নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজধানীতে বায়তুল মোকাররম মসজিদের পাশ থেকে দুটি কাটা হাত এবং স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। দেহাবশেষের বাকি অংশ উদ্ধারে পুলিশের সঙ্গে সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) পল্টন থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল খান বলেন, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও উত্তর গেটের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তায় বিচ্ছিন্ন দুই হাত পাওয়া যায়। এছাড়া স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় একটি বিচ্ছিন্ন পা। তার নাম আমরা নিশ্চিত হয়েছি। সে অনুয়ায়ী তার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব সংবাদদাতা:
দেশে ফেরার পর এবার ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার মেয়ে জাইমা রহমানের। গতকাল ইয়াওমুস সাবত (শনিবার) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি জানান, আজ রোববার (২৮ ডিসেম্বর) কমিশনের বৈঠকে তাদের ভোটার হওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।
ইসি সচিব জানান, ঢাকার গুলশান এলাকার নির্ধারিত ওয়ার্ডে ভোটার হওয়ার জন্য নিবন্ধনের সব আনুষ্ঠানিকতা ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে জাতীয় নির বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপ না মিললে জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সেবা পেতে ব্যাপক ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ পরিস্থিতিতে নাগরিকেরা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দ্বারস্থ হচ্ছেন। কেউ কেউ ইসিতে নতুন করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করছেন। যাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট কোনোভাবেই আর নেওয়া যাচ্ছে না, তাদের ইসি থেকে প্রত্যয়নপত্র বা এনওসি দেওয়া হয়। যা দেখিয়ে তারা কাঙ্খিত সেবা নিতে পারেন।
জানা যায়, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে দেশবাসী মোবাইল ফোনের সিম কেনা, পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স করা ও বিদেশে যাতায়াত করতে পারেন। কিন্তু ই বাকি অংশ পড়ুন...
রহমাতুল্লিল ‘আলামীন, ছাহিবু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ, ইমামুল আইম্মাহ্, মুজাদ্দিদুয যামান, কুতুবুল আলম, মুহইউস সুন্নাহ, মাহিউল বিদয়াহ, গাউছুল আ’যম, আযীযুয যামান, ক্বইউমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, আস সাফফাহ, হাবীবুল্লাহ, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মাওলানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, ‘তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে সহায়তা করো। ’ আর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ও বাকি অংশ পড়ুন...
আমি যদি মুসলমান দাবি করি তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা দাবি করে ইবাদত-বন্দেগী করি; তবে কী তা রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ?
আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করে সুন্নত মুবারক পালন করি; তবে তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি কী পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার আমল করতে পারবো না?
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আমল করতে গেলে কী রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে বাধা দিবে? আমি কী প বাকি অংশ পড়ুন...
বর্তমান সময় হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির যুগ। প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের অগ্রগতির কারণে মানুষ আজ চাঁদে পৌঁছে গেছে। প্রযুক্তির অন্যতম উপহার হচ্ছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতিতে শনাক্তকরণ যা সর্বোত্তম পদ্ধতি, সুলভ মূল্যে ও নির্ভুল পদ্ধতি। কিন্তু মুসলমানরা এই উন্নতি প্রযুক্তির ব্যবহার না করায় জাহান্নামের ফাঁদ অর্থাৎ ছবি থেকে বাঁচতে পারছে না। মুসলমানরা আজ শনাক্তকরণের জন্য ছবি ব্যবহার করছে, ছবি তুলছে। অথচ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “প্রত্যে বাকি অংশ পড়ুন...
আমাদের দেশে এখনো জমি রেজিস্ট্রি করতে গেলে বা পাসপোর্ট করতে গেলে স্ট্যামপ্যাডের কালি আঙুলে লাগিয়ে ছাপ দিতে হয়। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় হাতের বৃদ্ধা আঙুল (
Thumb
finger
)। কিন্তু আমেরিকার ইমিগ্রেশন প্রথমবারের মতো অতিক্রম করতে হলে (ইমিগ্র্যান্টদের জন্য) একটি নয়, দুটি নয়, পুরো দশ আঙুলের ছাপ দিতে হয়। কারণ এরা ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্রয়োজনীয়তা টের পেয়েছে ভালোভাবে। অথচ ইতিহাস বলে- এই ভারত উপমহাদেশে ব্রিটিশ আমলে প্রথম আঙুলের ছাপের ব্যবহার হয়। আর এই পথ প্রথম দেখিয়েছিলেন একজন মুসলমান। কিন্তু দুঃখের বিষয়, কাফিরদের অন্ধ রীতিগুলো আজ বাকি অংশ পড়ুন...
হাতের লেখা মানে শুধু খাতার ওপর পেনসিল বা কলম দিয়ে অক্ষর সাজানো নয়। এটা অনেকটা ব্যক্তিত্বের ছাপ বা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মতো। আঙুলের ছাপের মতো হাতের লেখাও একান্তই মানুষের নিজের।
প্রত্যেকের হাতের লেখার মধ্যে সূক্ষ¥ পার্থক্য হলেও আছে। হয়তো কারও লেখা সরু, কারও লেখা মোটা, কারও লেখা একটু বাঁকা। অক্ষরও কোনোটা বড়, আবার কোনো অক্ষর দেখতে ছোট।
কিন্তু কেন? সবাই একই অক্ষর লেখলেও হাতের লেখা কেন আলাদা হয়?
এর পেছনে রয়েছে কিছু মজার বৈজ্ঞানিক কারণ এবং কিছু অভ্যাসগত ব্যাপার। সেগুলোই এখানে আলোকপাত করা হলো-
মস্তিষ্কের কাজ:
হাতের লেখার পেছনে মস্তিষ্ বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে কী বেপর্দা ও ছবির বিরুদ্ধে বলা হয়নি?
তাহলে কী রাষ্ট্রযন্ত্রের উচিত নয়- ছবি না তুলে, বেপর্দা না হয়ে দ্বীনদার মুসলমানরা যাতে সাংবিধানিক সুযোগ পায় সে অধিকার সংরক্ষিত করা।
প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করা।
আমি যদি মুসলমান দাবি করি তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা দাবি করে ইবাদত-বন্দেগী করি; তবে কী তা রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ?
আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, বৌদ্ধসহ সমস্ত কাফির, বেদ্বীন, বদদ্বীনরা ছলে, বলে, কৌশলে মুসলমানদের জাহিরী-বাতিনী তথা সর্বোত ক্ষতি সাধনে তৎপর। যার বাস্তবতা দেখতে পাই আমাদের দেশেও। এদেশ থেকে ইসলামী অনুশাসন, তাহযীব-তামাদ্দুন উঠিয়ে দিয়ে মুসলমানদেরকে কোনঠাসা করার লক্ষ্যে এই কাফির গোষ্ঠী কখনো মিডিয়াকে, কখনো শাসক শ্রেণীকে এবং কখনো আদালতকে ব্যবহার করে তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে যাচ্ছে। এমনকি শাসক শ্রেণী কোন বিষয়ে সম্মত না হলে, আনুগত্যতা না দেখালে তাদের পরিবর্তনেও সা¤্রাজ্যবাদীরা দেশের আদালতকে ব্যবহার করছে।
তাই, বর্ত বাকি অংশ পড়ুন...
আমি যদি মুসলমান দাবি করি তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি যদি মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা দাবি করে ইবাদত-বন্দেগী করি; তবে কী তা রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ?
আমি যদি আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উম্মত দাবি করে সুন্নত মুবারক পালন করি; তবে তা কী রাষ্ট্রযন্ত্রের দৃষ্টিতে অপরাধ? আমি কী পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার আমল করতে পারবো না?
পবিত্র কুরআন শরীফ উনার আমল করতে গেলে কী রাষ্ট্রযন্ত্র আমাকে বাধা দিবে? আমি কী প বাকি অংশ পড়ুন...
নিজস্ব প্রতিবেদক:
দীর্ঘদিন ধরে পর্দানশীন নারীদের একটি দাবি এবার পূরণ হতে যাচ্ছে। নারী শিক্ষক, নারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) পর্দানশীন শিক্ষার্থীদের পরিচয় শনাক্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এর আগে পুরুষ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বারা নারী শিক্ষার্থীদের পরিচয় শনাক্ত করতে গিয়ে পর্দানশীন শিক্ষার্থীদের হিজাব খুলে ফেলার মত ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে অনেকবার।
সম্প্রতি একটি ঘটনার প্রেক্ষিতে এ বিষয়ের একটি সুরাহা করতে গত বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ডিন কমিটির সভায় নতুন এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। বিশ্বব বাকি অংশ পড়ুন...












