SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%সালাম”%' OR titleBn LIKE '%সালাম”%' OR descriptionEn LIKE '%সালাম”%' OR descriptionBn LIKE '%সালাম”%' OR slug LIKE '%সালাম”%' OR metaTag LIKE '%সালাম”%' OR metaDescription LIKE '%সালাম”%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
১৯৬৫ সালের আগষ্ট মাসে ভারত-পাকিস্তান উভয়েই বুঝতে পারলো একটা যুদ্ধ অনিবার্য। যুদ্ধ কৌশল হিসাবে পাকিস্তান কাশ্মীরের শ্রীনগর অভিমুখে তার সেনাবাহিনী পাঠাতে থাকে। সেনাবাহিনীর কনভয়ের প্রথমে থাকে পাকিস্তানের তৎকালীন দুর্ধর্ষ পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, তারপর বালুচ রেজিমেন্ট, ফ্রন্টিয়ার ফোর্স এবং সবশেষে থাকে তৎকালীন বেঙ্গল রেজিমেন্ট যা মূলতঃ পূর্ব বাংলার সেনাসদস্য দ্বারা গঠিত।
ওদিকে ভারত তার বাহিনী শ্রীনগরে না পাঠিয়ে শিয়ালকোটের অরক্ষিত খেমকারান দিয়ে পাকিস্তানের লাহোর অভিমুখে মার্চ করায়। ওই মুহূর্তে শিয়ালকোট ছিলো পুরোই অরক্ষি বাকি অংশ পড়ুন...
হাত বাঁধায় পার্থক্য:
পুরুষরা তাকবীরে তাহরিমার পর নাভীর নীচে হাত বাঁধবে, আর নদারীরা বুকের উপর হাত বাঁধবে।
হযরত আসিম আহওয়াল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ‘আমি হাফছাহ বিনতে সিরীন রহমতুল্লাহি আলাইহা উনাকে নামাযের তাকবীর দিতে দেখেছি। এবং তিনি বুকের উপর হাত রাখার প্রতি ইঙ্গিত করলেন। ’ (মুছান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীছ শরীফ: ২৪৭৫)
হযরত ইবনে জুরাইজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, ‘আমি হযরত আতা রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, “নারীরা তাকবীরের সময় পুরুষদের মতো হাত কি উঠাবেন?”
উত্তরে তিনি বলেন, নারীরা পুরুষদের মতো হাত উঠাবেন ন বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে, মাথার তালু হতে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত সব অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করা।
যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ ইত্তেবা করতে পারবেন উনারাই মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
কামালত মুবারক (১)
ভারত উপমহাদেশে বিলায়েত লাভের জন্য সুলতানুল হিন্দ, হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার অনুমোদন প্রয়োজন। উনার অনুমোদন বা সত্যায়ন ব্যতীত কেউ ওলীআল্লাহ হতে পারে না। এ অনুমোদন বা সত্যায়ন, মাযার শরীফের গিলাফ কিংবা টুপি অথবা পাগড়ী অথবা অন্যকোন জিনিস হাদীয়া মুবারক দানের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে।
মুজাদ্দিদে আ’যম, সাইয়্যিদুনা হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার ক্ষেত্রে বিষয়টি বিপরীত। সুলত্বানুল হিন্দ, হযরত গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি স্বয়ং নিজেই উনার জন্য হাদিয়া মুবারক পাঠিয়েছেন। সুবহানাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার সম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে, মাথার তালু হতে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত সব অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করা।
যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ ইত্তেবা করতে পারবেন উনারাই মহান আল্ বাকি অংশ পড়ুন...
আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বারোজন ইমামের মাঝে হযরত ইমাম মুহম্মদ তক্বী আলাইহিস সালাম তিনি ছিলেন নবম, তাই উনাকে হযরত ইমামুত তাসি’ আলাইহিস সালাম বলা হয়। সকলের মাঝে তিনি হযরত ইমাম মুহম্মদ জাওয়াদ আলাইহিস সালাম হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। তবে উনার আসল নাম সাইয়্যিদুনা হযরত মুহম্মদ আলাইহিস সালাম।
একদিন, তিনি বাগদাদের এক গলিতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন কিছু বালক সেখানে খেলাধূলা করছিল। হঠাৎ তৎকালীন খলীফা মামূনুর রশীদ সে পথ দিয়ে গমন করলো, তখন সকল বালকরা (মামূনুর রশীদকে দেখে ভয়ে পথ ছেড়ে) পালিয়ে গেলো। কিন্তু হযরত ইমামুত তাসি’ আলাইহিস সা বাকি অংশ পড়ুন...
আল্লামা ইবনে সা'দ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত জয়নব বিনতে আহমাসিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহা উনাকে মহিলা তাবেয়ী উনাদের মধ্যে গণ্য করেছেন। আল্লামা ইবনে সা'দ রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হযরত জয়নব বিনতে মুহাজির আহমাসিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহা হতে এই রেওয়ায়েত নকল করেছেন যে, তিনি বলেন, “একবার আমি (হযরত জয়নব বিনতে মুহাজির আহমাসিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহা) হযরত আবু বকর ছিদ্দীক আলাইহিস সালাম উনার শাসনামলে এক মহিলার সঙ্গে হজ্বের উদ্দেশে মক্কা শরীফ গমন করলাম। সেখানে এক তাঁবু স্থাপনের পর এতে অবস্থান করে আমি এরূপ প্রতিজ্ঞা করলাম যে, আমি কারো সঙ্গে কোন বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল অনন্তকালব্যাপী জারি এবং উনার কার্যক্রম :>>>>>>বাংলাদেশসহ অনেক মুসলিম দেশে পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ পালিত হয় অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে। অবশ্য অনেক তথকথিত মুসলিম দেশ এই সুমহান দিনের মর্যাদা বুঝতে অক্ষম থাকায় তারা এই বিশেষ দিন পালন করার নিয়ামত অর্জনে ব্যর্থ হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! একটি বিষয় দিবালোকের মতো স্পষ্ট যে- “পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ” পালন আসলে অন্তরের পরিশুদ্ধতা ও আক্বীদার বিশুদ্ধতার উপর নির্ভরশীল। চাইলেই কেউ এ মহিমান্বিত অনুষ্ঠান পালন করতে পারে না এবং পারবে না। কো বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক। সুবহানাল্লাহ!
প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ মহিলা উনাদের জন্য দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে যে, মাথার তালু হতে পায়ের তলা, হায়াত থেকে মউত সব অবস্থায় নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ-অনুকরণ করা।
যারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরিপূর্ণ ইত্তেবা করতে পারবেন উনারাই মহান আল্লাহ পাক উন বাকি অংশ পড়ুন...
বনু কুরায়যাকে শাস্তিদানের ব্যাপারে রায় দানকারী ছাহাবী হযরত সা‘দ ইবনে মুয়ায রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সংক্ষিপ্ত জীবনী মুবারক:
পূর্বে আলোচিত বিষয়গুলো পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝেও বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে-
عَنْ حضرت ام المؤمنين الصديقة الثالثة عليها السلام قَالَتْ أُصِيْبَ حضرت سَعْدٌ رضى الله تعالى عنه يَوْمَ الْخَنْدَقِ رَمَاهُ رَجُلٌ مِنْ قُرَيْشٍ يُقَالُ لَهُ حِبَّانُ بْنُ الْعَرِقَةِ وَهُوَ حِبَّانُ بْنُ قَيْسٍ مِنْ بَنِيْ مَعِيْصِ بْنِ عَامِرِ بْنِ لُؤَيٍّ رَمَاهُ فِي الْأَكْحَلِ فَضَرَبَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَيْمَةً فِي الْمَسْجِدِ لِيَعُوْدَهُ مِنْ قَرِيْبٍ فَلَمَّا رَجَعَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ الْخَنْدَقِ وَضَعَ السِ বাকি অংশ পড়ুন...












