SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বেপর্দা%' OR titleBn LIKE '%বেপর্দা%' OR descriptionEn LIKE '%বেপর্দা%' OR descriptionBn LIKE '%বেপর্দা%' OR slug LIKE '%বেপর্দা%' OR metaTag LIKE '%বেপর্দা%' OR metaDescription LIKE '%বেপর্দা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
নারী-পুরুষ উভয়ের পবিত্রতা রক্ষার অতীব কার্যকর উপায় হচ্ছে পর্দার হুকুম। এই হুকুম অনুসরণের মাধ্যমেই হৃদয়-মনের পবিত্রতা অর্জন করা সম্ভব। পর্দার এই সুফলের কথা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ঘোষণা করেছেন পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে।
ذَلِكُمْ أَطْهَرُ لِقُلُوبِكُمْ وَقُلُوبِهِنَّ
অর্থ: “পর্দার হুকুম তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্রতার কারণ। (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৫৩)
অর্থাৎ মানবসমাজকে পবিত্র ও পঙ্কিলতামুক্ত রাখতে পর্দার কোনো বিকল্প নেই।
বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ‘দ্বীন ইসলাম’ শব্দের অর্থ হচ্ছে শান্তি। পবিত্র ‘ইসলাম’ই পেরেছে এবং পারে যমীনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে। পবিত্র ইসলাম উনার বাইরে কোথাও শান্তি পাওয়া যায়নি এবং যাবেও না। কাজেই শরয়ী পর্দা পালনই শান্তি স্থাপন করতে পারবে। শরয়ী পর্দার অভাবেই আজ সবদিকেই শুধু অশান্তি আর অস্থিরতা। বিশেষ করে মহিলাঘটিত ফিতনায় জর্জরিত সমাজ। মহিলারা আজ সর্বত্র লাঞ্ছিত, অপমানিত ও অবহেলিত হচ্ছে এবং মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে। এর সবগুলোর পিছনে কারণ একটাই; তা হলো- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়া; অর্থাৎ অহরহ ছবি তোলা, শরয়ী পর্দার বিধান মেনে না বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবরক করেন, “আহলে কিতাব তথা ইহুদী-নাছারারা চেয়ে থাকে কিভাবে মুসলমানদেরকে ঈমান আনার পর কাফির বানানো যায়।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ)
বর্তমান যামানায় সমস্ত পাপ কাজের মূল উৎস হচ্ছে ছবি এবং বেপর্দা। যে ব্যক্তি এ দুটোর মধ্যে মশগুল হয়ে যাবে, সে পবিত্র ঈমান এবং সম্মানিত ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে। তার দ্বারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কাজ করা কস্মিনকালেও সম্ভব হবে না। মহান আল্লাহ পাক তিনি ক্ষমা করুন, খালিছ তওবা নছীব না হলে তার জন্য বেঈমান হয়ে মারা যাওয়াটাই স্বাভাবিক।
আর এজন্যই ম বাকি অংশ পড়ুন...
নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
مَا تَرَكْتُ بَعْدِي فِتْنَةً أَضَرَّ عَلَى الرِّجَالِ مِنَ النِّسَاءِ.
আমার পরে মহিলা ফিতনা (পরীক্ষা) পুরুষদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। (বুখারী শরীফ ও মুসলিম শরীফ)
মূলত, বেপর্দার কারণেই মহিলারা আজ মান, সম্মান, ইজ্জত হারাচ্ছে ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে এবং সমাজে সৃষ্টি হচ্ছে নিত্য-নতুন ফিতনা-ফাসাদ ও বিশৃঙ্খলা। নাউযুবিল্লাহ!
বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের দিবস ভালো না লাগলেও অসাম্প্রদায়িকতার দোহাই দিয়ে অমঙ্গল যাত্রাসহ সকল পূজা, খৃস্টীয় দিবস, বৌদ্ধদের পক্ষে নাস্তিক, ইসলামবিদ্বেষি, চুশিল, প্রগতিশীল মিডিয়া একাট্টা। বিজাতীয় কালচার পালন করতে খুবই উদগ্রীব তারা। পবিত্র কুরবানিতে এদের কষ্ট হলেও দুর্গা পূজার বিকৃত ও হিংস্র চেহারা দেখলে এদের কষ্ট হয়না। তাদের কাছে অসাম্প্রদায়িকতা মানেই বিজাতীয় কালচার পালন করা। মুসলমানদের কালচার তাদের কাছে সাম্প্রদায়িকতা! নাউযুবিল্লাহ। মুসলমানগণ শরীয়ত উনার কথা বলতে গেলেই তারা বিভিন্ন চেতনার দোহাই দেয়।
অথচ ইসলামী শরীয়ত উনার কথা বলা প্ বাকি অংশ পড়ুন...












