SELECT * FROM tbl_post WHERE (titleEn LIKE '%বিধর্মীরা%' OR titleBn LIKE '%বিধর্মীরা%' OR descriptionEn LIKE '%বিধর্মীরা%' OR descriptionBn LIKE '%বিধর্মীরা%' OR slug LIKE '%বিধর্মীরা%' OR metaTag LIKE '%বিধর্মীরা%' OR metaDescription LIKE '%বিধর্মীরা%') AND status=1 ORDER BY id DESC LIMIT 0,12
একটি কুচক্রী মহল মিথ্যা ও বানোয়াটি তথ্য দিয়ে অপপ্রচার করে থাকে- পর্নো নাকি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো দেখে। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক! অথচ তারা এটা নিয়ে বিশ্বস্ত ও সঠিক পরিসংখ্যানভিত্তিক কোনো রেফারেন্স দিতে পারে না। মূলত তারা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে ও মুসলিমদের হেয় করতেই এসব মিথ্যা ও বানোয়াটি তথ্য প্রচার করে থাকে।
প্রকৃত ও সত্য তথ্য হলো- পর্নো দেখায় শীর্ষ ১০-এ কেনো, শীর্ষ ২০ রাষ্ট্রের তালিকাতেও অমুসলিম, বিধর্মী খ্রিস্টান, ইহুদী, হিন্দু, বৌদ্ধ ও নাস্তিকদের রয়েছে একক আধিপত্য। তারা এই পর্নোর মাধ্যমে কোটিকোটি টাকার ব্যবসা করে থাকে। তাদে বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
সম্মানিত ইসলামী ইতিহাসের একটি বড় স্থান জুড়ে আছে ন্যায়বিচার, ইনসাফ এবং ক্ষমার দৃষ্টান্ত। মুসলমানদের ইনসাফপূর্ণ আচরণের মাধ্যমেই পথহারা বিধর্মীরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে সম্মানিত হয়েছিলো। এমনই একটি ইনসাফ, ন্যায়পরায়ণতা এবং ক্ষমার ঘটনা ঘটেছিলো আমিরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহাসম্মানিত খিলাফত মুবারককালে।
একদিন দু’জন সহোদর ভাই এক বালককে টেনে ধরে নিয়ে আসলো হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার কাছে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কেন ওই বালককে এভাবে ধরে নিয়ে আসা হয়েছে। উত্তরে তারা বললো, এই বালক বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যমীনে সর্বদাই কিছু ওলীআল্লাহ, গাউছ, কুতুব থাকেন; উনাদের উসীলায় মানুষ বৃষ্টি, রহমত ও রিযিক লাভ করে থাকে।” প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসী বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-
عَنْ حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنَّهُ أَمَرَ بِإِحْفَاءِ الشَّوَارِبِ وَإِعْفَاءِ اللِّحْيَةِ.
অর্থ: হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করে বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নির্দেশ মুবারক দিয়েছেন গোঁফ ছোট করার ও দাড়ি লম্বা করার। (দারহী কী শরয়ী হাইছিয়ত)
বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ঐ মহান আল্লাহ পাক যিনি পূর্ববর্তী ওহী মুবারক দ্বারা নাযিলকৃত সমস্ত দ্বীন এবং পূর্ববর্তী পরব বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যমীনে সর্বদাই কিছু ওলীআল্লাহ, গাউছ, কুতুব থাকেন; উনাদের উসীলায় মানুষ বৃষ্টি, রহমত ও রিযিক লাভ করে থাকে।” প্রকৃতপক্ষে মুসলমানদের উসী বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুজ জামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যেই ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী তথা সমস্ত কাফির-মুশরিকদেরকে সম্মানিত দ্বীন ইসল বাকি অংশ পড়ুন...
নাটক-সিনেমার মাধ্যমে মুসলিম প্রজন্মকে দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।
সিনেমার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বিস্তার ঘটছে ইসলামোফোবিয়ার।
পরকালের কথা স্মরণ করে মুসলিম উম্মাহকে বিধর্মীদের এসব ষড়যন্ত্র থেকে বের হয়ে আসতে হবে।
সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন ফষ্টার ডালেস বলেছিলো, ‘কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হ’লে, আগে সে জাতির সংষ্কৃতিকে ধ্বংস করে দাও’। বর্তমানে বাংলাদেশে যেভাবে অপসংষ্কৃতির চর্চা শুরু
হয়েছে, তাতে মার্কিনীদের সে এজেন্ডাই বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এইডস (অওউঝ) রোগে আক্রান্ত হলে যেমন কোন রোগীর বাঁচার আশা থাকে না, তেমনি অপস বাকি অংশ পড়ুন...
নেপালও একসময় মুসলিম শাসনের অধীনেই ছিলো। আর এ বিজয়টি করেছিলো সুলতানে বাঙ্গালাহ এবং স্বাধীন বাংলার নির্মাতা শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ বাঙ্গালাহ্। পূর্বে কেউই সম্পূর্ণ নেপাল বিজয় করতে পারেনি। এর কারণ ছিলো- প্রতিকূল আবহাওয়া এবং হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়া।
নেপালের ক্ষমতায় তখন মল্ল শাসকরা। নেপালের বিস্তৃতি তখন বর্তমান ভারতের উত্তরাখন্ড প্রদেশেও ছিলো। দ্বাদশ শতকে মল্ল শাসকরা ত্রিহুতও শাসন করতো। ত্রিহুতে নেপালি মল্ল শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন গৌড়ের সুলতান গিয়াস উদ্দীন ইয়াজ শাহ খিলজী।
১৩৫০ খ্রি:। গৌড়ের সুলতান শামসউদ্দিন ইলি বাকি অংশ পড়ুন...
১৯৭৯ সালে চীনে এক সন্তান নীতি চালু করা হয়। এর লক্ষ্য ছিল জন্মহার কমানো এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমানো। দীর্ঘদিন ধরে কার্যত জোর করে এই নীতি মানতে বাধ্য করা হত। জোর করে গর্ভপাত করানো হতো। ভ্রুণ নষ্ট করানো হতো। এক সন্তানের বেশি সন্তান জন্ম নিলে সেই সন্তানকে বহিরাগত বলা হতো। নীতি ভঙ্গের কারণে জরিমানা দিতে হতো। সেটা পরিশোধ না করলে ঘর খালি করে জিনিসপত্র বা পোষাপ্রাণী নিয়ে যাওয়া হতো। অনেক সময় গ্রেফতারও করা হতো।
পরবর্তীতে ২০১৬ সালে এক সন্তান নীতি বাতিল করা হয়। এর বদলে দুই সন্তানের জন্মে ছাড় দেয়া হয়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই নীতিও প বাকি অংশ পড়ুন...












