সেটাই তিনি যখন সংবাদটা দিলেন তখন তিনি বললেন যে,
مَنْ أَنبَأَكَ هٰذَا
ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনাকে কে এই সংবাদটা দিলেন? তিনি বললেন-
قَالَ نَبَّأَنِيَ الْعَلِيمُ الْخَبِيرُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাকে এই সংবাদটা দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এখন কিন্তু এই তিনটা পবিত্র আয়াত শরীফ উনাদের মধ্যে এই জিনিসটা ফায়ছালা হয়ে গেল। পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা তিনি নিয়ন্ত্রিত। যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারকের জন্য বাকি অংশ পড়ুন...
সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক।
(১)
পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার সঙ্গে পবিত্র যাকাত উনার এক নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। কেননা রোযা হচ্ছে দেহের জন্য পবিত্র যাকাতস্বরূপ। সম্পদের যেরূপ পবিত্র যাকাতের হুকুম রয়েছে, তদ্রƒপ শরীরের পবিত্র যাকাত হিসেবে রোযাকে গণ্ বাকি অংশ পড়ুন...
(১) একটি ফরয সত্তরটি ফরযের সমান।
(২) একটি নফল একটি ফরযের সমান।
(৩) রোযাদারের সমস্ত দোয়া কবুলযোগ্য।
বাকি অংশ পড়ুন...
আর মহাসম্মানিত মহাপবিত্র হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান-মান মুবারকে বলা হচ্ছে-
وَرِضْوَانٌ مِّنَ اللهِ أَكْبَرُ
যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক উনার রেজামন্দি ও সন্তুষ্টি মুবারক সবচাইতে বড়। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
এখন উম্মতদেরকে বলা হলো, তোমাদের জন্য ফরযে আইন, যেহেতু তোমরা ঈমানদার দাবি করো, মু’মিন দাবি করো। এখানে মু’মিন মাত্র বলা হয়েছে। মু’মিনের অনেক স্তর, কোথায় নবী, কোথায় রসূল এরপর কোথায় মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
এখন এই যে প্রশ্ন করলেন যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক। তিনি কি সেটা জানেন না। নাউযুবিল্লাহ!
عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ
যিনি খ্বালিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি জাহির বাতিন সব জানেন।
عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ
অন্তরের অন্তস্থলেরও খবর তিনি রাখেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! মহাসম্মানিত হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইসিম মুবারক উচ্চারণ না করে লক্বব মুবারক তিনি বললেন-
يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ
আয় মহাসম্মানিত মহাপবিত্র নবী ছল্লাল্লা বাকি অংশ পড়ুন...
তাছাড়া মুখে তালাক উচ্চারণ না করলেও এমন কতিপয় গোনাহের কাজ রয়েছে, মু’মিন-মু’মিনাগণ যদি তা হালাল বা জায়িয মনে করে তাহলে তাদের অজান্তেই তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তখন স্বীয় স্ত্রীর সাথে অবস্থান করা জায়িয থাকে না। সেক্ষেত্রে সে প্রতি সেকেন্ডে সেকেন্ডে কবীরা গুনাহে লিপ্ত হয়। সন্তান হলে সে সন্তানের বৈধতা থাকবে না। এরূপ সন্তানই পিতা-মাতার অবাধ্য হয়। মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের নাফরমানী করে। বিরূদ্ধাচরণ করে। নাউযুবিল্লাহ!
তারাই বেদ্বীন-বদদ্বীন, বাকি অংশ পড়ুন...
হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের খুছূছিয়াত, বৈশিষ্ট্য মুবারক মহাসম্মানিত মহাপবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ মুবারকে রয়েছেন এবং পূর্ববর্তী একশ’খানা ছহীফাহ, তিনখানা কিতাবেও বর্ণনা করা হয়েছে এবং অসংখ্য অগণিত পবিত্র হাদীছ শরীফে উনাদের ছানা-ছিফত, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! উনাদের খুছূছিয়াত, বৈশিষ্ট্য, শান-মান, মর্যাদা উপলদ্ধি করা উম্মতের জন্য ফরযে আইন। উনারা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র ঈমান। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু বাকি অংশ পড়ুন...
পবিত্র ওযূ করার সম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক:
ওযূ করার জন্য পবিত্র পাত্রে পাক-পবিত্র পানি নিতে হবে অথবা পাক-পবিত্র পানির স্থানে যেতে হবে। ক্বিবলামুখী হয়ে উঁচু জায়গায় বসতে হবে। পানির পাত্রের আকার যদি এরূপ হয় যে, পাত্রটি তুলে পানি ঢালা সম্ভব, তাহলে পানির পাত্রটি বাম পাশে রাখতে হবে। অন্যথায় পানির পাত্র বা উৎস ডান দিকে থাকবে। ১ মুদ বা ১৪ ছটাক পানি দ্বারা ওযূ করা মহাসম্মানিত মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক। কিন্তু, প্রয়োজনে অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করা সম্মানিত সুন্নত মুবারকের খিলাফ হবেনা। তবে অবশ্যই প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি অপচয় করা ঠি বাকি অংশ পড়ুন...
ওযূর প্রকারভেদ
ওযূ তিন প্রকার- (১) ফরয, (২) ওয়াজিব, (৩) মুস্তাহাব।
ক) পবিত্র নামায উনার জন্য, পবিত্র জানাযা ও পবিত্র সিজদায়ে তিলাওয়াতের জন্য ওযূ করা ফরয।
খ) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ তাওয়াফের জন্য ওযূ করা ওয়াজিব।
গ) ১. নিদ্রার পূর্বে, ২. নিদ্রা থেকে উঠে, ৩. মিথ্যা কথা বলার পর, ৪. কারো গীবত করার পর, ৫. মন্দ কবিতা আবৃত্তি করার পর, ৬. হাস্য-রসিকতার পর, ৭. ফরয গোসল সমাধা করার পর, ৮. নাপাক অবস্থায় খাওয়ার জন্য, ৯. পুনরায় আহলিয়ার সাথে একান্তে অবস্থান করার ইচ্ছা করলে, ১০. মুর্দাকে গোসল দেয়ার জন্য এবং ১১. একবার পবিত্র নামায আদায় করার পর দ্বিতীয়বার পবিত্র নাম বাকি অংশ পড়ুন...
কিছু অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত:
(৭)
এই সম্পর্কে একখানা ঘটনা মুবারক- এক বুযূর্গ ব্যক্তি তিনি নিজে বর্ণনা করেন যে, তিনি একবার স্বপ্নে দেখলেন, কিয়ামত কায়েম হয়ে গেছে। উনি হাশরের ময়দানে আছেন। উনার অনেক পিপাসা লেগেছে। উনি পানি খুঁজতেছেন। পানি পাবেন কোথায়? কে দিবে পানি? উনি চিন্তা করলেন, তাহলে সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে যাই। সেখানে গেলে যদি পানি পাওয়া যায়। উনি সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার কাছে আসলেন। এখানে এসে দেখেন সম্মানিত হাউযে কাওছার মুবারক উনার পানি বণ্টনকারী হচ্ছেন- সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলি বাকি অংশ পড়ুন...
এই ছলাত মুবারক পেশ করা হচ্ছে ফরযে আইন। সমস্ত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম এবং যিনি খ¦লিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কিন্তু নিজেই পেশ করে যাচ্ছেন, অনন্তকাল ব্যাপী যেতেই থাকবেন। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
সেটাই আমরা বলে থাকি যে, ‘ফালইয়াফরাহূ শরীফ’ অনন্তকাল ব্যাপী পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ জারি করতে হবে। আমরা জারি করেছি হায়াতে-মউতে, কবরে, হাশরে-নশরে, মীযানে-পুলছিরাতে, জান্নাতে পালন করতে হবে এটাই সেটা। ‘ফালইয়াফরাহূ শরীফ” পবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ। যেটা যিনি বাকি অংশ পড়ুন...
এ সম্পর্কে বলা হয় একটা ওয়াক্বিয়া, হযরত খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সময় সেটা প্রকাশ পায়। যে, হযরত ইবরাহীম খলীলুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি অনেক সম্পদশালী ছিলেন। উনার অনেক জায়গা, যমীন, সম্পদ অনেক ছিলো। উনার এই সম্পত্তি পাহারা দেয়ার জন্য, পশুপাল পাহারা দেয়ার জন্য দশ হাজার কুকুর ছিলো। দশ হাজার কুকুর। আর প্রত্যেকটা কুকুর চিহ্নিত করার জন্য স্বর্ণের লকেট পরানো ছিলো। স্বর্ণের লকেট। এটা উনার কুকুরকে চিনার জন্য পাহারাদার হিসেবে, দশ হাজার কুকুর। তিনি প্রায়ই বের হতেন দেখার জন্য উনার জায়গা-যমীন, এই পশুপাল ইত্যাদি।
একদিন হযরত খলীলুল্লাহ বাকি অংশ পড়ুন...












