মাস শুরু এবং শেষ, বিশেষ দিন নির্বাচনে চাঁদের ক্যালেন্ডারের যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে; তেমনি ওয়াক্ত নির্ণয়ে প্রয়োজন রয়েছে সৌর ক্যালেন্ডারের। কিন্তু ইতিহাসে মুসলমানগণের রচিত কোনো সৌর ক্যালেন্ডারের তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহারে মুসলমানগণ অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। কিন্তু অনেক কারণেই মুসলমানগণের গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার ব্যবহার করা উচিত নয়।
গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির মাধ্যমে অজান্তেই প্রতিদিন অনেক দেব-দেবীর নাম স্মরণ হয়। এই বর্ষপঞ্জির ৬টি মাসের নামকরণ করা হয়েছে দেব-দেবীর নামে (জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্র বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে-
عَنْ حَضَرَتْ عُمَرُو بْنِ شُعَيْبِ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ عَنْ اَبِيْهِ عَنْ جَده اَنَّ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَشَبَّهَ بِغَيْرِنَا لاَتَشَبَّهُوْا بِالْيَهُوْدِ وَلا بِالنَّصَارٰى.
অর্থ: “হযরত উমর বিন শুয়াইব রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা হতে উনার পিতা উনার দাদা হতে বর্ণনা করেন যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি আমাদের ভিন্ন অন্য জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করে সে আমাদের দলভুক্ত নয়। কাজেই আপনারা ইয়াহুদী এবং নাছারাদের সা বাকি অংশ পড়ুন...
সিলেটের দিগন্তজোড়া সবুজ চা বাগান, যা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপূর্ব লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত; আজ সেখানে এক ভয়াবহ নৈতিক ও রূহানী বিপর্যয় নেমে এসেছে। এই বাগানের অভ্যন্তরে বসবাসরত পৌত্তলিক শ্রমিকদের মাঝে বিরাজমান লাগামহীন মদ্যপতা, জুয়া এবং বিজাতীয় অপসংস্কৃতির চর্চা কেবল ওই অঞ্চলের পরিবেশকেই কলুষিত করছে না, বরং তা মুসলিম জনপদ সিলেটের ঈমানি আবহকেও হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। বিজাতীয় আর্দালী, লুটেরা ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা এই শ্রমিক শ্রেণীর মাঝে যে কুসংস্কার ও নৈতিক স্খলনের বীজ বপন করা হয়েছিল, তা আজ এক বিশাল বিষবৃক্ষে পরিণত হয়েছে বাকি অংশ পড়ুন...
মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফির-মুশরিক ও বিজাতীয়দের প্রকৃত স্বরূপ উন্মোচন করে দিয়েছেন। ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট প্রাণীকুলের মধ্যে কাফিররাই হচ্ছে নিকৃষ্টতম।” (পবিত্র সূরা আনফাল : আয়াত শরীফ ৫৫)।
বিগত কয়েক শতাব্দী ধরে এই কাফির-মুশরিকরা নিজেদের ‘সভ্য’, ‘মানবাধিকারের রক্ষক’ এবং ‘উন্নত চরিত্রের অধিকারী’ বলে দাবি করে বিশ্ববাসীকে ধোঁকা দিয়ে আসছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, তাদের অন্তরে লুকায়িত আছে পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট প্রবৃত্তি। সম্প্রতি প্রকাশিত ‘এপস্টিন ফাইলস’ আবারও প্রম বাকি অংশ পড়ুন...
ইতিহাসের এক বীভৎস পরিহাস আর চরম ধৃষ্টতার সাক্ষী হয়ে রইল কুড়িগ্রামের নাগেশ^রী উপজেলার ভিতরবন্দ ইউনিয়ন। যেখানে ২০২১ সালের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২নং ওয়ার্ডের (ডাকনীরপাঠ এলাকা) মোট জনসংখ্যার ৯৭.২২ শতাংশই মুসলমান, আর হিন্দু ধর্মাবলম্বী মাত্র ২.৭৬ শতাংশ-সেখানে দীর্ঘদিন ধরে এক অদ্ভুত ও নজিরবিহীন সাম্প্রদায়িক আধিপত্যের মহড়া চলছিলো! ভাবা যায়, মাত্র ৭৫ জন হিন্দুর জন্য ২৬৪১ জন মুসলমানের দ্বীনি অধিকার আর জীবনযাত্রাকে বলি দেয়া হচ্ছে?
খবরটি কেবল চাঞ্চল্যকর নয়, বরং প্রতিটি রিসালতী জনতার কলিজায় আঘাত করার মতো। জানা গেছে, ডাকনীরপাঠ বা বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের আলোকে সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী ফুটবল-ক্রিকেটসহ সমস্ত খেলাধুলাই হারাম। মাঠে গিয়ে হোক আর টিভিতে হোক সর্বাবস্থায়ই খেলা দেখা হারাম ও কবীরাহ গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।
পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার বিখ্যাত কিতাব, মুস্তাদরাকে হাকিম শরীফে বর্ণিত আছে, হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
كُلُّ لَعِب বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা, মুসলিম উম্মাহর স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপ বন্ধের দাবিতে নিম্নলিখিত ৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
সমাবেশের মূল ৩টি দাবি:
১। ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তিতে ‘মৃত্যুদ-’ আইন প্রণয়ন:
সমাবেশে সংগঠনের আহবায়ক আরিফ আল খবীর বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে বারবার প্রিয় নবীজী ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
গতকাল জুমুয়াবার (১৭ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার মালিবাগ মোড়ে ফালইয়াফরাহু চত্বরে ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতা’র উদ্যোগে এক বিশাল প্রতিবাদী জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষা, মুসলিম উম্মাহর স্বকীয়তা বজায় রাখা এবং রাষ্ট্রীয় অর্থ তছরুপ বন্ধের দাবিতে নিম্নলিখিত ৩ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
সমাবেশের মূল ৩টি দাবি:
১। ইসলাম অবমাননাকারীদের শাস্তিতে ‘মৃত্যুদ-’ আইন প্রণয়ন:
সমাবেশে সংগঠনের আহবায়ক আরিফ আল খবীর বলেন, বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ। এখানে বারবার প্রিয় নবীজী ছল্লাল বাকি অংশ পড়ুন...
পরাবাস্তব এক ঘোর অমানিশার মধ্য দিয়ে অতিবাহিত হচ্ছে ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। যে জমিন ওলী-আল্লাহগণের পদধূলিতে ধন্য, যেখানে রিসালাত উনার ঝা-া চিরকাল সমুন্নত; আজ সেখানে বিজাতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর রাষ্ট্রবিরোধী আস্ফালন এক ভয়ংকর রূপ পরিগ্রহ করেছে। তথাকথিত ‘ইস্কন’ এবং উগ্রবাদী ‘সনাতন জাগরণ মঞ্চ’র ব্যানারে যে বিশৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানো হচ্ছে, তা কেবল শান্তি বিঘিœত করছে না, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের মূলে কুঠারাঘাত করার এক ইহুদীবাদি নীল নকশা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
সং বাকি অংশ পড়ুন...
কারাগারের সেই স্যাঁতসেঁতে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে আজ হাজার হাজার বনী আদম বন্দি হয়ে আছে, যাদের রূহ আজ এক অদৃশ্য শৃঙ্খলে আবদ্ধ। অপরাধী হোক কিংবা নির্দোষ- প্রতিটি মানুষের ভেতরেই রয়েছে মহান আল্লাহ পাক উনার দেওয়া এক নূরী সত্তা, যা উপযুক্ত তালিম ও তালক্বীন পেলে পুনরায় হিদায়াতের পথে ফিরে আসতে পারে। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, আধুনিক কারাগারগুলো আজ কেবল শাস্তির গুদামে পরিণত হয়েছে, যেখানে মানুষের আত্মিক সংশোধনের চেয়ে শারীরিক লাঞ্ছনাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজাতীয় ইহুদীবাদি দ-বিধির প্রভাবে আমরা ভুলে গেছি যে, কারাগার হওয়া উচিত ছিল বাকি অংশ পড়ুন...
তার এ বক্তব্য এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকা- দেখে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠীর কাছে তার প্রতীয়মান হচ্ছে, তার চিন্তাধারা আওয়ামী এবং ভারতীয় চেতনা দ্বারা বিশেষভাবে প্রভাবিত।
মুসলিম জনতা তার অপসারন চায়।
অমুসলিম সংস্কৃতিমন্ত্রীর ইসলাম বিরোধী পদক্ষেপ খুব অল্পদিনেই অনেক বেশী জাহির হয়ে গেলো। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গান বাজনার শিক্ষক, চারুকলার শিক্ষক নিয়োগে ৪র্থ শ্রেণী থেকে খেলাধুলা বাধ্য করার ঘোষণা। এদেশে ভারতীয় শিল্পীদের মত শিল্পী গড়ে তোলার ইচ্ছা প্রকাশ।
সংস্কৃতিমন্ত্রীর ভাষায় প্রগতিশীল ও জীবনমুখী সংস্কৃতি বিকাশে বাউল গান, লোকসংগীত, যাত্রা ও বাকি অংশ পড়ুন...
একটি রাষ্ট্র তখনই আযাদ থাকে, যখন তার প্রতিরক্ষা ঢাল হয় অভেদ্য। কিন্তু আফসোস! ৯৮ ভাগ মুসলিমের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ আজ এক চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির দ্বারপ্রান্তে। প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার যখন উত্তর কোরিয়ার গোপন প্রযুক্তিতে নিজেদের মিসাইল রেঞ্জকে ৭০০ কিলোমিটারে নিয়ে গেছে, তখন স্বাধীনতার ৫৫ বছর অতিক্রম করেও আমাদের সর্বোচ্চ দৌড় মাত্র ২৮০ কিলোমিটার! এই শোচনীয় বৈষম্য দেখেও যদি নীতিনির্ধারকদের ‘নিদ্রা’ না ভাঙে, তবে বুঝতে হবে-এই স্বাধীন ভূখ-ে তাদের জাগবার আর কোনো নৈতিক অধিকার অবশিষ্ট নেই।
তাত্ত্বিক ও কারিগরি বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাকি অংশ পড়ুন...












