কে “সাওয়ানেহ আহমদী” নামক কিতাবে তিনি নিজেই বলেন, বাল্যকাল হতেই আমার মনে এই ধারণা বা ভাব উদয় হতো যে, একদিন আমি কাফিরদের বিরুদ্ধে জিহাদ করবো। তাই শৈশবেই দেখা যায় তিনি উনার সঙ্গী-সাথীদের দুই দলে বিভক্ত করে দু’টি পরস্পর সৈন্যবাহিনী দাঁড় করিয়ে দিতেন। একটি দলের আমির হয়ে তিনি উনার নাম দিতেন “মুজাহিদে ইসলাম” অন্য দলটির নাম দেওয়া হতো “কাফির বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের দিবস ভালো না লাগলেও অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে অমঙ্গল যাত্রাসহ সকল পূজা, খৃস্টীয় দিবস, বৌদ্ধদের পক্ষে নাস্তিক, ইসলামবিদ্বেষি, চুশিল, প্রগতিশীল মিডিয়া একাট্টা। বিজাতীয় কালচার পালন করতে খুবই উদগ্রীব তারা। পবিত্র কুরবানিতে এদের কষ্ট হলেও দুর্গা পূজার বিকৃত ও হিংস্র চেহারা দেখলে এদের কষ্ট হয়না। তাদের কাছে অসাম্প্রদায়িকতা মানেই বিজাতীয় কালচার পালন করা। মুসলমানদের কালচার তাদের কাছে সাম্প্রদায়িকতা! নাউযুবিল্লাহ। মুসলমানগণ শরীয়ত উনার কথা বলতে গেলেই তারা বিভিন্ন চেতনার দোহাই দেয়।
অথচ ইসলামী শরীয়ত উনার কথা বলা প্ বাকি অংশ পড়ুন...
লেবাস-পোশাক, কথা-বার্তা, আকার-আকৃতিতে পুরুষের সাদৃশ্যতা অবলম্বনকারী মহিলারা অভিশপ্ত:
মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে-
عَن حَضْرَتْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ عَنْ سَيِّدَتنَا حَضْرَتْ اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ قَالَتْ رَأَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ امْرَأَةً عَلَيْهَا نَعْلٌ فَلَعَنَ الرَّجُلَةَ مِنَ النِّسَاءِ-
অর্থ: হযরত আবূ মুলাইকা রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক বাকি অংশ পড়ুন...
আম্বর (اَلْعَنْبَرُ) বৃহদাকার সামুদ্রিক মাছঃ
এ সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ جَابِرٍ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ قَالَ بَعَثَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَمَّرَ عَلَيْنَا أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ الْجَرَّاحِ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ نَتَلَقَّى عِيرًا لِقُرَيْشٍ وَزَوَّدَنَا جِرَابًا مِنْ تَمْرٍ لَمْ نَجِدْ لَهُ غَيْرَهُ فَكَانَ أَبُو عُبَيْدَةَ رَضِيَ اللهُ تَعَالَى عَنْهُ يُعْطِينَا تَمْرَةً تَمْرَةً كُنَّا نَمُصُّهَا كَمَا يَمُصُّ الصَّبِيُّ ثُمَّ نَشْرَبُ عَلَيْهَا مِنَ الْمَاءِ فَتَكْفِينَا يَوْمَنَا إِلَى اللَّيْلِ وَكُنَّا نَضْرِبُ بِعِصِيِّنَا الْخَبَطَ ثُمَّ نَبُلُّهُ بِالْمَاءِ فَنَأْكُلُهُ وَانْطَل বাকি অংশ পড়ুন...
মাছ (سَمَك) সামাক/ সামুদ্রিক মাছ (حُوْت) হূত:
মহান আল্লাহ পাক তিনি মাছ সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন-
وَمَا يَسْتَوِي الْبَحْرَانِ هٰذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهٗ وَهٰذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ ۖ وَمِن كُلٍّ تَأْكُلُونَ لَحْمًا طَرِيًّا وَتَسْتَخْرِجُونَ حِلْيَةً تَلْبَسُونَهَا.
অর্থ: “দু’টি সমুদ্র সমান হয় না, একটি মিঠা ও তৃষ্ণা নিবারক এবং অপরটি লোনা। উভয়টি থেকেই তোমরা তাজা গোশ্ত (মাছ) আহার করো এবং পরিধানে ব্যবহার্য অলঙ্কার আহরণ করো।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: সম্মানিত ও পবিত্র আয়াত শরীফ -১২)
মহান আল্লাহ পাক তিনি মাছ সম্পর্কে আরো ইরশাদ মুবারক করেন-
وَهُوَ الَّذِي سَخَّرَ الْبَحْرَ لِتَأ বাকি অংশ পড়ুন...
“মুয়াত্তা ইমাম মালিক” কিতাবের ২৩ পৃষ্ঠার ৪ নং হাশিয়ায় উল্লেখ আছে,
قوله صلى الله عليه وسلم فقولوا مثل ما يقول اى وجوبا عند حَضْرَتْ ابى حنيفة رَحْمَةُ اللهِ عَلَيْهِ وندبا عند الشافعى.
অর্থাৎ, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন, যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যেরূপ বলে তোমরাও অনুরূপ বল। অর্থাৎ এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ভিত্তিতে আমাদের হানাফী মাযহাবের ইমাম, ইমামে আ’যম আবূ হানীফা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার নিকট মৌখিকভাবে আযানের জাওয়াব দেয়া ওয়াজিব। আর শাফিয়ী মাযহাবে মুস্তাহাব।
পবিত্র আযান উনার জা বাকি অংশ পড়ুন...
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
قُلْ إِنْ كُنْتُمْ تُحِبُّوْنَ اللهَ فَاتَّبِعُوْنِي يُحْبِبْكُمُ اللهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوْبَكُمْ وَاللهُ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ.
অর্থ: “আয় আমার মহাসম্মানিত হাবীব ও মাহবূব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, যদি তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো বা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত হাছিল করতে চাও, তবে তোমরা আমার অনুসরণ করো। তাহলে মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদেরকে মুহব্বত করবেন এবং তোমাদের গুনাহখাতা ক্ষমা করে দিবেন। আর মহান আল্লাহ পাক তিনি অত্যধিক ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ: বাকি অংশ পড়ুন...
তিনি কেমন লোক ছিলেন? সে কাজিউল কুজাত বলতেছেন,
وَكَانَ يَلْبَسُ الصُّوفَ،
তিনি ছূফী লোক ছিলেন। (তিনি সুন্নতী লিবাস মুবারক পড়তেন।)
وَيَأْمُرُ بِالْمَعْرُوفِ، وَيَنْهَى عَنِ الْمُنْكَرِ،
তিনি সবসময় সৎ কাজের আদেশ করতেন, বদ কাজের নিষেধ করতেন। এবং
وَيُوَجِّهُ فِي كُلِّ سَنَةٍ بِعِشْرِينَ أَلْفَ دِينَارٍ إِلٰى مَدِينَةِ السَّلَامِ
প্রতি বৎসর তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালামে পাঠাতেন। কেন?
تُفَرَّقُ عَلٰى صَغَائِرِ وَلَدِ الصَّحَابَةِ،
তিনি বিশ হাজার স্বর্ণ মুদ্রা, বিশ হাজার দিনার পাঠাতেন প্রতি বছর। এখন মহাসম্মানিত মদীনাতুস সালাম নিয়ে ইখতিলাফ। যাই হোক মহাসম্মানিত মদ বাকি অংশ পড়ুন...
মাথার চুলে বেণী বাঁধা সুন্নত:
মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-
عَنْ سَيِّدَتنَا حَضْرَت اُمّ الْمُؤْمِنِيْنَ الثَّالِثَةِ الصِّدِّيْقَةِ عَلَيْهَا السَّلَامُ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَهَا وَكَانَتْ حَائِضًا انْقُضِي شَعْرَكِ وَاغْتَسِلِي-
অর্থ: সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বাহ আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত: উনার পবিত্র ইহরাম অবস্থায় উনার নূরুশ শানিশ শাহরিয়া মুবারক (মাসিক স্বাভাবিক মাজুরতা) শুরু হলে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উনাকে মাথার চুলের বেণী খু বাকি অংশ পড়ুন...












