SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%শতাব্দীর%' OR titleBn LIKE '%শতাব্দীর%' OR descriptionEn LIKE '%শতাব্দীর%' OR descriptionBn LIKE '%শতাব্দীর%' OR slug LIKE '%শতাব্দীর%' OR metaTag LIKE '%শতাব্দীর%' OR metaDescription LIKE '%শতাব্দীর%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস সতর্ক করে বলেছে, পর পর দুটি ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
তবে এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬৪ জন নিহত এবং ৯৭১ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট।
সর্বশেষ এই পরিসংখ্যান আগের ঘোষিত ৩২ জন নিহত ও ৭০০ জন আহতের সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি।
উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্ বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইলমে গাইব হাদিয়া মুবারক করেছেন। উনার পরবর্তী সময়ে উম্মতের মধ্যে কী কী ঘটবে, কে কী করবে, সব তিনি জানেন। এর বিপরীত ধারণা করা সুস্পষ্ট গোমরাহী।
দশম হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ ছিলেন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। তিনি মুজাদ্দিদ উনাদের আগমন সম্পর্কে একটি কিতাব রচনা করেন, যার নাম التنبئة بمن يبعثه الله على رأس كل مائة। উক্ত কিতাব প্রতি হিজরী শতকের শুরুতে মুজাদ্দিদ উনাদের আগমন সর্ম্পকে তিনি আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন, বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সমুদ্র অঞ্চলকে কেবল একটি ভৌগোলিক সীমা নয়; এটি দেশের অর্থনৈতিক শক্তি, সার্বভৌমত্ব এবং ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীর বৈশি^ক বাস্তবতায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বাণিজ্যিক সংযোগ, জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জাতীয় কৌশলগত সক্ষমতার অন্যতম প্রধান ভিত্তি হচ্ছে এই সমুদ্র সীমানা।
এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ অঞ্চলে বি বাকি অংশ পড়ুন...
(একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। অসমাপ্ত অংশ)
৩. অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল রাইফেল ও অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল :
সীমান্ত সংঘাত অনেক সময় কেবল হালকা অস্ত্রের লড়াইয়ে সীমাবদ্ধ থাকে না। শত্রুপক্ষের সাঁজোয়া যান বা লজিস্টিকস সাপোর্টকে দূর থেকেই অচল করে দেওয়ার সক্ষমতা থাকা জরুরি।
কৌশল: বিজিবি-র প্রতিটি স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টে ¯œাইপার টিমের পাশাপাশি ‘অ্যান্টি-ম্যাটেরিয়াল রাইফেল’ টিম মোতায়েন করা দরকার, যা সীমান্ত সংঘাতের সময় শত্রুপক্ষের টহল যান বা হালকা সাঁজোয়া গাড়িগুলোকে বাকি অংশ পড়ুন...
* প্রতিরক্ষার ডিজিটাল বর্ম: ৫০ লক্ষ বাহিনীর একক কমান্ড ও সামরিক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্কের অপরিহার্য রোডম্যাপ :
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বিজয়ের প্রধান শর্ত কেবল সৈন্যসংখ্যা বা ভারী যুদ্ধাস্ত্র নয়; বরং যুদ্ধক্ষেত্রের আসল নিয়ন্ত্রণ লুকিয়ে থাকে তথ্যপ্রযুক্তির শ্রেষ্ঠত্ব এবং নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার বা তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর যুদ্ধকৌশলের এই যুগে যেকোনো বাহিনীর জন্য ‘লজিস্টিকস ও কমিউনিকেশন’ হলো মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বিশেষ করে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি বিশাল বাহিনীকে একক বাকি অংশ পড়ুন...
একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যূহ হলো তার সীমান্ত। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সমীকরণের পরিবর্তনের কারণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে কেবল একটি গতানুগতিক সীমান্ত পাহারা দেওয়া আধা-সামরিক বাহিনী হিসেবে রেখে দেওয়ার আর সুযোগ নেই। সীমান্ত অপরাধ দমন, অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং যেকোনো ধরণের বাহ্যিক উস্কানি বা আগ্রাসনের মুখে তাৎক্ষণিক ও কঠোর জবাব দিতে বিজিবি-কে একটি ক্ষিপ্র, আধুনিক এবং উচ্চ-প্রযুক্তিগত ক্ষমতা সম্পন্ন ‘স্ট্রাইকফোর্সে’ রূপান্তর করা এখন সময়ের দাব বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের কৌশলগত মানচিত্র আমূল বদলে গেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ দথেকে শুরু করে মধ্যপ্রাচ্য কিংবা ককেশাস অঞ্চলের সাম্প্রতিক সংঘাতগুলো প্রমাণ করেছে যে, প্রথাগত ভারী এবং ব্যয়বহুল সামরিক হার্ডওয়্যারের চেয়ে সাশ্রয়ী, নিখুঁত ও প্রযুক্তি-নির্ভর ‘লয়টারিং মিউনিশন’ এবং ‘আত্মঘাতি ড্রোন’ বা কামিকাজে ড্রোন এখন যুদ্ধ জয়ের প্রধান চালিকাশক্তি। বিশেষ করে নদীমাতৃক এবং ঘনবসতিপূর্ণ ভূপ্রকৃতির বাংলাদেশে যেকোনো সম্ভাব্য বহিঃশত্রুর আগ্রাসন নস্যাৎ করতে এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি অজেয় শক্তিতে রূপান্তর করতে ড্রোন বাকি অংশ পড়ুন...
আবহমানকাল থেকে আমাদের গ্রাম-বাংলার অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারে আভিজাত্যের প্রতীক ছিল বাড়ির বাহির আঙিনার কাচারি ঘর। কাচারি ঘর ছিল গ্রাম-বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির একটি অংশ। আমাদের গ্রামীণ জনপদের অবস্থা সম্পন্ন অধিকাংশ গৃহস্থের বাড়িতেই ছিল কাচারিঘর। গেস্টরুম কিংবা ড্রয়িং রুমের আদি ভার্সন কাচারি ঘর এখন আর গ্রামীণ জনপদে দেখা যায় না বললেই চলে।
মূল বাড়ির একটু বাইরে আলাদা খোলামেলা ঘরই হচ্ছে কাচারি ঘর; সাধারণত বাড়ির সামনের দিকটায় থাকতো। কিছু কিছু কাচারি ঘর বাড়ির প্রবেশমুখে পুকুর পাড়ে, ঘাটের পাশেও দেখা যেত। এতে বা বাকি অংশ পড়ুন...
একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কেবল স্থল, আকাশ বা সমুদ্রসীমার শক্তিমত্তা দিয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা অসম্ভব। আধুনিক সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয় ‘নেটওয়ার্ক-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার’ (Network-Centric Warfare), যেখানে মহাকাশ বা স্যাটেলাইট প্রযুক্তি হলো যেকোনো বৃহৎ সামরিক বাহিনীর মূল ¯œায়ুকেন্দ্র। বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে রিজার্ভ, আধাসামরিক (যেমন বিজিবি, আনসার) এবং মূল বাহিনী মিলিয়ে যদি একটি বিশাল বহরের সমন্বিত প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হয়, তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি সুনির্দিষ্ট, স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং স্ট্র্যা বাকি অংশ পড়ুন...
লোহার তৈরি কোনো বস্তু খোলা আকাশের নিচে বছরের পর বছর থাকলে তাতে মরিচা ধরবে- এটাই স্বাভাবিক। বৃষ্টি, বাতাসের আর্দ্রতা ও অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে লোহা। কিন্তু ভারতের রাজধানী দিল্লির কুতুব মিনার চত্বরে মিনারের পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি লৌহস্তম্ভ যেন প্রকৃতির এই চিরচেনা নিয়মকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এসেছে শতাব্দীর পর শতাব্দী।
ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত কুতুব মিনার কমপ্লেক্সে অবস্থিত প্রায় ৭ দশমিক ২ মিটার উঁচু এই লৌহস্তম্ভ প্রায় ১ হাজার ৬০০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এত দীর্ঘ সময় বাকি অংশ পড়ুন...
বাংলাদেশের জনসংখ্যার সূচক ৫১ কোটি ছুঁয়েছে, এমতাবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার সমীকরণটি আমূল বদলে যেতে বাধ্য। এমন এক অতি-ঘনবসতিপূর্ণ ভূখ-ে সীমানা ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা অক্ষুণ্ণ রাখতে কমপক্ষে ৫০ লক্ষ সদস্যের এক সুবিশাল সামরিক বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য হয়ে উঠেছে। তবে একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকে দাঁড়িয়ে এই বিশাল বাহিনীকে কেবল লোহা, বারুদ আর সাঁজোয়া যানের প্রাচীন কাঠামোতে বন্দি রাখলে তা হবে এক ঐতিহাসিক আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। আজকের যুদ্ধক্ষেত্র আর কেবল সীমান্তরেখায় সীমাবদ্ধ নেই; তা ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য, স্পর্শহী বাকি অংশ পড়ুন...
সুওয়াল:
ইসলাম উনার নামে রাজনৈতিক ফায়দা হাছিলকারী ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে?
জাওয়াব:
ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে তথা সন্ত্রাসী তৈরিকারী ও ইসলাম উনার নামে রাজনীতি তথা গণতন্ত্র, ভোট, নির্বাচনকারী মাদরাসাগুলোতে পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়া জায়িয হবে না। পবিত্র কুরবানীর চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো ‘রাজারবাগ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’।
পবিত্র কুরবানী একটি ঐতিহ্যবাহী শরয়ী বিধান ও ইসলামী কাজ। যা উম্মতে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ওয়াজিব। কাজেই বাকি অংশ পড়ুন...












