SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%যেমন%' OR titleBn LIKE '%যেমন%' OR descriptionEn LIKE '%যেমন%' OR descriptionBn LIKE '%যেমন%' OR slug LIKE '%যেমন%' OR metaTag LIKE '%যেমন%' OR metaDescription LIKE '%যেমন%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
উল্লেখ্য যে, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
اِنَّ الْـجَنَّةَ تَـحْتَ اَقْدَامِ اُمَّهَاتِكُمْ
অর্থ: নিশ্চয়ই জান্নাত তোমাদের সম্মানিতা মাতা উনাদের পায়ের নীচে। সুবহানাল্লাহ!
অপর বর্ণনায় এসেছে-
عَنْ حَضْرَتْ اَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رِضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ النَّبِـىُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلْـجَنَّةُ تَـحْتَ اَقْدَامِ الْاُمَّهَاتِ.
অর্থ: হযরত আনাস ইবনে মালিক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, জান্নাত সম্মানিতা মাতা উনাদের পায়ের নিà বাকি অংশ পড়ুন...
৩৮। মুর্শিদ কিবলা উনার জাহিরী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি লক্ষ্য করবে না। বরং উনার বাতিনী অবস্থা বা ছিফতের প্রতি সর্বদা মুতাওয়াজ্জেহ বা রুজু থাকবে।
(এ কথার অর্থ এটা নয় যে, মুর্শিদ কিবলা জাহিরীভাবে শরীয়তের খিলাফ কাজ করবেন। আর বাতিনীভাবে ওলীআল্লাহ থাকবেন। বরং যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী হবেন তিনি জাহিরী ও বাতিনী উভয় অবস্থায়ই শরীয়তের পূর্ণ পাবন্দ হবেন। যে ব্যক্তি জাহিরী ও বাতিনী উভয় দিক থেকে শরীয়তের পাবন্দ নয় সে কখনো ওলীআল্লাহ নয়, বরং তার বিপরীত হবে। মূলতঃ একথার দ্বারা ঐ কথার প্রতি ইশারা করা হয়েছে যে, কাফিররা মহান আল্লাহ পাক উনার à বাকি অংশ পড়ুন...
এতবড় নিষ্ঠুর নিমর্ম মিথ্যাচার বাংলাদেশের প্রতি হিন্দুত্ববাদীদের চরম আধিপত্যবাদেরই নগ্ন বহি:প্রকাশ। বৈষ্যম্য বিরোধী চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ভারতীয় অথবা দেশীয় হিন্দুত্ববাদের আধিপত্যবাদের সমূলে উৎপাটন করতে হবে।
(১)
ত্রিবেদী যা বলতে পারলো, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ সাহেব তা বলতে পারেনি কেন? পারছেনা কেনো? বর্তমান হাইকমিশনার রিয়াজ সাহেবই নয় অতীতের কেউই বলতে পারেনি। আর বাংলাদেশে শুধু ত্রিবেদী নয় অতীতের সব ভারতীয় হাইকমিশনারই একই অবস্থা দেখেছে, পেরেছে।
পূজা নিয়ে ত্রিবেদীয় বক্তব্য- “বাংলাদেশে খুব সুন্দর পরিবেশে, খুবই সৌ বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কিতাব থেকে দলীল:
স্বয়ং হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নিজেই বলেছেন, ‘খাছ মু’মিন উনাদের জন্য প্রতিটি দিনই ঈদ।’ সুবহানাল্লাহ! এবং তিনি আরো বলেছেন, ‘খাছ মু’মিন উনাদের জন্য দুনিয়ার যমীনে এবং পরকালে প্রত্যেকটা সময় ঈদ।’ সুবহানাল্লাহ!
যেমন- হযরত ইমাম ইবনে রজব হাম্বলী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘লাত্বায়িফুল মা‘আরিফ’ কিতাবের ২৭৮ নং পৃষ্ঠায় বলেন,
كُلُّ يَوْمٍ كَانَ لِلْمُسْلِمِيْنَ عِيْدًا فِى الدُّنْيَا فِاِنَّهٗ عِيْدٌ لَّهُمْ فِى الْجَنَّةِ يَجْتَمِعُوْنَ فِيْهِ عَلٰى زِيَارَةِ رَبِّهِمْ وَيَتَجَلّٰ বাকি অংশ পড়ুন...
অমুসলিমদেরকে ভাই বলা নিষেধ এ ব্যাপারে ফতওয়া:
যেমন-এ প্রসঙ্গে, ফতওয়ায় নূরি আলাদ্দারবী লিল উছাইম কিতাবের ৪র্থ খন্ড, ২য় পৃষ্ঠায় উল্লেখ আছে-
فَلَا يَحِلُّ لِلْمُسْلِمِ أَن يَّصِفَ الْكَافِرَ أَيًّا كَانَ نَوْعُ كُفْرِهِ سَوَاءً كَانَ نَصْرَانِيًّا أَمِ يَّهُوْدِياً أَمْ مَجُوْسِيًّا أَمْ مُلْحِدًا دَهْرِيًّا لَا يَجُوْزُ لَهُ أَن يَّصِفَهُ بِالْأَخِ أَبَداً فَاحْذُرْ يَا أَخِيْ مِثْلُ هَذَا التَّعْبِيْرُ
সুতরাং কোন মুসলমানদের জন্য কাফেরদের গুণাবলী বর্ণনা করা বৈধ নয়, চাই সে নাছারা হোক অথবা ইহুদী হোক অথবা কোন হিন্দু হোক অথবা কট্টর নাস্তিক হোক তাকে কখনো “ভাই”বলে সম্বোধন করা জায়িয নেই।
আর তারা মুসলমানদের ভা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র বাই’আতে রিদ্বওয়ান:
তারপর পুরো চুক্তিটি লিপিবদ্ধ করা হয়ে গেলো। যখন সন্ধি চুক্তি সম্পন্ন হয়ে গেলো তখন বনু খুযাআহ গোত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার চুক্তির অধীনে চলে আসলো। এরা প্রকৃতপক্ষে জাদ্দু রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল মুত্তালিব আলাইহিস সালাম উনার সময় হতেই বনু হাশিম উনাদের মিত্র ছিলো।
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে করা চুক্তির অধীনে বনু খুযাআহ’র প্রবেশের ব্যাপারটি ছিলো পূর্বতন à বাকি অংশ পড়ুন...
এই সমাজ থেকে দ্বীন ইসলাম উঠিয়ে দেয়াই তাদের লালন ফফিকের মূল লক্ষ্য। মুসলমাননের শত্রু, দ্বীন ইসলামের শত্রু। ফকির লালনের কয়েকটা গান-যা নিন্মে তুলে ধরা হলো-
এমন মানব সমাজ কবে গো সৃজন হবে,
যেদিন হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান জাতি গোত্র নাহি রবে,
ধর্ম-কুল গোত্র জাতির, তুলবে নাগো কেহ জিকির,
কেঁদে বলে লালন ফকির কে মোরে দেখায়ে দেবে। -(মহাত্মা লালন, পৃ. ১১৩)
সবে বলে লালন ফকির হিন্দু কি যবন,
লালন বলে আমার আমি
না জানি সন্ধান। -(মহাত্মা লালন, পৃ. ৫০)
সব লোকে কয় লালন কী জাত সংসারে, লালন বলে জাতের কি রূপ
দখলাম না এই নজরে, জগৎ জুড়ে জাতের কথা
লাকে গল্প ক বাকি অংশ পড়ুন...
(১)
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(২)
‘আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সশ্রদ্ধচিত্তে শপথ বা দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করিতেছি যে আমি আইন অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের কর্তব্য বিশ্বস্ততার সহিত পালন করিব। আমি বাংলাদেশের প্রতি অকৃত্রিম বিশ্বাস ও আনুগত্য বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اَلشَّيْخُ فِىْ اَهْلِهٖ كَالنَّبِىِّ فِىْ اُمَّتِهٖ وَفِى رِوَايَةٍ اَلشَّيْخُ لِقَوْمِهٖ كَالنَّبِىِّ فِى اُمَّتِهٖ
অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা তিনি উনার অধীনস্থদের নিকট, অপর বর্ণনায় রয়েছে, উনার সম্প্রদায়ের নিকট তদ্রুপ সম্মানিত ও অনুসরণীয় যেমন হযরà বাকি অংশ পড়ুন...
ফযীলত ও মর্যাদা:
হযরত ছুমামা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি এত দীর্ঘ সময় নামাযে দন্ডায়মান থাকতেন যে, উনার পা মুবারক দু’টি ফেটে রক্ত বের হতো। (সিয়ারু আলামিন নুবালা)
একবার হযরত ইবরাহীম ইবনে রাবীআ’ রহমতুল্লাহি আলাইহি হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার নিকট আসলেন। হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একখানা কাপড়ের একপাশ পরে অন্য পাশ গায়ে জড়িয়ে নামাযে মশগুল ছিলেন। নামায শেষ হলে হযরত ইবরাহীম রহমতুল্লাহি আলাইহি জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি এভাবে এক কাপড়ে নামায পড়েন? হযরত আনাà বাকি অংশ পড়ুন...












