SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শুদ্ধ%' OR titleBn LIKE '%শুদ্ধ%' OR descriptionEn LIKE '%শুদ্ধ%' OR descriptionBn LIKE '%শুদ্ধ%' OR slug LIKE '%শুদ্ধ%' OR metaTag LIKE '%শুদ্ধ%' OR metaDescription LIKE '%শুদ্ধ%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত কিতাব মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ উনার ১৫নং মহা বাকি অংশ পড়ুন...
কিন্তু উনার অজুদ মুবারক বা যেটা মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অস্তিত্ব মুবারক, সেটা উপলক্ষে যে মজলিস করা হয়ে থাকে, মাহফিল করা হয়ে থাকে সেটা হচ্ছে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি মুবারক প্রকাশ করে যে মাহফিলের ব্যবস্থা করা হয় সেটাই ঈদে মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেটা সীরাতুন্ নবী বা অন্য কোন নাম দেয়া কখনও শুদ্ধ হবে না। কারণ সেটা দিয়ে মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূ বাকি অংশ পড়ুন...
আজকের ওয়াজ আখিরী নবী, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন্ নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ বা নূরুত তাশরীফ মুবারক সম্পর্কে অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ সম্পর্কে। মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার মহাসম্মানিত হাবীব, আখিরী নবী, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যে মর্যাদা-মর্তবা দিয়েছেন, ফযীলত দিয়েছেন, বুযূর্গী দিয়েছেন, কালামুল্লাহ শরীফে সেটা বর্ণনা করেছেন। আর স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, হ বাকি অংশ পড়ুন...
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,
قَوْلًا كَرِيمًا
পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল হয়ে গেছে। একজন সাধারন বাবা- মা তার সাথে সম্মান জনক কথা বলো।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
তোমরা বাবা- মাকে উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
فَلَا تَقُل لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا
উফ বলো না, উফ বলার সুযোগ দিও না। তোমরা এমন কথা বলো না যাতে বাবা-মা ধমক দিতে পারেন। অথবা তুমি ধমক দিয়ে কথা বলো না।
قَوْلًا كَرِيمًا
এবং সম্মানজনক কথা বলো
وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّ বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মু’মিনদের প্রতি মহান আল্লাহ পাক উনার ইহসান মুবারক যে, তিনি তাদের জন্য মহাসম্মানিত রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে প্রেরণ কর বাকি অংশ পড়ুন...
তাহলে আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমি উনার নাম মুবারক উনার মধ্যে, উনার সম্মানার্থে, উনাকে মহব্বত মুবারক করে এই বুছা মুবারক দিলাম। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! সে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা চুম্বন মুবারক দিয়েছিল। নাম মুবারকে একটা বুছা মুবারক দিয়েছিল। দুরূদ শরীফ পাঠের সময় আযানে যে চোখে বুছা দেয়া হয়, সে সরাসরি বুছা মুবারক দিয়েছিল, একটা। একটা মাত্র। সে বলেছিল, আমি উনাকে কোথায় পাবো? আমিতো গ্রাম-গঞ্জে থাকি। উনি কোথায় আসবেন, কবে আসবেন? আমি জানি না। উনার অনেক ছানা-ছিফত মুবারক, অনেক সম্মান মুবারক, অনেক ফযীলত মু বাকি অংশ পড়ুন...
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلٰى يَوْمِ الدِّينِ
হে ইবলিস! তোর জন্য অনন্তকালের জন্য লা’নত। নাউযুবিল্লাহ! বিষয়টা কি হলো, আক্বীদা ক্রটি থাকার কারণে তার সব বরবাদ হলো এই ইবলিসের। তাহলে একটা মানুষের যদি আক্বীদা অশুদ্ধ থাকে সে কোথায় যাবে? জাহান্নামে যাবে। আর আক্বীদা যদি শুদ্ধ থাকে আমলে ক্রটি থাকেও একসময় সে শাস্তি ভোগ করলেও সে নাজাত লাভ করবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! এরও হাজার মেছাল। আমরা একটা মেছাল দিয়ে থাকি তা হলো, বনী ইসরাইলের একটা লোক হযরত কালীমুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার যামানায়। সে দু’শত বছর হায়াত পেয়েছিল ক বাকি অংশ পড়ুন...
২. শর্তবিহীন হীলাহ্। যা জায়েয, শরীয়তসম্মত ও ফযীলতের কারণ। শরীয়তের পরিভাষায়, কোন মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার জন্য তার তালাক প্রাপ্তা আহলিয়াকে (স্ত্রী) শর্ত-শারায়েত ব্যতীত বিবাহ করতঃ ঘরÑসংসার করে তথা একান্ত নির্জনবাসের পর তালাক্ব দেয়, তাকে হীলাহ্ বিবাহ বলা হয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
فَاِنْ طَلَّقَهَا فَلَا تَحِلُّ لَه مِنْ بَعْدُ حَتّٰى تَنْكِحَ زَوْجًا غَيْرَهُ
অর্থ: অতঃপর যদি সে তার আহলিয়াকে (স্ত্রী) তিন তালাক্ব দেয়, তবে সে আহলিয়া (স্ত্রী) যে পর্যন্ত না তাকে ছাড়া অপর কোন আহাল বা স্বামীর সাথে বিবাহ বসবে, সে পর্যন্ত তার জন্য হালাল হবে না। (পব বাকি অংশ পড়ুন...












